৫১ শতাংশ তামাকপণ্যে বিধি মানা হয় না

৫১ শতাংশ তামাকপণ্যে ছবিসহ স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণে শতভাগ বিধি অনুসরণ করা হয়নি বলে জানিয়েছে তামাকবিরোধী সংগঠনসমূহ।

রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে তামাকবিরোধী সংগঠনসমূহের পক্ষে প্রজ্ঞা, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন, ঢাকা আহছানিয়া মিশন, এসিডি, ইপসা ও সীমান্তিক আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা এই তথ্য জানান।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা বলেন, আইন বাস্তবায়নের আট মাস পেরিয়ে গেলেও ৫১ শতাংশ তামাকপণ্যেই শতভাগ আইন মেনে সচিত্র সতর্কবাণী মুদ্রণ করা হয়নি। বিড়িতে ১০০ শতাংশ, জর্দায় ৯৬ দশমিক ৪ শতাংশ, গুলে ৭৫ দশমিক ৮৬ শতাংশ এবং সিগারেটে ২০ দশমিক ৮৮ শতাংশ ক্ষেত্রেই শতভাগ আইন মেনে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী বাস্তবায়ন করা হয়নি।

তারা বলেন, বর্তমানে ৯২ শতাংশ তামাকপণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান প্যাকেটে ছবিসহ সতর্কবাণীসংক্রান্ত শতভাগ বিধি অনুসরণ না করেই তামাকপণ্য বিক্রি করছে।

বক্তারা বলেন, ৪০ দশমিক ২ শতাংশ জর্দার কৌটায় এখনো সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণ করা হয়নি। এ ছাড়া ৯১ দশমিক ৭ শতাংশ বিড়ির প্যাকেট, ৮৫ দশমিক ২ শতাংশ জর্দা এবং ৪২ শতাংশ গুল কৌটায় সতর্কবাণী সঠিক স্থানে মুদ্রণ করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তারা কিছু সুপারিশ তুলে ধরেন। সেগুলো হলো, তামাক কোম্পানিগুলোকে প্যাকেট বা কৌটার অন্যূন ৫০ শতাংশ স্থান জুড়ে সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী মুদ্রণে বাধ্য করতে হবে, সচিত্র স্বাস্থ্য সতর্কবাণী যেন আইনসম্মত উপায়ে মুদ্রণ হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে আইন লঙ্ঘনকারী তামাক কোম্পানিগুলোকে জরিমানা করা এবং সপ্তাহে অন্তত তিন দিন ভ্রাম্যামাণ আদালত পরিচালনা করা, ভ্রাম্যামাণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো এবং আইন বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষকে আরো বেশি কার্যকর করা।

সংবাদ সম্মেলনে ছিলেন, জাতীয় অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার (অবসরপ্রাপ্ত) আবদুল মালিক, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা এবং সভাপতি মুহাম্মদ রুহুল কুদ্দুস, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব ডা. মাহফুজুল হক ভূঁইয়া প্রমুখ।

You Might Also Like