বিতর্কিত বৌদ্ধমন্দির থেকে সরানো হচ্ছে শতাধিক বাঘ

থাইল্যান্ডের একটি বিতর্কিত বৌদ্ধমন্দির থেকে শতাধিক বাঘ সরিয়ে নেয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ।
এসব বাঘ পাচার করা হতে পারে বলে বন্য প্রাণী সংরক্ষণ কর্মকর্তাদের আশংকা। তাই ১৩৭টি বাঘ নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নিতে শুরু করেছেন।
থাইল্যান্ডের কাঞ্চনাবুরি প্রদেশের বৌদ্ধমন্দিরটিতে থাকা ১৩৭টি বাঘের মধ্যে তিনটিকে সোমবার সরিয়ে নেয়া হয়েছে।
অবৈধভাবে বাঘ রাখার অভিযোগে বৌদ্ধমন্দিরের ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে
অজ্ঞান করে, খাঁচায় ভরে এসব বাঘ নিরাপদ আশ্রয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে
এক হাজারের বেশি কর্মকর্তা ও কর্মী মিলে বাকি বাঘগুলোকেও সরানোর কাজ করছেন। পুরো অপারেশনটি শেষ হতে এক সপ্তাহ লাগবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওয়াত ফা লুয়াং তা বুয়া টাইগার টেম্পল নামের এই মন্দিরে পর্যটকেরা অর্থের বিনিময়ে বাঘসহ অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখতে পারতেন, ছবিও তুলতে পারতেন, এমনকি সেগুলোকে খাবারও খেতে দিতে পারতেন। যদিও এসব কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা ছিল।

বাঘ সরানোর কর্মকাণ্ডে অংশ নিয়েছেন একহাজার ব্যক্তি

অজ্ঞান করার পর স্ট্রেচারে করে বাঘ নিয়ে যাওয়া হচ্ছে
কিন্তু কর্তৃপক্ষের আশংকা, এসব প্রাণী পাচার এবং অপব্যবহারের শিকার হতে পারে।
বাঘগুলো সরিয়ে নিতে মন্দির কর্তৃপক্ষের সহায়তা চেয়েছিল বন্য প্রাণী বিভাগ। কিন্তু মন্দিরের কর্তৃপক্ষ তাদের কোন সহায়তা করেননি। তাই আদালতের নির্দেশ নিয়ে তারা বাঘ সরানোর কাজ শুরু করেছেন।
বাঘগুলোকে সরকারি অভয়ারণ্যে ছেড়ে দেয়া হবে।

চেতনা নাশক ইনজেকশন দিয়ে বাঘ সরিয়ে নিচ্ছে থাইল্যান্ডের কর্তৃপক্ষ
বৌদ্ধমন্দিরের ভিক্ষুদের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে বাঘ রাখা এবং পশু পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
বাঘগুলোকে প্রথমে চেতনা নাশক ইনজেকশন দেয়া হয়। এরপর স্ট্রেচারে করে খাঁচায় ভরে সযত্নে নিয়ে যাওয়া হয়।
২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেও ওই বৌদ্ধমন্দিরে অভিযান চালিয়েছিল বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ কর্তৃপক্ষ। তখন সেখান থেকে শিয়াল, ভালুক ও ধনেশ পাখি সরিয়ে নেয়া হয়েছিল।সূত্র -বিবিসি বাংলা

You Might Also Like