মার্কিন নাগরিকদের ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে ইরান

মার্কিন নাগরিকদের ভিসা দেয়া বন্ধ করে দিয়েছে ইরান। ইরানসহ সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পাল্টা হিসেবে ইরান পদক্ষেপ নিয়েছে। খবর এপির।

মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এখন থেকে আর কোনো মার্কিন নাগরিককে ভিসা দিচ্ছে না তেহরান।

ইরানের রাজধানী তেহরানে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ মার্ক এহোর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর শেষে যৌথ ব্রিফিং করেন জাভেদ জারিফ। পরে তিনি স্থানীয় জাতীয় দৈনিক খোরাসানকে মার্কিনিদের ভিসা না দেয়ার কথা জানান।

উল্লেখ্য, ইরান প্রত্যেক বছর ৫০ লাখ পর্যটক ভিসা দিয়ে থাকে। ইরাক এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকেই এসব পর্যটক এসে থাকেন।

তবে ইদানিং বিপুলসংখ্যক ইউরোপীয়রাও ইরানে আসছে। আর বছরে মোট পর্যটকের মাত্র এক শতাংশ (৫০ হাজার) আমেরিকান তেহরানে আসেন।

গত শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ইরানসহ সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

ওই সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ জানান, ট্রাম্পের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি, রাজনৈতিক সমুচিত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘যতক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জনগণের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে না নেবে, ততক্ষণ ইরানের জনগণের অধিকার রক্ষার্থে বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক, আইনগত পাল্টা ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা বাকি দেশগুলো হলসিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ইয়েমেন।

ইরানসহ সাতটি মুসলিম প্রধান দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্র প্রবেশে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞার পাল্টা হিসেবে ইরান পদক্ষেপ নিয়েছে। খবর এপির।

মঙ্গলবার ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে ইরানি নাগরিকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা আরোপের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এখন থেকে আর কোনো মার্কিন নাগরিককে ভিসা দিচ্ছে না তেহরান।

ইরানের রাজধানী তেহরানে ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ মার্ক এহোর সঙ্গে একটি চুক্তি স্বাক্ষর শেষে যৌথ ব্রিফিং করেন জাভেদ জারিফ।

পরে তিনি স্থানীয় জাতীয় দৈনিক খোরাসানকে মার্কিনিদের ভিসা না দেয়ার কথা জানান।

উল্লেখ্য, ইরান প্রত্যেক বছর ৫০ লাখ পর্যটক ভিসা দিয়ে থাকে। ইরাক এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলো থেকেই এসব পর্যটক এসে থাকেন।

তবে ইদানিং বিপুলসংখ্যক ইউরোপীয়রাও ইরানে আসছে। আর বছরে মোট পর্যটকের মাত্র এক শতাংশ (৫০ হাজার) আমেরিকান তেহরানে আসেন।

গত শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প এক নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে ইরানসহ সাতটি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন।

ওই সময় ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাভেদ জারিফ জানান, ট্রাম্পের ওই আদেশের বিরুদ্ধে আইনি, রাজনৈতিক সমুচিত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘যতক্ষণ যুক্তরাষ্ট্র ইরানের জনগণের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে না নেবে, ততক্ষণ ইরানের জনগণের অধিকার রক্ষার্থে বাণিজ্যিক, রাজনৈতিক, আইনগত পাল্টা ব্যবস্থা চালিয়ে যাওয়া হবে।

যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞায় থাকা বাকি দেশগুলো হলসিরিয়া, ইরাক, লিবিয়া, সোমালিয়া, সুদান ইয়েমেন।

You Might Also Like