মেশিন পাঠযোগ্য পাসপোর্ট প্রাপ্তি সহজ ও দ্রুততর করার দাবীতে কানাডায় বাংলাদেশ হাই কমিশনারের কাছে স্মারকলিপি পেশ

বাংলাদেশ হাই কমিশনার কামরুল আহসান এর নিকট প্রবাসীদের প্রাণের দাবি এমআরপি পেতে স্বশরীরে অটোয়ায় যাওয়ার ব্যবস্থা রদ করে আশু আউট সোর্সিং বা বিকল্প কোন পন্থায় পাসপোর্ট প্রদান নিশ্চিত করার আহবান সম্বলিত স্মারকলিপি পেশ করেন বিশিষ্ট মুক্তিযোদ্ধা ও প্রবাসী সাংবাদিক দেলোয়ার জাহিদ।
জনাব জাহিদ বাংলাদেশ হেরিটেজ এন্ড এথনিক সোসাইটি অব আলবার্টা, বাংলাদেশ প্রেসক্লাব সেন্টার অব আলবার্টা এর সভাপতি, সমাজকন্ঠ সম্পাদক ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন অব হিউম্যান রাইটস, কুমিল্লা এবং আলবার্টা ও সাস্কাচুয়ান প্রদেশের কমিশনার অব ওথস।

প্রকাশ, অত্যন্ত ব্যয়বহুল এ আবেদন প্রক্রিয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন কানাডায় অধ্যয়নরত হাজারো ইন্টারনেশনাল ষ্টুডেন্টস, প্রবাসী বাংলাদেশী পরিবার ও পেশাজীবিগণ। যার কারনে সরকারের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগিদের হতাশা ও ক্ষোভ ক্রমে দানাা বেধে উঠছে এবং এ বিষয়ে কটি সংবাদ প্রতিবেদন ও প্রকাশিত হয়েছে।গত ৫ই জুন মধ্যাহ্নের পর বাংলাদেশ হাই কমিশনার কামরুল আহসান জনাব জাহিদের সাথে একটি একান্ত সাক্ষাতকারে মিলিত হন এবং তার সাথে যোগ দেন কাউন্সিলর রাহাত জামান।

বাংলাদেশ হাই কমিশনার মেশিন পাঠযোগ্য পাসপোর্ট আবেদনের সমস্যাটি আশু নিরসনে দ্রুত পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বাংলাদেশের কমিউনিটি সংগঠন ও ব্যবসায়িক ফোরামগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করার ব্যাপারে সহযোগিতা কামনা করেন।

জনাব জাহিদ আলবার্টাকে একটি রোল মডেল হিসাবে উল্লেখ করে বলেন এখানে সংগঠনগুলোর মধ্যে পারষ্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সহযোগিতার মনোভাব রয়েছে এবং তা উত্তোরাত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। বাংলাদেশ ষ্টুডেন্টস এসোসিয়েশন, ইউনিভার্সিটি অব আলবার্টা, বাংলাদেশ কানাডা এসোসিয়েশন অব এডমন্টন এবং বাংলাদেশ বিজনেস ফোরাম সহ সব কটি সংগঠনের এ দাবির প্রতি নৈতিক সমর্থন রয়েছে বলেও ভিনি উল্লেখ করেন। ষ্টুডেন্টস এসোসিয়েশন পূর্ব থেকে এ সমস্যাটি নিরসনের প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে কারন তারা এ ব্যবস্থায় সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত।

জনাব জাহিদ পৃথক পৃথক ভাবে বাংলাদেশ হাই কমিশনের  কাউন্সিলর নাহিদা রহমান সুমনা, ইশরাত আহমেদ, কাউন্সিলর ও এইচওসি রাহাত জামান এবং প্রথম সচিব (কাউন্সিলর ও ডিডিও) মুহাম্মদ মাকসুদ খান ও দ্বিতীয় সচিব অর্পণা রানী পালের সাথে মিলিত হন।

বিভিন্ন প্রদেশ থেকে আগত আবেদনকারীদের অবর্ণনীয় দূর্দশার কথা শুনেন। তবে সীমিত লোকবলে অনেক সময় এ পরিস্থিতিকে সামাল দেয়া কষ্টকর হয় বলে কর্মকর্তারা জানান।

পূর্বাহ্নে বাংলাদেশের হাই কমিশনার কামরুল আহসান স্পীকার নোয়েল কিনসেলার সাথে রাজধানী অটোয়ার পার্লামেন্ট হিল অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তার সাথে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর ইশরাত আহমেদ, কাউন্সিলর রাহাত জামান এবং প্রথম সচিব (বাণিজ্যিক) দেওয়ান মাহমুদ। এ সময় বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যকার দ্বি-পাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ফলপ্রসু আলোচনা হয় মর্মে ও দূতাবাস সূত্রে জানা যায়।

You Might Also Like