শাশুড়িকে ‘শিক্ষা’ দিতে গণধর্ষণ

‘শিক্ষা’ দিতে দলবল নিয়ে শাশুড়িকে গণধর্ষণ করল জামাতা রিঙ্কু।

শাশুড়িকে ধর্ষণের অভিযোগ ছিল আগে থেকেই। তা নিয়ে করা মামলার সাক্ষ্যদানের দিনও ঠিক ছিল। কিন্তু তার আগেই দলবল নিয়ে বাড়িতে গিয়ে শাশুড়িকে ফের গণধর্ষণ করে। পরে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করার অভিযোগ উঠল জামাইয়ের বিরুদ্ধে।

ঘটনাটি ঘটেছে রোববার হাওড়ার চ্যাটার্জিহাটে। অভিযুক্ত রিঙ্কু তিওয়ারি ওই নারীর স্বামীর প্রথম পক্ষের মেয়েকে বিয়ে করেছেন।

পুলিশ সূত্রে খবর, নিগৃহীতার স্বামী পেশায় পরিবহন ব্যবসায়ী। তার প্রথম পক্ষের মেয়ে মামণির বিয়ে হয় তিলজলার বাসিন্দা রিঙ্কুর সঙ্গে। বাবার ব্যবসা সামলাচ্ছিলেন মেয়ে-জামাই।

ব্যবসায়ীর অভিযোগ, রিঙ্কু ২৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ করায় প্রতিবাদ করেন তার দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী।

‘শিক্ষা’ দিতে গত নভেম্বরে ওই মহিলাকে ধর্ষণ করে রিঙ্কু। ছবি তুলে ব্ল্যাকমেলও করে মামণি। ওই ব্যবসায়ীর অভিযোগে মামণি গ্রেফতার হয়ে কিছুদিন পরে ছাড়া পায়।

আগামী ২৪ জুন নিগৃহীতার সাক্ষ্য দেয়ার কথা ছিল। অভিযোগ, তার আগেই এদিন ওই ব্যবসায়ী বাড়ি না থাকার সুযোগে কয়েকজন আত্মীয়কে এনে রিঙ্কু তাকে গণধর্ষণ করে পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে।

শেষমেশ পালায়। ফের থানায় অভিযোগ হয়। হাওড়ার পুলিশ কমিশনার দেবেন্দ্রপ্রকাশ সিংহ বলেন, ‘অভিযুক্তকে কেন আগেরবার ধরা হয়নি, তা দেখা হচ্ছে। এ বারে গণধর্ষণের মামলা রুজু করে তল্লাশি চলছে।’

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

You Might Also Like