জনহয়রানি বন্ধে কাজ চলছে : ডিএমপি কমিশনার

জন হয়রানি বন্ধ করতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) নানা ধরনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। পুলিশি সেবা দেয়ার নামে কেউ অহেতুক হয়রানির শিকার হলে ওই পুলিশ সদস্যকে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. আছাদুজ্জামান মিয়া।

বুধবার সন্ধ্যায় ফেসবুক লাইভে বিভিন্ন ব্যক্তির প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, ‘পুলিশ এবং জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক বাড়াতে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অংশ হিসেবে পুরো রাজধানীতে ২৮৭টি বিট খোলা হয়েছে। এসব বিটে একজন করে কর্মকর্তা রয়েছেন। তিনি সংশ্লিষ্ট এলাকায় প্রতিদিন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, গণমান্য ব্যক্তি এবং সাধারণ মানুষকে নিয়ে উঠান বৈঠক করছেন। আর এসবই করা হচ্ছে জনগণের নিরাপত্তা এবং হয়রানি রোধে। ইতিমধ্যেই রাজধানীর ২০ লাখ ভাড়াটিয়ার তথ্য নিয়ে ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। একইসঙ্গে অন্য ভাড়াটিয়াদেরও তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। ডিএমপি নিউজ পোর্টাল, ফেসবুক, বিভিন্ন অ্যাপস খোলা হয়েছে যেন কেউ হয়রানির শিকার না হয়। আর কেউ হলে এসব জায়গায় অভিযোগও করতে পারবেন।’

জনৈক রাজু ধর নামে এক ব্যক্তির প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘প্রতিনিয়ত নজরদারি করা হচ্ছে প্রতিটি পুলিশের কর্মকাণ্ড। আগে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ট্রাফিক পুলিশ মামলার টাকা সংগ্রহ করতো। কিন্তু এখন এ টাকা ব্যাংকে জমা দিতে হয়। থানায় গিয়েও টাকা গুণতে হয় না। নির্দিষ্ট জিডি ফরম করে দেয়ায় এ খাতেও ঘুষের অভিযোগ কমে এসেছে।’

অপর একজনের প্রশ্নের জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘জঙ্গিদের প্রাথমিকভাবে দমন করা হয়েছে। তবে শেকড় নির্মূল করতে হলে পুলিশের সঙ্গে জনগণকে আরো এগিয়ে আসতে হবে।’

শরীফ হাসান নামে এক প্রশ্নকর্তার প্রশ্নের জবাবে আছাদুজ্জামান মিয়া বলেন, ‘মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কাজ করছে। তারপরও পুলিশ প্রতিদিন মাদক উদ্ধার করছে। একদিনেতো আর সম্ভব নয়। মাদক নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে।’

You Might Also Like