জাতিসঙ্ঘের সদর দফতরের সামনে স্থাপিত হচ্ছে শহীদ মিনার

পুরো ফেব্রুয়ারি মাস জুড়ে নিউইয়র্কস্থ জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরের সামনে ভাষা শহীদদের স্মরণে শহীদ মিনার নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে নিউইয়ক সিটি মেয়রের অফিস। জাতিসঙ্ঘ সদর দফতর সংলগ্ন ১ম এভিনিউ ও ৪৭ স্ট্রীটের কর্ণারে এটি স্থাপনের অনুমতি দিয়েছে নিউইয়র্ক সিটি।

শহীদ মিনারের স্থান নির্ধারণে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় মেয়র অফিসের কর্মকর্তা জেনিফার লেন্টাস আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্থান নির্ধারণ করে দেন। স্থান নির্ধারনের এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের কর্ণধার বিশ্বজিৎ সাহা, সিনিয়র সাংবাদিক নিনি ওয়াহেদ, ওবায়দুল্লাহ মামুন, আব্দুর রহিম বাদশা, ও নাজিম আহমেদ।

ভাস্কর্যটি স্থাপনের আয়োজক মুক্তধারা ফাউন্ডেশন ও বাঙালির চেতনা মঞ্চ। ভাস্কর্যটির নকশা তৈরি করেছেন অলিম্পিক গোল্ড মেডেল প্রাপ্ত শিল্পী খুরশীদ সেলিম। আর ভাস্কর্যটি নির্মাণ করছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিল্পী মৃণাল হক।

এবিষয়ে জানতে চাইলে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা বিশ্বজিৎ সাহা এ প্রতিবেদককে জানান, ২০১৫ সালের শুরুতে মুক্তধারা ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে মাসব্যাপী একুশের ভাস্কর্য স্থাপনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সিটি অফ নিউইয়র্ক পার্ক এন্ড রিক্রিয়েশন ডিপার্টমেন্ট চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে এক চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে মাসব্যাপী এই ভাস্কর্য স্থাপনের বিষয়টি চূড়ান্ত করে।

তিনি আরো জানান, সিটি নির্ধারিত স্থানেই ১ ফেব্রুয়ারি দুপুর ৩টায় জাতিসঙ্ঘ সদর দফতরের সামনে ভাস্কর্যটি উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী। এছাড়াও আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে ওয়াশিংটস্থ বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ জিয়াউদ্দীন, জাতিসঙ্ঘের স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন, কনসাল জেনারেল শামীম আহসানসহ আমেরিকার মূলধারার রাজনীতিবিদ, ইউনেস্কো, জাতিসঙ্ঘ এবং ইউএনডিপির কর্মকর্তা ও প্রতিনিধিদের। সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি চলবে। থাকবে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠানটির টাইটেল স্পন্সর হিসেবে থাকছে বাংলাদেশের ডাচ বাংলা ব্যাংক। ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ভাস্কর্যটি উন্মুক্ত থাকবে সর্বসাধারণের জন্য।-নয়া দিগন্ত

You Might Also Like