নিউইয়র্কে গোলাপগঞ্জ সোসাইটির বনভোজন ও মিলন মেলা অনুষ্ঠিত

বিপুল উৎসাহ উদ্দীপনায় নিউইয়র্ক গোলাপগঞ্জ সোসাইটির বনভোজন ও মিলন মেলা গত ৮ জুন রোববার এস্টোরিয়া পার্কে অনুষ্ঠিত হয়। নিউইয়র্কের টাইবরো ব্রীজের কোল ঘেষে গাছপালা ঘেরা সবুজ পার্কে বনভোজন ও মিলন মেলার অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিলো শুভেচ্ছা বক্তব্য, খেলাধুলা, র‌্যাফল ড্র, ভোজ, সোসাইটির আজীবন সদস্যদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আর আড্ডা। বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চলে অনুষ্ঠানমালা। সকালের অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবীদ আব্দুল কাদির চৌধুরী।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতিসংঘে বাংলাদেশ মিশনে নিযুক্ত স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত ড. একে মোমেন। অনুষ্ঠানে অতিথিদের স্বাগত জানান সংগঠনের সভাপতি শেরওয়ান আহমেদ চৌধুরী ও সাধারণ সম্পাদক হেলিম উদ্দিন আহমেদ।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার মধ্যে ছিলো শিশু-কিশোর-কিশোরীদের দৌড়, মহিলাদের মিউজিক্যাল পিলো ও সুঁই সুতো, ছেলেদেরে ফুটবল আর মেধাবী শিক্ষার্থীদের ট্যালেন্ট প্রতিযোগিতা।
কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি কামাল আহমেদ, সহ সভাপতি আউর রহমান সেলিম, জালালাবাদ এসোসিয়েশনের সভাপতি বদরুল হোসেন খান, সাবেক সভাপতি আজমল হোসেন খান, সাবেক সহ সভাপতি বদরুন্নাহার খান মিতা ও সাধারণ সম্পাদক জুয়েল চৌধুরী, বাংলাদেশ বিয়ানীবাজার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সমিতি ইউএসএ’র সভাপতি আজিমুর রহমান বুরহান, সিলেট ডিষ্ট্রিক্ট সোসাইটির সভাপতি আনোয়ার হোসেন, মেজর জেনারেল (অব:) এজাজ আহমেদ চৌধুরী, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিস্ট ওয়াহিদুর রহমান মুক্তা, এমাদ চৌধুরী, সৈয়দ ফয়সল আহমেদ, হুসাম চৌধুরী, ফয়জুর রহমান ফজলু, শাহাব উদ্দীন, আব্দুর রহিম বাদশা, জায়নাল আহমেদ চৌধুরী, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রেজাউল করীম চোধুরী প্রমুখ।
বিেেকলে অনুষ্ঠানে সংগঠনের উদ্যোগে ক্রয়কৃত কবরস্থানের দলিল হস্তান্তর এবং সোসাইটির আজীবন সদস্যদের মাঝে সার্টিফিকেট বিতরণ করা হয়। এছাড়া বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরষ্কার বিতরণ করেন রাব্বী চৌধুরী, মোমিন চৌধুরী, ফয়জুর রহমান ফটিক, মোর্শেদ চৌধুরী প্রমুখ।
র‌্যাফল ড্র’র প্রথম পুরষ্কার ছিলো কম্পিউটার (সৌজন্যে: বদরুল হোসেন খান ও জুয়েল চৌধুরী)। এবং দ্বিতীয় পুরষ্কার ছিলো ল্যাপটপ  (সৌজন্যে: জয়নাল আবেদীন)।
অনুষ্ঠানে সংগঠনের সদস্য-সদস্যাসহ এক হাজারের মতো অতিথি উপস্থিত ছিলেন বলে আয়োজক নেতৃবৃন্দ দাবী করেন। নিউইয়র্কের বিভিন্ন বরো ছাড়াও ট্রাইষ্টেট এলাকা নিউজার্সী, কানেকটিকাট থেকেও অনেকে যোগ দেন এই অনুষ্ঠানে। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো শিশু-কিশোর-কিশোরী আর নারী। এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিলো শিশু-কিশোর-কিশোরী আর নারী। আয়োজকদের প্রত্যাশা ছিলো পাঁচ শতাধিক অতিথির। সেখানে এতো বিপুল অতিথির সমাবেশ ঘটায় আপ্যায়েনে কিছুটা বেগ পেতে হয়। তবে সোসাইটির নেতৃবৃন্দের তড়িৎ পদক্ষেপে আশপাশের হোটেল-রেস্তোরা থেকে একাধিকবার অতিরিক্ত খাবার এনে অতিথিদের আপ্যায়িত করানো হয়।
গ্রীষ্মের চমৎকায় আবহাওয়া ও পরিবেশে অনুষ্ঠানে আগত অতিথিদের অনেকেই সপরিবারে যোগ দিয়ে গোলাপগঞ্জ সোসাইটির বনভোজন প্রাণবন্ত করে তোলেন। বিশাল পার্কের গাছের ছায়ায় বাংলাদেশী স্টাইলে চাদর বিছিয়ে তারা আড্ডায় মেতে উঠেন।
অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন শেখ আতিকুল ইসলাম, এবাদ চৌধুরী, ফরহাদ চৌধুরী, রেজাউল করীম চৌধুরী, আব্দুল মুমিত চৌধুরী ওমেল। সহযোগিতায় ছিলেন: সেলিনা চৌধুরী, সাবেয়া চৌধুরী, রিমা চৌধুরী, জান্নাত আরা বেগম, আতিয়া চৌধুরী, সোলেমান চৌধুরী, সৈয়দ সেলিম, নুর উদ্দিন, হান্নান চৌধুরী, বেলাল উদ্দিন প্রমুখ।

You Might Also Like