ওলেড’র জন্য এলজি’র ১.৭৫ বিলিয়ন ডলার

ফ্লেক্সিবল বা নমনীয় ওলেড ডিসপ্লে উৎপাদনের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার এলজি ডিসপ্লে ১.৭৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। প্রযুক্তিপণ্যে দিন দিন অর্গেনিক লাইট ইমিটিং ডায়োডের (ওলেড) চাহিদা বাড়ার বিষয়টি আমলে নিয়ে বড় অঙ্কের এই অর্থ বিনিয়োগ করেছে তারা।

বাজার পর্যবেক্ষকরা বলছে, প্রযুক্তিপণ্য প্রস্ত্ততকারক প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যায়ক্রমে নিজেদের স্মার্টফোন, ট্যাব এবং স্মার্টওয়াচের জন্য ওলেড ডিসপ্লের কথা ভাবছে। লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লের বদলে পুরো বিশ্ব এখন ওলেডের অপেক্ষায়। গত কয় বছরে এটি আদর্শ প্রযুক্তির তকমা পেয়েছে। এর বিশেষত্ব হলো সহেজ বাকানো, ভাজ করা যায়। আগামীতে স্মার্টফোনসহ বিভিন্ন পণ্যে ওলেড’র প্রচলন দেখা যাবে।

ওলেড’র জন্য না হলেও এলসিডি’র জন্য পৃথিবীর বৃহত্তম প্রস্ত্ততকারক এলজি।

অবিরত লড়াইয়ের মুখে যখন ঠিক সে সময় ওলেডে বড় অঙ্কের বিনিয়োগ তাদের। সবশেষ কোয়ার্টারে প্রচুর পরিমানে লেকাসান হয়েছে এবং বিক্রিও কমেছে প্রতিষ্ঠানটির।

নতুন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে মোবাইল ফোন নির্মাতাদের চাহিদা বৃদ্ধি পাশাপাশি ওলেডের অগ্রগতিশীল বাজারে সুবিধা ভোগের আশা করছে এলজি।

সাউথ কোরিয়ায় ছোট থেকে মাঝারি আকারের ফ্লেক্সিবল ওলেড পর্দার জন্য নতুন একটি প্রোডাকশন লাইনও তৈরি করেছে।

প্রত্যাশা ২০১৮ সালের মাঝামাঝি থেকে ব্যাপক পরিসরে ওলেডের উৎপাদন শুরুর এবং প্রতিমাসে ১৫ হাজার ইনপুট শিট তৈরির।

এক বিবেৃতিতে এলজি ডিসপ্লের প্রধান নির্বাহী বলেন, ওলেড’কে প্রসারিত করার এটি দৃষ্টান্তমূলক পদক্ষেপ। তবে ডিসপ্লে শিল্পে এর চ্যালেঞ্জ এবং সুযোগ দুটিই রয়েছে।

এদিকে বিশ্লেষকদের ধারণা পরবর্তী আইফোনে অ্যাপল ওলেড প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। কিন্তু অ্যাপল থেকে এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ওলেডের অবস্থান সম্পর্কে একটি গবেষণা সংস্থার প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২০ সালের মধ্যে বাজারের ক্ষমতাসম্পন্ন স্মার্টফোনে এলসিডি’র বদলে ওলেড থাকবে। যে সময় প্রায় ৩৬ শাতাংশ স্মার্টফোনে এটি থাকবে।

You Might Also Like