সামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করছে তুরস্ক

সামরিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করে দিতে যাচ্ছে তুরস্ক। একই সঙ্গে দেশটির সেনাবাহিনীকে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। রোববার এ বিষয়ে সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান।

গত ১৫ জুলাই তুর্কি সেনাবাহিনীর একটি অংশ অভ্যুত্থানের চেষ্টা চালায়। তবে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান দ্রুত ইস্তাম্বুলে ফিরে এসে সেনাবাহিনীর অপর অংশ ও তার সমর্থকদের সহযোগিতায় এ অভ্যুত্থানচেষ্টা ব্যর্থ করে দেন। এর পর থেকেই সেনাবাহিনীর বিভিন্ন স্তরে সংস্কারের উদ্যোগ নেন তিনি। এর অংশ হিসেবে অভ্যুত্থানচেষ্টায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১ হাজার ৭০০ সেনা কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়।

শনিবার বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এ হাবেরকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান বলেন, ‘আমরা যে ডিক্রি জারি করতে যাচ্ছি এর মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে আরো বেশি শক্তিশালী করা হবে। সেনা স্কুলগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে। আমরা এর পরিবর্তে জাতীয় সামরিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করব।’

এ সময় তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি চাচ্ছেন, জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ও সেনাপ্রধান যেন সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে তারা যেন প্রধানমন্ত্রী নয়, বরং প্রেসিডেন্টের কাছেই তাদের প্রতিবেদন জমা দেন, সে ব্যবস্থাও করতে হবে। এর জন্য সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। তাই তিনি এ ক্ষেত্রে বিরোধী দলের সহযোগিতা কামনা করছেন।

তিনি জানান, সামরিক অভ্যুত্থানচেষ্টায় সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে সর্বমোট ১০ হাজার ১৩৭ জনকে এ পর্যন্ত গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

You Might Also Like