মোবাইল অপারেটর রবি-এয়ারটেলের একসঙ্গে পথচলা শুরু

মোবাইল অপারেটর রবি ও এয়ারটেলে একীভূত হয়ে পথচলা শুরু করেছে। রবির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বুধবার থেকে একীভূত কোম্পানি হিসেবে রবির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর মাধ্যমে দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের প্রথম একীভূতকরণ কার্যকর হলো।

একীভূত কোম্পানিটি রবি আজিয়াটা লিমিটেড নামে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এখন থেকে ‘রবি’ লোগোর ব্যানারের পেছনে থাকবে দুটি কোম্পানি রবি ও এয়ারটেল। আর দুই কোম্পানির গ্রাহকরা পরিচিতি পাবেন ‘রবি’ গ্রাহক হিসেবে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, একীভূতকরণ শেষে অপারেটরটির গ্রাহক সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ৩ কোটি ২২ লাখ। রবি ও এয়ারটেল একীভূত হওয়ার ফলে রবি দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম মোবাইল ফোন অপারেটর হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলো।

রবির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাহতাব উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এয়ারটেলের সাথে একীভূতকরণ প্রক্রিয়া শেষ করতে পেরে আমরা আনন্দিত। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটি সফলভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে।’

আজিয়াটার প্রেসিডেন্ট এবং গ্রুপ চিফ এক্সিকিউটিভ অফিসার তান শ্রি জামালুদিন ইবরাহিম বলেন, ‘ইন্দোনেশিয়া, শ্রীলঙ্কা ও কম্বোডিয়ার মতো বাজারে আমাদের কৌশলগত একীভূতকরণের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ বাজারের প্রথম একীভূতকরণ প্রক্রিয়াটি সফলভাবে শেষ করতে সহায়ক হয়েছে।’

বাংলাদেশে একীভূত হয়ে ব্যবসা পরিচালনার সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের লক্ষ্যে ২০১৫ সালের ৯ সেপ্টেম্বর উভয় পক্ষের আলোচনা শুরুর ঘোষণার মধ্য দিয়ে একীভূতকরণের যে প্রক্রিয়াটি শুরু হয়েছিল সেটি বুধবার শেষ হলো।

২০১৬ সালের জানুয়ারিতে আজিয়াটা গ্রুপ বারহাদ (আজিয়াটা) ও ভারতী এয়ারটেল অব ইন্ডিয়া (ভারতী) বাংলাদেশে তাদের কোম্পানিগুলাকে একীভূতকরণের লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি স্বাক্ষর করেছিল।

ওই চুক্তির ভিত্তিতেই গত ৩১ আগস্ট মোবাইল অপারেটর রবি ও এয়ারটেল একীভূত হতে আদালতের অনুমোদন পায়। বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন।

গত আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রবি-এয়ারটেল একীভূত হওয়ার প্রস্তাব চূড়ান্ত অনুমোদন দেন।

You Might Also Like