মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা কার স্বার্থে?

দুসপ্তাহ ধরে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে এক ধরনের উত্তেজনা বিরাজ করছে। গত ২৮ মে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিজিপির গুলিতে বিজিবির নায়েক সুবেদার মিজানুর রহমানের মৃত্যুর পর দুপক্ষের মাঝে গুলিবিনিময় বন্ধ হলেও গত ৩ জুন ওই সীমান্তে ফের গোলাগুলি হয়। এ পরিপ্রেক্ষিতে ৫ জুন মিয়ানমারের মংডুতে বিজিবি ও বিজিপির উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে সুবেদার মিজানের হত্যার ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করলেও পর দিন সীমান্তে আবারও গুলিবর্ষণ করেছে বিজিপি (যুগান্তর, ৭ জুন ২০১৪)। এ পরিস্থিতিতে যে প্রশ্নটি বড় হয়ে দেখা দিয়েছে তা হচ্ছে, হঠাৎ করে সীমান্তে উত্তেজনা বাড়ল কেন? কেনইবা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী কোনো ধরনের হুশিয়ারি ছাড়াই গুলি করে বিজিবির সদস্যকে হত্যা করল? এটা কি নিছক একটি দুর্ঘটনা নাকি ভুল বোঝাবুঝির ফল? প্রকৃতপক্ষে এটা ভুল বোঝাবুঝির ফল নয়। ভুল বোঝাবুঝি হলে দ্বিতীয়বার বিজিপি বাংলাদেশী সীমান্তরক্ষীদের ওপর গুলি করত না।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় দুদুবার মিয়ানমারের রাষ্ট্রদূতকে ডেকে এর প্রতিবাদ করেছে। কূটনৈতিক নিয়মে এটা ঠিক আছে। তবে এর পেছনে কী কারণ কাজ করছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। কেননা বাংলাদেশ যে পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করছে, তাতে এ প্রক্রিয়ায় মিয়ানমারের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক না থাকলে তা কোনো ফল বয়ে আনবে না। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার বিমসটেকের সদস্য এবং বাংলাদেশের উন্নয়নে মিয়ানমার একটা বড় অবদান রাখতে পারে। উপরন্তু বিসিআইএম নামে যে উপআঞ্চলিক জোটের ধারণা বাংলাদেশ প্রমোট করে, মিয়ানমার সে জোটে আছে। মিয়ানমারের পূর্ণ অংশগ্রহণ ছাড়া বাংলাদেশ তার পূর্বমুখী নীতিতে সফলতা পাবে না। তাই সীমান্তে যদি উত্তেজনা থাকে, তাহলে দুদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে টানাপোড়েন চলবে, যাতে প্রকারান্তরে বাংলাদেশেরই ক্ষতি। কুনমিং-কক্সবাজার সড়কের ব্যাপারে বাংলাদেশের আগ্রহ রয়েছে। দুদেশের মাঝে অবিশ্বাস থাকলে মিয়ানমার এই সড়কের ব্যাপারে তার সম্মতি দেবে না। প্রস্তাবিত বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সড়ক নির্মাণ শেষ হলে তা কুনমিংয়ের সঙ্গে এই সড়ককে সংযুক্ত করবে। ফলে কুনমিং থেকে সড়কপথে কক্সবাজারে আসা সম্ভব হবে। চীন সোনাদিয়ায় গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে আগ্রহ প্রকাশ করছে। প্রধানমন্ত্রীর বর্তমান চীন সফরে এ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে পারে। চীন এই গভীর সমুদ্রবন্দর ব্যবহার করবে। এ ক্ষেত্রে এ সড়কের গুরুত্ব অনেক বেশি। চীন আগামীতে এ পথেই তার পণ্য রফতানি করবে। এতে তাদের সময় অনেক বাঁচবে। চীনের ইউনান প্রদেশ এখন তার পণ্য রফতানি করে ৮০০ কিলোমিটার দূরে সাংহাই বন্দরের মাধ্যমে। যেহেতু মিয়ানমারের সম্মতি ছাড়া এ সড়ক নির্মাণ শেষ হবে না, সেহেতু দুদেশের মাঝে সম্পর্কের বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ।

আমি মিয়ানমারের সাম্প্রতিক অনলাইন সংবাদপত্রগুলো সার্চ করে দেখেছি এই সীমান্ত উত্তেজনা নিয়ে কোনো প্রতিবেদন পাওয়া যায় কি-না। কিন্তু তেমন কোনো প্রতিবেদন চোখে পড়েনি। তবে একটি সংবাদ একাধিক সংবাদপত্রে গুরুত্ব দিয়ে ছাপা হয়েছে- তা হচ্ছে মিয়ানমারের মানবাধিকার সংস্থাগুলো বিভিন্ন রোহিঙ্গা গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী তৎপরতাকে আগের চেয়ে বেশি হুমকি বলে মনে করছে। এসব তথাকথিত মানবাধিকার সংস্থা সরকারের নিয়ন্ত্রণেই কাজ করে। ফলে তাদের এই মূল্যায়ন কতটুকু গ্রহণযোগ্য, এ প্রশ্ন থাকবেই। সীমান্ত হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে দুটি বিষয় জড়িত রয়েছে বলে আমার ধারণা। এক. গত জানুয়ারি থেকে মিয়ানমারে গণশুমারি চলেছে। কারা কারা মিয়ানমারের নাগরিক এবং কাদের ভোটার হিসেবে নিবন্ধন করা হবে, সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। সে ক্ষেত্রে কক্সবাজারে হাজার হাজার বৈধ ও অবৈধ রোহিঙ্গা যাতে নিবন্ধনভুক্ত হতে না পারে, সেজন্য সীমান্তে উত্তেজনা জিইয়ে রেখে রোহিঙ্গাদের আরাকান রাজ্যে ফিরে আসার ব্যাপারে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হতে পারে। দুই. কিছু রোহিঙ্গা সংগঠনের উগ্র ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড। বিজিপির পক্ষ থেকে এর আগে রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশনের (আরএসও) কথা বলা হয়েছিল। এটা এখন সবাই জানে যে, প্রায় ৮ লাখ রোহিঙ্গা বর্তমানে আরাকান রাজ্যে বসবাস করে। তারা ধর্মীয়ভাবে মুসলমান। মিয়ানমার সরকার রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে না। গত ১০ জানুয়ারি থেকে ১০ মার্চ পর্যন্ত সেখানে গণশুমারি চলেছে। সেখানে রোহিঙ্গাদের বাঙালি হিসেবে চিহ্নিত করার অংশ হিসেবেই এই গণশুমারির আয়োজন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। তাই অনেক রোহিঙ্গা নাগরিক এই গণশুমারিতে অংশ নেয়নি। ফলে কার্যত এই গণশুমারি কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে, যদিও সময়সীমা জুন পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল।

রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের যে অভিযোগ উঠেছে, তা একেবারে ফেলে দেয়ার মতো নয়। ইতিহাস বলে, রোহিঙ্গারা নির্যাতনের শিকার হয়ে একসময় মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। ১৯৪৭ সালেই রোহিঙ্গা মুজাহিদিনরা আরাকান প্রদেশকে স্বাধীন করার জন্য হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিল। তাদের এই বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যক্রম অব্যাহত থাকে ১৯৬১ সাল পর্যন্ত। এরপর বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী মুজাহিদিনদের কোনো অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায় না। কিন্তু সাম্প্রতিককালে সিএনএনের প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের মাঝে আল কায়দার অনুপ্রবেশ এবং ১৯৯১ সালে কার্টিল লিন্টনারের এক প্রতিবেদনে রোহিঙ্গাদের জঙ্গি কানেকশনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও কখনও এটা প্রমাণিত হয়নি কিংবা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও বলা হয়নি যে, রোহিঙ্গাদের আল কায়দা কানেকশন আছে।
যারা মিয়ানমারের সাম্প্রতিক রাজনীতির কিছুটা খোঁজখবর রাখেন তারা জানেন, মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী দেশটাকে মূলত একটি বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। তারা অত্যন্ত সুকৌশলে মুসলমানদের উৎখাত করে সেখানে এক ধরনের বৌদ্ধরাজ কায়েম করতে চায়। ইতিহাস বলে, জেনারেল নে উইনের আমলে আরাকানে জাতিগত আন্দোলন দমনের জন্য ১৯৭৮ সালে নাগামিন ড্রাগন অপারেশন চালানো হয়েছিল। আরাকান ন্যাশনাল লিবারেশন পার্টির সঙ্গে রোহিঙ্গা মুসলমানদের সম্পৃক্ততার অভিযোগে নির্বিচারে হাজার হাজার রোহিঙ্গাকে হত্যা করা হয়।

নাগামিন ড্রাগন অপারেশনের ফলে প্রায় ২ লাখ রোহিঙ্গা মুসলমান উদ্বাস্তু হিসেবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছিল। উদ্বাস্তু সমস্যার দ্রুত সমাধানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তখন আন্তর্জাতিক হস্তক্ষেপ কামনা করে। ফলে ১৯৭৯ সালে দুদেশের মাঝে স্বাক্ষরিত একটি চুক্তির বিনিময়ে কিছু শরণার্থী (রোহিঙ্গা) নিজ দেশে ফিরে গিয়েছিল। কিন্তু নাগরিকত্ব আইনের মাধ্যমে ১৯৮৩ সালের পর মিয়ানমারে আগত রোহিঙ্গাদের ভাসমান নাগরিক হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ফলে মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের সম্পত্তি অর্জন, রাজনৈতিক অধিকার ও অবাধ চলাচল নিষিদ্ধ হয়ে যায়। এমনকি রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের অন্য প্রদেশে গিয়েও বসবাস করতে পারে না। উচ্চশিক্ষার কোনো সুযোগ তাদের নেই। দুই সন্তানের বেশি তারা গ্রহণ করতে পারে না। এমনকি তাদের বিয়েতেও এক ধরনের নিয়ন্ত্রণ আছে। আরাকান রাজ্যে অনেকটা ব্যারাক জীবনযাপন করতে হয় তাদের। রোহিঙ্গাদের ওপর আবার নির্যাতন শুরু হলে ১৯৯১ সালে রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু সংকটের সৃষ্টি হয়। পরিসংখ্যান বলছে, ১৯৯১ সালের ২৬ জুনের মধ্যে ২ লাখ ৫০ হাজার ৮৭৭ জন রোহিঙ্গা মুসলমান আরাকান থেকে বিতাড়িত হয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। বর্তমানে কক্সবাজারে ১৯টি শরণার্থী শিবিরে ও শিবিরের বাইরে আরও ২ লাখ ৫০ হাজার ৬৬১ জন রোহিঙ্গা উদ্বাস্তু হিসেবে আশ্রয় নিয়েছে। দুদেশের সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত এক চুক্তির ফলে ১৯৯২ সালের ১৫ মে থেকে ৬ মাসের মধ্যে মিয়ানমার সরকার শরণার্থীদের ফিরিয়ে নেয়ার কথা। কিন্তু সমস্যা একটিই- মিয়ানমার সরকার মাত্র ২২ হাজার শরণার্থীকে তাদের নাগরিক হিসেবে স্বীকার করে। বাকিদের স্বীকার করে না। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন সমস্যাটি দুদেশের সম্পর্কের মাঝে অন্যতম একটি সমস্যা হিসেবে রয়ে গেছে। জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থাও চাচ্ছে না রোহিঙ্গারা নিজ দেশে ফিরে যাক।

রোহিঙ্গাদের নিয়ে একটা আন্তর্জাতিক চক্র তৎপর। তারা রোহিঙ্গাদের আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসী হিসেবে তৈরি করছে। আফগান যুদ্ধে রোহিঙ্গারা তালেবানদের সঙ্গে যুদ্ধ করেছে- এমন খবরও পত্রপত্রিকায় ছাপা হয়েছে। বিভিন্ন জঙ্গি গোষ্ঠী তাদের টাকার বিনিময়ে রিক্রুট করছে- এমন অভিযোগও রয়েছে।

রোহিঙ্গা ইস্যুটি রাজনৈতিক এবং মিয়ানমার সরকারকেই এ সমস্যার সমাধান করতে হবে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এ সমস্যার অংশ হতে পারে না। রোহিঙ্গা সলিডারিটি অর্গানাইজেশন, আরাকান রোহিঙ্গা ইসলামিক ফ্রন্ট, আরাকান ন্যাশনাল অর্গানাইজেশন- এসব সংগঠন মিয়ানমারে বৈধ নয়। এরা ইসলামিক ভাবধারা ও জঙ্গিবাদী রাজনীতির অনুসারী। কোনো কোনো শক্তি এদের ব্যবহার করে বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে স্থায়ী উত্তেজনা বজায় রাখতে চায়। এদের যে কোনো তৎপরতা আমাদের নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ। আফগানিস্তানে তালেবানদের এভাবেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তৈরি করেছিল। বাস্তবতা হচ্ছে, সেই তালেবানরাই এখন মার্কিন সেনাদের বিরুদ্ধে লড়ছে। কক্সবাজারে অবস্থানরত হাজার হাজার রোহিঙ্গা, যারা অপরাধ জগতের সঙ্গে জড়িয়ে গেছে, তাদের ব্যাপারে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক শরণার্থী সংস্থার অবস্থান বাংলাদেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে। ক্যাম্পে যারা নিবন্ধিত, তাদের রেশন জোগায় এ সংস্থা। এই লোভে এবং নির্যাতনের শিকার হয়ে অনেকে এখনও আসছে এবং মালয়েশিয়াতে যাওয়ার জন্য (সমুদ্রপথে) বাংলাদেশকে ট্রানজিট হিসেবে ব্যবহার করছে।

রোহিঙ্গারা বাংলাদেশের জন্য একটা সমস্যা। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে এ সমস্যার দায় বহন করতে হবে। জাতিসংঘের মাধ্যমে চাপ দিতে হবে। বাংলাদেশ তার বন্ধু রাষ্ট্রগুলোকে এ কাজে ব্যবহার করতে পারে। এদের পৃথিবীর অন্যত্র পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করতে পারে জাতিসংঘ। যতদিন রোহিঙ্গারা কক্সবাজারে অবস্থান করবে, ততদিন আন্তর্জাতিক চক্র সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের জন্য এদের ব্যবহার করবে। অর্থ এখানে একটি বড় ফ্যাক্টর। চোরাই পথে এ অঞ্চলে অস্ত্র আসছে, যা বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্যও হুমকি। তাই সীমান্ত হত্যাকাণ্ড কিংবা রোহিঙ্গাদের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিষয়টি তলিয়ে দেখা প্রয়োজন। দুদেশ এক সঙ্গে অথবা আন্তর্জাতিক তদারকিতে এই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড তদন্ত করে দেখতে পারে। যেসব সংগঠনের নাম উচ্চারিত হয়েছে, তাদের বাংলাদেশে কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করা উচিত। মনে রাখতে হবে, মিয়ানমারের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে অগ্রাধিকার দিতে হবে প্রথমে। সীমান্ত হত্যা বন্ধে যৌথ টাস্কফোর্স গঠন করা যায়। বাংলাদেশ ও মিয়ানমার উভয় দেশের স্বার্থেই যে কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ হওয়া উচিত। তবে একই সঙ্গে রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব প্রদান এবং নির্যাতন বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে হবে।
পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের ইতিহাস ও এর পরিণতি আমাদের জানা আছে। আমরা চাই না বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্ত আরেকটি সন্ত্রাসী আশ্রয়স্থলে পরিণত হোক।

ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

You Might Also Like