স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার, পরিবারের দাবি হত্যা

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরিবারের দাবি তাকে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত স্কুলছাত্রীর নাম মুন্নি (১৫)। এ বছর স্থানীয় চাপাইর উচ্চ বিদ্যালয় থেকে জেএসসি পরীক্ষার্থী ছিল। সে চাপাইর ইউনিয়নের কুতুবদিয়া গ্রামের কাঁচামাল ব্যবসায়ী শহীদের মেয়ে।

নিহতের ভাই রিপন জানান, স্কুলে যাওয়া আসার পথে চাপাইর এলাকার আতাউর সরকার ছেলে আরাফাত সরকার মুন্নিকে উত্যক্ত করত। এ ব্যাপারে আরাফাতের মা-বাবার কাছে বিচার দিলেও তারা বিষয়টি আমলে নেননি। এ নিয়ে মুন্নি ও তার বাবা শহীদকে হত্যার হুমকিও দিয়েছে আরাফাত।

তিনি জানান, মুন্নি তাদের বাড়ির একটি রুমে একা থাকত। তিনি স্ত্রী নিয়ে এবং বাবা-মা ও আরেক বোন পৃথক রুমে থাকেন। সোমবার রাতে তার বাবা-মা ও অপর বোন পাশের গ্রামে গান শুনতে যান। সেখান থেকে ফিরে তারা যার রুমে ঘুমাতে যান। মঙ্গলবার ফজরের আযানের সময় তার মা ঘুম থেকে ওঠে বাড়ির গেটের ভেতর আরাফাতকে দেখেন। পরে আরাফাত এখানে কেন এসেছে তার মা জিজ্ঞেস করলে হাঁটতে এসেছে বলে জানায়। একপর্যায়ে সে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে ঘরে এসে খাটের ওপর গলায় ওড়না দিয়ে প্যাঁচানো অবস্থায় মুন্নিকে পড়ে থাকতে দেখেন।

তিনি অভিযোগ করেন, রাতের কোনো এক সময় আরাফাত ঘরে লুকিয়ে ছিল এবং ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে মুন্নিকে হত্যা করেছে।

কালিয়াকৈর থানার এসআই আব্দুল্লাহ আল তাবির জানান, দুপুর ১২টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুরে শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা তা তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

You Might Also Like