শিশু পাচারের অভিযোগ: গ্রেপ্তারের পর ১২ দিনের রিমান্ডে বিজেপি নেত্রী জুহি চৌধুরী

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে শিশু পাচারের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে রাজ্য বিজেপি নেত্রী জুহি চৌধুরীকে আজ (বুধবার) ১২ দিনের সিআইডি হেফাজতে নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে জলপাইগুড়ি আদালত। মঙ্গলবার রাতে ভারত-নেপাল সীমান্তে দার্জিলিংয়ের খড়িবাড়ি এলাকা থেকে জুহিকে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি রাজ্য বিজেপি’র মহিলা মোর্চার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

সিআইডির একটি বিশেষ দল তাকে গ্রেপ্তার করে আজ জলপাইগুড়ি আদালতে পেশ করে। উত্তর বঙ্গে শিশু পাচারের ঘটনা সামনে আসার পর থেকে আত্মগোপন করে ছিলেন ওই নেত্রী। গোয়েন্দারের দাবি, তিনি নেপালে পালিয়ে যাওয়ার ছক কষছিলেন। সিআইডি’ বলছে, সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতেই তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বিজেপি’র পক্ষ থেকে অবশ্য ওই ঘটনাকে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
আজ জলপাইগুড়ি আদালত থেকে বের হওয়ার সময় অভিযুক্ত জুহি চৌধুরী বলেন, ‘আমি বামফ্রন্ট আমল থেকে বিজেপি করি। বিজেপি’ই করবো। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমার কণ্ঠ কেউ রোধ করতে পারবে না। কংগ্রেস, তৃণমূল বা সিপিএম কেউ আমার মনোবল ভাঙতে পারবে না। আমি নির্দোষ, আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।’ জুহি চৌধুরীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত রাজ্য বিজেপি নেত্রী ও রাজ্যসভার সদস্য রূপা গঙ্গোপাধ্যায়েরও দাবি, জুহির বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

অবশ্য বিজেপি নেত্রী গ্রেপ্তার হওয়ার পরে প্রবল অস্বস্তিতে পড়েছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্ব। তারা আজ অভিযুক্ত জুহি চৌধুরীকে সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারন করেছে। বিজেপির রাজ্য কমিটি থেকে তার বাবা রবীন্দ্রনাথ চৌধুরীকেও সরিয়ে দেয়া হয়েছে।
জুহি চৌধুরীকে গ্রেপ্তারের ফলে শিশু পাচার চক্র সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যাবে বলে রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডি মনে করছে।#

পার্সটুডে

You Might Also Like