গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থার কোন বিকল্প নেই : সরোয়ার

আটলান্টিক সিটি থেকে আকবর হোসাইন : গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সবাইকেএগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নিউ ইয়র্ক সফররত সাবেক হুইপ ও মেয়র মজিবর রহমান সরোয়ার বলেছেন গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে নিরপেক্ষ নির্বাচনের কোন বিকল্প নেই।
গত ১৮ মে সোমবার আটলান্টিক সিটির গরমেট রেষ্টুরেন্টের পার্টি হলে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের যুগ্ম-মহাসচিব, সাবেক মেয়র, হুইপ ও সাবেক সংসদ সদস্য এ্যাডভোকেট মোঃ মজিবর রহমান সরোয়ার- এর যুক্তরাষ্ট্র আগমন উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সী (সাউথ) এর পক্ষ থেকে এক বিশাল গণ সংবর্ধনা দেওয়া হয়। উক্ত সংবর্ধনা সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি অব নিউজার্সী (সাউথ) এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান চুন্নু এবং সঞ্চালনায় ছিলেন সাধারণ সম্পাদক রহমান বাবুল।অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন আবুল মনসুর, সোলায়মান সেরনিয়াবাদ, প্যানসেলভানিয়া ষ্টেট বিএনপির সভাপতি শাহ ফরিদ, মোঃ আলী, সাখাওয়াত হোসেন, নাসির উদ্দিন শিকদার এবং মোঃ আইয়ুবসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বলেন- বর্তমান আওয়ামী
Sarwar_2
সরকার জর্জ ডব্লিউ বুশের নীতি অনুসরন করছে, তিনি যেরকম তার সমর্থক না হলেই শত্রূ মনে করতেন ঠিক তেমনি আওয়ামীলীগ সমর্থক না হলেই তার উপর নির্যাতনই সরকারের নীতি । আজ বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গণতন্ত্র না মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী গণতন্ত্র তা সকলের প্রশ্ন।মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলন্ঠিত, একদলীয় শাসন ব্যবস্থাই চলছে বাংলাদেশে।তিনি আরো বলেন, গণতন্ত্রই স্বাধীনতার রক্ষাকবচ। বর্তমানে সংবিধানের সংশোধনের মাধ্যমে গণতন্ত্রকে অবরুদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামীলীগের নিজেদের মধ্যেই রয়েছে রাজাকার।নিজের দলের রাজাকারদের বিচার না করে বিরোধী দলের নেতাদের উপর রাজনৈতিক হত্যাকান্ড এবং নির্যাতন নিত্যদিনের ব্যাপার হয়ে দাড়িয়েছে।তিনি বলেন রাজনৈতিক হত্যাকান্ড এবং নির্যাতনের মাধ্যমে বিশৃংখলা সৃষ্টি করা সম্ভব কিন্তু শান্তি ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়।বর্তমান সরকার আইয়ুব খানের নির্বাচন এবং শাসন ব্যবস্থাকে হার মানিয়েছে । যে দেশে নির্বাচিত সংসদ সদস্য নেই সেখানে জবাবদিহিতার আশা সম্পূর্ন অমূলক। কোন কোন প্রজেক্টে দূর্নীতি করা সম্ভব তা নিশ্চিত করেই প্রকল্প হাতে নেয়া সরকার।হলমার্ক, ডেসটিনির দূর্নীতির সাথে সম্পৃক্তদের যেমনি বিচার হয়নি ঠিক তেমনি বিদেশীদের পাঠানো রেমিটেন্সের চোরদের ও কখনও বিচার হবেনা । আসলাম চৌধুরীর বিচারের নামে তাকে নির্যাতন করাই সরকারের মূল উদ্দেশ্য। জনগণের ক্ষুব্দ প্রতিক্রিয়ায় খুব শ্রীঘ্রই বৃহত্তর আন্দোলনের সূচনা করবে বলে তিনি জানান। গণতন্ত্র পূণরুদ্ধার করতে নিরপেক্ষ সরকারের অধিনে নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সবাইকে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান।খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সকল জাতীয়তাবাদী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে সকলের প্রতি আহবান জানান। সুষ্ঠু গণতান্ত্রিক অবস্থা না হলে অর্থনীতি স্থিতিশীল হবে না এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ভূলন্ঠিত হবে। সুশাসন, ন্যায় বিচার, আইনের শাসন রক্ষার মূলমন্ত্র বিষয় হচ্ছে গণতন্ত্র। স্বাধীনতা রক্ষায় দেশ বাঁচানোর জন্য গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
পরিশেষে সভাপতি মাহবুবুর রহমান চুন্নু সকলকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করে সবাইকে নৈশ্যভোজে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানিয়ে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করেন।

You Might Also Like