ফুটপাতের লাইনম্যান নামধারী চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবি

রাজধানীর গুলিস্তান-মতিঝিলসহ বিভিন্ন ফুটপাতের লাইনম্যান নামধারী ও তালিকাভুক্ত চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হকার্স লীগ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ হকার্স লীগ ও হকার্স ফেডারেশনের সভাপতি এম এ কাশেম এ দাবি জানান।

তিনি বলেন, ‘গুলিস্তানের তালিকাভুক্ত ২ হাজার ৫০২ জন হকারের জন্য নির্ধারিত স্থানগুলোতে বহুতল হকার্স নির্মাণ কাজ শুরু করতে হবে।’

এম এ কাশেম আরো বলেন, ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকনের ঘোষণা অনুযায়ী কর্মদিবসে গুলিস্তান ও মতিঝিলসহ এর আশপাশের এলাকার ফুটপাতে দিনের বেলা কোনো হকার বসতে পারবে না। প্রতিদিন সন্ধ্যা ৬টা ৩০ মিনিট থেকে হকাররা গুলিস্তান-মতিঝিল এলাকায় বসবেন।’ যারা আইন উপেক্ষা করে দিনের বেলায় ফুটপাতে বসবে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তিনি।

সংবাদ সম্মেলন শেষে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র বরাবর একটি স্মারক লিপি দেওয়া হয়। স্মারকলিপিতে ১১ দফা দাবি রয়েছে। এ দাবির মধ্যে রয়েছে- তালিকাভুক্ত হকারদের আইডি কার্ড প্রদান করতে হবে, হলিডে মার্কেটের হকারদের ঝড়-বৃষ্টি ও রোদের তাপ থেকে মালামাল রক্ষার জন্য লাইসেন্স প্রদানসহ ভ্যানগাড়ি ও ছাতার ব্যবস্থা করতে হবে, পরিচয় বহনকারীদের নামে ব্যবসা উপযোগী স্থানে দোকান বরাদ্দ দিয়ে মালিক হতে ন্যায্য মূল্য কিস্তির মাধ্যমে নিতে হবে, অবৈধ চাঁদাবাজি বন্ধ করতে হবে, এর জন্য লাইনম্যান নামধারী অবৈধ চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারসহ ফুটপাতে বর্তমানে ব্যবসারত হকারদের কাছ থেকে সরকারের রাজস্ব নিতে হবে, রেজিস্ট্রেশনবিহীন সকল হকার্স সংগঠনের অপতৎপরতা বন্ধ করতে হবে, হকারদের নিয়ন্ত্রণের জন্য পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের সংসদ অনুমোদিত নীতিমালা অনুযায়ী বাংলাদেশের হকারদের জন্য নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে, ২০১৩ সালে ৫ মে হেফাজতের তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত হকারদের ক্ষতিপূরণ দেওয়াসহ মামলার আসামিদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করতে হবে এবং গত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অব্যস্থাপনার কারণে ব্যবসারত অবস্থায় নিহত হওয়া সুজন ও রিয়াজের হত্যাকারীদের বিচারসহ ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

এ সময় হকার নেতা শেখ মো. সোহেল, আবুল বাশার, সাইদুর রহমান, রমজান আলী, আবুল বাছের মোল্লা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

You Might Also Like