পাঁচ চিকিৎসকসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুদক

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই ভুয়া অনুমোদনপত্রে নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দাম দেখিয়ে ওষুধ ও চিকিৎসা সামগ্রী কেনার মাধ্যমে প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে ফেঁসে যাচ্ছেন পাঁচ চিকিৎসকসহ ১১ জন। সরকারি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে দুটি মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

গতকাল সোমবার কমিশন মামলা দুটির অনুমোদন দেয় বলে দুদক সূত্র জানিয়েছে। দুদকের সহকারী পরিচালক মো.আমিরুল বাদী হয়ে শিগগিরই বরিশালের কোতোয়ালি থানায় ওই দুই মামলা করবেন।

দুদক সূত্র জানায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অনুমোদন ছাড়াই নয়টি বিলের ভুয়া অনুমোদনপত্র তৈরি করেন। পরে সরকারি মালিকানাধীন ওষুধ কোম্পানি এসেনশিয়াল ড্রাগস কোম্পানি লিমিটেডের (ইডিসিএল) নির্ধারিত দর উপেক্ষা করে বেশি দামে ৫৭টি আইটেমের ওষুধ সামগ্রী বাইরে কেনা হয়।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান মেসার্স মাদারীপুর মেডিসিন সাপ্লায়ার্স এসব ওষুধ ও ওষুধ সামগ্রী সরবরাহ করেন। ওই নয়টি ভুয়া বিলের বিপরীতে ৮৭ লাখ ৬৫ হাজার ৫৯২ টাকা উত্তোলনে সহযোগিতা করেন বরিশাল ডিভিশনাল কন্ট্রোলার অব অ্যাকাউন্টস কার্যালয়ের অভিযুক্ত কর্মকর্তারা।

একইভাবে সিভিল সার্জন মো. খায়রুল অন্যদের সহায়তায় নির্ধারিত দরের চেয়ে বেশি দামে ২৫টি ব্লাড প্রেশার মেশিন ও ওষুধ কেনা বাবদ ১১ লাখ ১১ হাজার ৩৫১ টাকা তুলে আত্মসাৎ করেন।

এসব সামগ্রী সরবরাহ করেন ঠিকাদার মো. আমিনুর রহমান চৌধুরী।

এভাবে সরকারের মোট ৯৮ লাখ ৭৬ হাজার ৯৪৩ টাকা ক্ষতি সাধন করায় দণ্ডবিধির ৪০৯/১০৯ এবং ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ৫(২) ধারায় দুটি মামলার অনুমোদন দেওয়া হয়।

You Might Also Like