গ্রামগঞ্জ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেশি পাখি

শহরের পাশাপাশি গ্রাম থেকেও ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে পাখি।বাংলাদেশের অন্যান্য গ্রাম গঞ্জের মত নাটোরের গ্রাম গঞ্জেও এখন আর দেখা যায় না দেশি পাখি।

কিছুদিন আগেও মাঠে-ঘাটে, খেতে-খামারে বিচিত্র ধরনের পাখিদের বিচরণ ছিল। ফসলের মাঠে পাখির খাবার অনুসন্ধান অতীতে স্বাভাবিক দৃশ্য হলেও এখন আর তা দেখা যাচ্ছে না। অতীতে নাটোরের বিভিন্ন গ্রামে বক, শালিক, ঘুঘু, দোয়েল, বাবুই, টুনটুনি, চিল, পানকৌড়ি, ডাহুক, বালীহাঁস, কোকিল ও কাকসহ বিভিন্ন পাখিদের আবাস ছিল।এখন আর এসব পাখি খুব একটা দেখা যায় না।

বর্তমান প্রজন্মের অনেকে জাতীয় পাখি দোয়েল, ঘুঘু, বাওয়াই, শালিক, টুনটুনি, কাঠঠোকরা, কোকিল, ডাহুক, ক্যাসমেচি, বাবুই, মাছরাঙা, বটর, টেইটেরা, গোমড়া ও প্যাঁচাসহ অনেক পাখির সাথেই পরিচিত না। এসব পাখির ডাক ও তারা কোনদিন শোনেনি।

পাখি কমে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধানে জানা গেছে, খেতে কীটনাশকের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে বন-জঙ্গল নিধন ও পাখি শিকার এর জন্য দায়ী।

নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নায়িরুজ্জামান জানান, এ বছর সদর উপজেলায় পাখি শিকারীদের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।বন্য প্রাণি সংরক্ষণ ও পাখি সুরক্ষার জন্য নাটোর সদর উপজেলায় জনসচেতনা সৃষ্টির লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রাকৃতিক পরিবেশ ও ভারসাম্য রক্ষায় পাখির ভূমিকা অনস্বীকার্য। কেবল মানব জাতির জীবের প্রতি দয়া, সহনশীলতা এবং সচেতনতাই রক্ষা করতে পারে পাখির স্বাভাবিক বেঁচে থাকা ও বংশ বিস্তারের পথ।

You Might Also Like