নাটক ও সিনেমাতে ব্যস্ত রিমু

১৯৮৪ সালে আকতারুজ্জামান পরিচালিত ‘প্রিন্সেস টিনা খান’ ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিক টিনা খান। এই ছবিতে অভিনয় করে তিনি ১৯৮৫ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেছিলেন। এরপর একাধারে তিনি ‘রজনীগন্ধা’, ‘মৌ চোর’, ‘আয়না বিবির পালা’, ‘ লাগাম’, ‘দুই জীবন’, ‘এরই নাম প্রেম’ ‘একাই একশো’ ছবিসহ আরো বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন। কিন্তু নিয়তির নিমর্ম পরিহাসে ১৯৮৯ সালে জনপ্রিয় এই নায়িকা বগুড়া থেকে ফেরার পথে নগরবাড়িতে এক সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান। সেই একই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যান মেধাবী পরিচালক আলমগীর কবিরও। আলোচিত সেই নায়িকা টিনা খানের যোগ্য উত্তরসূরী বর্তমান সময়ের অভিনেত্রী রিমু খন্দাকার রোজা। সবাই তাকে রিমু নামেই চিনেন। নাটকে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি চলচ্চিত্রেও অভিনয় করছেন। টিনা খান যখন মারা যান তখন রিমুর বয়স মাত্র সাড়ে তিন। মা মারা যাবার পর ‘ভারতেশ্বরী হোমস’-এ তিনি বেড়ে উঠেছেন বড় হয়ে উঠেছেন। এখন রিমু পুরোদস্তুর অভিনেত্রী। অভিনয়ে রিমুর অভিষেক ঘটে ফেরদৌস হাসান রানার পরিচালনায় ‘পৃথিবীর সব রূপ মেখে আছে ঘাসে’ নাটকে অভিনয়ের মধ্যদিয়ে। এরপর থেকে এখন পর্যন্ত অসংখ্য নাটকে রিমু অভিনয় করেছেন। এই মুহুর্তে ধারাবাহিক নাটক ‘আগুন খেলা’, ‘যৈবতী কন্যার মন’, ‘মুশকিল আসান জাহিদ হাসান’, ‘পলাশপুরের নোলক’, ‘ভৈরব’ ধারাবাহিক নাটকসহ আরো বেশকিছু নাটকে। এর আগে ইমদাদুল হক মিলনের লেখা খন্ড নাটকে অভিনয় করলেও এবারই প্রথম রিমু ইমদাদুল হক মিলনের লেখা ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন ‘পলাশপুরের নোলক’ নাটকে। হুমায়ুন আহমেদের দুটি নাটকে কাজ করার সৌভাগ্য হয়েছে রিমুর। নাটক দুটি হচ্ছে ‘নূরুদ্দিন স্বর্ণপদক’ ও ‘নাট্যমঙ্গলের কথা শুনে পূণ্যবান’। চলচ্চিত্রে রিমু প্রথম অভিনয় করেন একিউ খোকনের ‘গুরু ভাই’ ছবিতে। এরপর তিনি জাকির হোসেন রাজুর ‘ভালোবাসলেই ঘর বাধা যায়না’ ‘পোড়ামন’, তানভীর মোকাম্মেলের ‘জীবন ঢুলী’সহ আরো বেশ কিছু ছবিতে অভিনয় করেন। মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার অভিনীত শাহাদাত হোসেন লিটন পরিচালিত ‘লাভ এক্সপ্রেস’ ও নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল পরিচালিত ‘এক কাপ চা’।

ছবি : আরিফ আহমেদ

You Might Also Like