আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনী তফসিল (২০১৭) ঘোষণা

আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের নির্বাচনী তফসিল (২০১৭) ঘোষণা করা হয়েছে। গত ২০ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন কমিশনের বৈঠকে তফশিল চূড়ান্ত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী শামসুল হক, কমিশনার রাশেদ আহমেদ ও আকবর হায়দর কিরন বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আগামী ১১ মার্চ শনিবার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় ক্লাবের কার্যকরী কমিটিতে একজন সভাপতি, একজন সহ-সভাপতি, একজন সাধারণ সম্পাদক, একজন সহ-সাধারণ সম্পাদক, একজন কোষাধ্যক্ষ এবং চাারজন সদস্য থাকবেন।
নমিনেশন ফি হবে-
১। সভাপতি ১ জন ২৫০.০০ ডলার, ২। সহ-সভাপতি ১ জন ২০০.০০ ডলার, ৩। সাধারণ সম্পাদক ১ জন ২০০.০০ ডলার, ৪। সহ-সাধারণ সম্পাদক ১ জন ২০০.০০ ডলার, ৫। কোষাধ্যক্ষ ১ জন ২০০.০০ ডলার, ৬। কার্যকরী কমিটির সদস্য ৪ জন ১৫০.০০ ডলার প্রতিজন।
১. উপরোল্লিখিত পদসমূহে আগ্রহী প্রার্থীগণ ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ তারিখের মধ্যে নির্ধারিত ফি সহ প্রার্থীতার আবেদন নির্বাচন কমিশন বরাবর জমা দিবেন। প্রার্থীতা/মনোনয়ন ফি অফেরৎযোগ্য।
২. প্রার্থীদের নাম ভোটার/সদস্যতালিকাভুক্ত হতে হবে।
৩. প্রার্থীর পক্ষে একজন প্রস্তাবক ও একজন সমর্থনকারী ক্লাবের সদস্যগণের মধ্য থেকে হতে হবে।
৪. প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭।
৫. প্রার্থীতা প্রত্যাহার লিখিতভাবে সয়ং উপস্থিত হয়ে করতে হবে।
৬. মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের সময় কোন আবেদন পত্রে স্বাক্ষরে সন্দেহ হলে বা আপত্তি উত্থাপিত হলে প্রার্থী গ্রহণযোগ্য আইডিসহ কমিশনের সামনে উপস্থিত হয়ে প্রমাণ/সত্যতা পেশ করবেন। অন্যথায় প্রার্থীতা বাতিল হবে।
৭. সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ পদপ্রার্থীদের গ্রীনকার্ডধারি এবং অন্যান্য পদে প্রার্থীদের মেয়াদসহ ওয়ার্ক পারমিট থাকতে হবে।
৮. প্রার্থী নিজে বা প্রতিনিধি মারফত ২ কপি পাসপোর্ট সাইজ ফটোসহ মনোনয়নপত্র ̄úষ্টাক্ষরে ভোটার তালিকার নাম অনুযায়ী পূরণ করে জমা দিতে পারবেন। কিন্তু প্রার্থীতা প্রত্যাহারের ক্ষেত্রে অবশ্যই নিজেকে উপস্থিত হতে হবে।
৯. নির্বাচনী প্রচারণা শোভন ও মার্জিত হতে হবে।
১০. প্রার্থী নিজের পক্ষে সঙ্গত প্রচারণা চালাবেন। প্রতিদ্বন্দ্বি বা অপর প্রার্থী সম্পর্কে নিন্দা অপবাদ কুৎসা রটনা করতে পারবেন না।
১১. নির্বাচন কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে কোন প্রকার প্রচার, পৌষ্টার লাগানো বা লিফলেট বিতরণ করা যাবে না। প্রার্থী বা প্রার্থীর পক্ষে নিবার্চন কেন্দ্রে কোন প্রকার মাইক, রেডিও অথবা শব্দ উৎপাদনকারী যন্ত্র ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। নির্বাচন কেন্দ্রের ২০০ গজের মধ্যে ফুটপাতকেও নির্বাচন কেন্দ্র হিসেবে গণ্য করা হবে।
১২. প্রত্যেক প্রার্থী ভোট কেন্দ্রে ১ জন করে প্রতিনিধি (এজেন্ট) নিয়োগ করতে পারবেন। একই সময় প্রার্থী নিজেসহ মোট ২ জনের বেশী ভোটকেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে পারবেন না।
১৩. নির্বচনের ২ দিন পূর্বে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত প্রত্যেক প্রার্থী প্রতিনিধিগণের (এজেন্টদের) নিয়োগপত্র ২ কপি করে পাসপোর্ট সাইজ ছবিসহ নির্বাচন কমিশনের নিকট জমা দেবেন।
১৪. ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৬ তারিখে সাধারণ সভায় গৃহীত সদস্যগণই ভোটার হিসেবে গণ্য হবেন এবং একমাত্র তারাই ভোট প্রদান করতে পারবেন।
১৫. ভোট প্রদানকালে ফটো আইডি প্রয়োজন হবে। ভোটারগণের যেসব আইডি গ্রহণ করা হবে-
(১). ড্রাইভার লাইসেন্স/ষ্টেট আইডি/সিটি আইডি
(২). পাসপোর্ট বাংলাদেশী/আমেরিকান
(৩). গ্রীনকার্ড/ওয়ার্ক অথরাইজেশন কার্ড অথবা
(৪). নিয়োকৃত পত্রিকা/মিডিয়া কতৃক ইস্যুকৃত ফটো আইডি।
১৬. উল্লেখিত আইডিগুলোর যে কোন একটি ছাড়া কোন অবস্থাতেই কেউ ভোট প্রদান করতে পারবেন না।
১৭. ২৮ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭ বিশেষ সাধারণ সভায় ঘোষিত/গৃহিত ভোটার তালিকা অনুযায়ী ভোট গ্রহণ করা হবে। ভোটার তালিকার ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কোন আপত্তি গ্রহণ করবে না।
১৮. ভোট প্রদানে অসুবিধা দেখা দিলে, ভোটার ভোট প্রদানে বিরত থেকে নির্বাচন কমিশনকে সঙ্গে সঙ্গে অবহিত করবেন। ভোটপ্রদানের পরে কোন প্রকার আপত্তি বা অভিযোগ গ্রহণযোগ্য হবে না।
১৯. নির্বাচন সংক্রান্ত কোন বিষয়ে কারো কোন অভিযোগ থাকলে নির্বাচনী ফলাফল ঘোষণার ২৪ ঘন্টার মধ্যে অভিযোগের পক্ষে উপযুক্ত প্রমাণসহ নির্বাচন কমিশনের নিকট আবেদন করতে হবে। অভিযোগ প্রাপ্তির পর নির্বাচন কমিশন, কার্যকরী পরিষদ এর নির্বাচন চলাকালীন সময়ে দ্বায়িত্বপ্রাপ্ত সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক জরুরী সভায় মিলিত হয়ে পরিষদের মোট উপস্থিত সদস্যদের অধিকাংশের মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচন কশিমন সিন্ধান্ত গ্রহণ করবে এবং ঐ সিন্ধান্তই চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে। সিদ্ধান্তের বিপরীতে কোন প্রার্থী সমিতির স্বার্থে আদালতের আশ্রয় নিতে পারবেন না।
২০. নির্বাচন কেন্দ্রে কোন প্রার্থী বা প্রার্থীর সমর্থকরা কোন প্রকার বিশৃংখলা সৃষ্টি করলে সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশন স্থানীয় আইনরক্ষাকারী সংস্থার আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।
২১. প্রতিদ্বন্দী দুই বা ততোধিক প্রার্থীর প্রাপ্ত ভোট সমান হলে সেক্ষেত্রে লটারীর মাধ্যমে ফলাফল নির্ধারণ করা হবে।
সুষ্ঠু ও সুন্দর নির্বাচন সমাধানের জন্য নির্বাচন কমিশন বদ্ধপরিকর। অতএব যে কোন পরিস্থিতিতে নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনের সিন্ধান্ত চুড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
পরিশেষে আমেরিকা বাংলাদেশ প্রেসক্লাব আসন্ন নিবার্চনকে সাফল করতে সকল সম্মানিত সদস্য ও কার্যকরী কমিটির সহযোগিতা একান্ত কাম্য।
১. কাজী শামসুল হক, প্রধান নির্বাচন কমিশনার ৭১৮ ৩১২২৯৮৫
২. রাশেদ আহমেদ, নির্বাচন কমিশনার ৭১৮ ৩১৬১৯৪৮
৩. আকবর হায়দার কিরন, নির্বাচন কমিশনার ৬৪৬ ২৬২৯২৯৬ তারিখ ২ / ২০ / ২০১৭

You Might Also Like