চট্টগ্রামে নিরাপত্তা মহড়া

স্টেডিয়ামে কিংবা সড়কে চলাচলের পথে জঙ্গি হামলা বা যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে খেলোয়াড়দের নিরাপত্তা দিতে মহড়া দিয়েছে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ।

রোববার সকালে চট্টগ্রামের জহুর আহাম্মদ চৌধুরী স্টেডিয়াম ও রেডিসন ব্লু হোটেলের সামনের সড়কে এই নিরাপত্তা মহড়া অনুষ্ঠিত হয়। চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাহার এই মহড়ায় নেতৃত্ব দেন।

মহড়ার অংশ হিসেবে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জহুর আহাম্মদ চৌধুরী স্টেডিয়ামের এক পাশে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এরপর পুলিশের বিপুল সংখ্যক সদস্য দ্রুত মাঠে প্রবেশ করে অবস্থানরত খেলোয়াড়দের কর্ডন করে কঠোর নিরাপত্তা দিয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পুলিশের কমান্ডোবাহিনী কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী দিয়ে খেলোয়াড়দের হোটেলে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে।

মহড়ার উদ্দেশ্য সম্পর্কে পুলিশ কমিশনার ইকবাল বাজার বলেন, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিতব্য ওয়ানডে ও টেস্ট সিরিজ উপলক্ষে কি রকম নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়েছে তা উপস্থাপন করা। এই মহড়ার মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়েছে যেকোনো নাশকতা মোকাবিলা করে কিভাবে স্বাভাবিক অবস্থা ফিরিয়ে সিরিজটি সফলভাবে শেষ করা যায় এবং স্টেডিয়াম ও খেলোয়াড়দের শতভাগ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।
পুলিশ কমিশনার বলেন, পুলিশের পক্ষ থেকে স্টেডিয়ামে ও স্টেডিয়ামের বাইরে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। স্টেডিয়ামের ১৬টি প্রবেশপথের মধ্যে ৮টি দর্শকদের প্রবেশের জন্য খুলে দেওয়া হবে। তবে চাপ সামলানো সম্ভব না হলে প্রথম ধাপে চারটি এবং পরবর্তী ধাপে আরো চারটিসহ ১৬টি প্রবেশ পথই খুলে দেওয়া হবে। স্টেডিয়ামের বাইরে থেকে কোনো খাবার-পানীয় নিয়ে কোনো দর্শক স্টেডিয়ামে প্রবেশ করতে পারবে না। মোবাইল ছাড়া অন্য কোনো ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে মাঠে প্রবেশ করা যাবে না।

উল্লেখ্য, আগামী ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ ও ইংল্যান্ড দলের মধ্যকার তৃতীয় ওয়ানডে ম্যাচ এবং ২০ থেকে ২৪ অক্টোবর সিরিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচ হবে চট্টগ্রামের জহুর আহম্মেদ চৌধুরী ক্রিকেট স্টেডিয়ামে।

টেস্ট সিরিজ শুরুর আগে ১৪ থেকে ১৫ এবং ১৬ থেকে ১৭ অক্টোবর এম এ আজিজ স্টেডিয়ামে বিসিবি একাদশের বিপক্ষে দুটি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলবে সফরকারীরা।

You Might Also Like