যুক্তরাষ্ট্রের পর সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা চীনের

যুক্তরাষ্ট্রের পর এবার সামরিক ব্যয় বাড়ানোর ঘোষণা দিল চীন।

এ বছর সামরিক ব্যয় ৭ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে চীন। তবে সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক ব্যয় ১০ শতাংশ বাড়ানোর ঘোষণা দেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সামরিক শক্তি বৃদ্ধির পরিকল্পনার কথা জানান। তিনি পরমাণু অস্ত্রের সম্প্রসারণ করতে চান।

বেইজিংয়ে অনুষ্ঠেয় ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসকে সামনে রেখে সামরিক ব্যয় বৃদ্ধির এ ঘোষণা দিল চীনা সরকার। তবে বড় কথা হলো, অর্থনৈতিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে সামরিক শক্তিরও সম্প্রসারণ ঘটাতে কাজ করে যাচ্ছে এশিয়ার সর্ববৃহৎ এই অর্থনীতির দেশ।

চীনের ঘোষিত সামরিক বাজেট যুক্তরাষ্ট্রের বাজেটের চেয়ে এখনো কম। তবে চীনসম্পর্কিতত পর্যবেক্ষকদের অনেকে মনে করছেন, এ বাজেটের প্রকৃত আকার অনেক বেশি।

ধারাবাহিক দ্বিতীয় বছরের মতো সামরিক বাজেট ১০ শতাংশের কম বাড়ানোর ঘোষণা দিল চীন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে এ ধারা অব্যাহত রেখেছে তারা।

চীনা সরকারের মুখপাত্র ফু ইং জানিয়েছেন, মোট সামরিক ব্যয়ের আকার হবে ২০১৭ সালের জিডিপির ১ দশমিক ৩ শতাংশ। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে একই ধারা ধরে রেখেছে চীন।

রোববার ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসে ভাষণ দেওয়ার সময় সামরিক বাজেট বাড়ানোর প্রকৃত পরিমাণ ঘোষণা করবেন চীনা প্রধানমন্ত্রী লি খেচিয়াং।

কয়েক দিন আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন, ২০১৮ সালে সামরিক ব্যয় ১০ শতাংশ বাড়াতে চান তিনি।

চীনের সামরিক স্থাপনা তৈরির হিড়িক ও নৌশক্তির সম্প্রসারণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে মাথা ব্যথার কারণ। এ ছাড়া দক্ষিণ চীন সাগরে সামরিক স্থাপনা বাড়ানোয় উদ্বেগে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।

স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের তথ্যমতে, ২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ব্যয় ছিল সবচেয়ে বেশি, প্রায় ৬০০ বিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে চীন, যাদের সামরিক ব্যয় ছিল ২০০ বিলিয়নের কিছু বেশি।

You Might Also Like