কাশ্মীরে ফিরেছে জীবনের স্বাভাবিকতা

চার মাসের অবরুদ্ধতা শেষে ভারত শাসিত কাশ্মীরে ফিরেছে জীবনের সব আয়োজন। রাস্তা, অফিস, কর্মক্ষেত্র সব জায়গায় ফিরেছে কোলাহল। স্বস্তির নিঃশ্বাসে ঘরে-বাইরে ফিরেছে চাঞ্চল্য।

ভারতের কাছে সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে বিবেচিত হিজবুল মুজাহিদিনের নেতা বুরহান ওয়ানি পুলিশের গুলিতে মারা যাওয়ার পর বিক্ষোভে ফুঁসে ওঠে কাশ্মীর। শুরু হয় সংঘর্ষ। পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ থামাতে এবং বিক্ষোভ দমনে ৮ জুলাই জারি হয় কারফিউ।

১৯ নভেম্বর, শনিবার সকাল থেকে ভূস্বর্গ কাশ্মীরে দোকানপাট, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়, সরকার-বেসরকারি অফিস, আদালত খুলেছে। প্রাণ ফিরে এসেছে কাশ্মীরের রাস্তায়। গণপরিবহনে মানুষের ঢল নেমেছে, ট্রাফিকে ভিড় দেখা গেছে।

কাশ্মীরের শীতকালীন রাজধানী শ্রীনগরে মানুষের মধ্যে ব্যস্ততা দেখা গেছে। প্রতিদিনের কাজের জন্য বেরিয়ে এসেছে মানুষ। সব মিলে জনজীবনে স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে।

শনিবার কার্যদিবসের শুরু থেকে অধিকাংশ সরকারি অফিস বিশেষ করে ব্যাংক, আদালত, পোস্ট অফিসে বেশির ভাগ কর্মকর্তা-কর্মচারী উপস্থিত ছিলেন। কাশ্মীর উপত্যকার অন্যান্য জেলা শহরেও স্বাভাবিক কাজকর্ম অব্যাহত ছিল। অবস্থার উন্নয়নে শুক্রবার রাতে প্রিপেইড সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, কাশ্মীরে সংঘর্ষ শুরুর পর থেকে গত চার মাসে প্রাণ হারিয়েছে ৮৬ জন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রায় ৫ হাজার সদস্য আহত হয়েছেন।

You Might Also Like