জাতীয় ঐক্যই স্বাধীনতা সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ


ড. মাহবুব উল্লাহ

বাংলাদেশে ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা’ কথাটি কার্যত রাজনৈতিক বুলিতে পরিণত হয়েছে। অথচ এই চেতনার তাৎপর্য অনেক গভীর। এটা নিছক অন্তঃসারশূন্য বুলি হতে পারে না। কিংবা রাজনীতিতে দ্বিমত পোষণকারীদের বিরুদ্ধে ব্যবহৃত একটি রাজনৈতিক হাতিয়ারও হতে পারে না। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল, বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ রক্ষা করা, বাংলাদেশের স্বাধীন ও সার্বভৌম অস্তিত্ব নিশ্চিত করা এবং বিশ্বের জাতিগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত রাখা। মনে রাখতে হবে, ১৯৭১ সালে এদেশের কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষ, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্তসহ সব শ্রেণীর মানুষ অস্ত্র হাতে জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করেছিল অন্য কোনো রাষ্ট্র বা দেশের তাঁবেদারি করার জন্য নয় এবং কারও প্রতি নতজানু থাকার জন্য নয়। এ প্রসঙ্গে আমাদের স্বাধীন অস্তিত্ব নিরূপণের কষ্টিপাথরটি হল ভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে জাতীয় স্বার্থকে কতটা যত্নশীলতার সঙ্গে আমরা সংরক্ষণ করছি? মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অন্য দিকগুলো হল, মানবিক মর্যাদা রক্ষায় আমরা কতটা মনোযোগী, মানুষে মানুষে অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বৈষম্য নিরসনে আমরা কতটা আন্তরিক। তবে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সমুন্নত রাখতে না পারলে অন্য বিষয়গুলো অনেকটাই মূল্যহীন হয়ে পড়ে। ইংল্যান্ডের একসময়কার প্রধানমন্ত্রী লর্ড পামারস্টোন বলেছিলেন, জাতিগুলোর কোনো চিরন্তন বন্ধু নেই, যা আছে তা হল চিরন্তন স্বার্থ। এই স্বার্থের নিরিখেই একটি দেশ তার বন্ধু বা মিত্র বিবেচনা করে এবং এ কারণেই অন্য কোনো দেশ হয়ে উঠতে পারে অ-বন্ধু কিংবা শত্রু।
একটি রাষ্ট্র যখন স্বাধীনভাবে দাঁড়ায় তখন সে অন্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে তার সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। এ বিচারে প্রত্যেকটি রাষ্ট্র অন্য রাষ্ট্রগুলোর সঙ্গে পৃথক সত্তা নিয়ে দাঁড়ায়। এমনকি যদি কোনো রাষ্ট্র অপর একটি রাষ্ট্রের সঙ্গে মৈত্রী চুক্তির বন্ধনে জড়ায় তাহলেও সে রাষ্ট্রকে প্রতি মুহূর্তে মিত্র রাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির ধারা ও এর ব্যাখ্যা নিয়ে দ্বন্দ্বে লিপ্ত হতে হয়। এটুকু না করলে স্বাধীনতা অর্থহীন হয়ে পড়ে।

দক্ষিণ এশিয়ার দুটি দেশ শ্রীলংকা ও নেপাল সাম্প্রতিককালে তাদের সার্বভৌম সত্তা বজায় রাখার জন্য কী অবস্থান নিয়েছে তা বাংলাদেশের জন্য খুবই প্রণিধানযোগ্য, যদিও বাংলাদেশ জনসংখ্যাসহ প্রায় সব দিক থেকেই এ দুটি দেশের চেয়ে বড়।
শ্রীলংকায় সর্বশেষ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লৌহমানব বলে পরিচিত রাজাপাকসে তারই দলের একসময়ের গুরুত্বপূর্ণ সদস্য সিরিসেনার সঙ্গে পরাজিত হন। সিরিসেনা রাজাপাকসের অধীনে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন। রাজাপাকসের আমলে শ্রীলংকায় চীনের প্রভাব বৃদ্ধি পায়। তার কারণও ছিল। চীন তামিল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে গৃহযুদ্ধে শ্রীলংকার কেন্দ্রীয় সরকারকে মূল্যবান সমর্থন জোগায়। চীনের এই সহযোগিতা অন্যান্য ক্ষেত্রেও সম্প্রসারিত হয়। চীন হাম্বান টোটায় একটি গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণে শ্রীলংকার প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয়। শ্রীলংকার নিকটতম প্রতিবেশী ভারত এতে খুব বিচলিত বোধ করে। বলা যায়, রুষ্ট হয়। ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’ কলকাঠি নাড়তে শুরু করে রাজাপাকসেকে নির্বাচনে পরাস্ত করার জন্য। ‘র’ রাজাপাকসের প্রতি অসন্তুষ্ট বিভিন্ন গোষ্ঠীকে জড়ো করতে সক্ষম হয়। রাজাপাকসে তামিল বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত যুদ্ধে জয়ী হলে তার আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং জাত্যাভিমান থেকে নিঃসৃত অহংবোধ রাজাপাকসেকে প্রায় ঈশ্বরতুল্য করে তোলে। তিনি স্বজনপ্রীতিতেও জড়িয়ে পড়েন। এসব কারণে তার জনপ্রিয়তায় কিছুটা ভাটা পড়ে। এসব সত্ত্বেও নির্বাচনে তার পরাজয় হবে এমনটি ভাবা যায়নি। নির্বাচনে রাজাপাকসে ব্যক্তিগতভাবে জয়লাভ করলেও তার দল পরাজিত হয়। রাজাপাকসে যখন টের পেলেন ‘র’ তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র পাকাচ্ছে ততক্ষণে পানি অনেক দূর গড়িয়ে গেছে। তার আর কিছুই করার ছিল না। নতুন প্রেসিডেন্ট সিরিসেনার সরকার চীনের সঙ্গে মাখামাখি একেবারেই কমিয়ে দিল। গভীর সমুদ্রবন্দর নির্মাণের প্রকল্পটি স্থগিত হয়ে গেল। চীনের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েন দেখা দিল। অন্যদিকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক নিবিড় হতে থাকল।
সম্প্রতি শ্রীলংকা ভারতের উদ্যোগে প্রণীত ভারত ও শ্রীলংকাকে সংযুক্ত করার জন্য পক্ প্রণালীর ওপর দিকে সেতু নির্মাণের প্রকল্প থেকে সরে এসেছে। সরকারটি মনের দিক থেকে ভারতঘেঁষা হওয়া সত্ত্বেও এবং ভারতের কলকাঠি নাড়ার মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় আসা সত্ত্বেও বলা যায় এক রকম বাধ্য হয়েই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কারণ শ্রীলংকার জাতীয়তাবাদীরা এই সেতু নির্মাণের বিরুদ্ধে। তারা মনে করে, এই সেতু নির্মিত হলে বানের জলের মতো ভারতীয়রা শ্রীলংকায় প্রবেশ করবে এবং শ্রীলংকার ওপর কর্তৃত্ব করবে। ভারত ও শ্রীলংকা উভয়ই এই সেতু নির্মাণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছিল। হঠাৎ করে শ্রীলংকা সরকারের ‘অ্যাবাউট টার্ন’ দিল্লিকে বিস্মিত করে। এক সপ্তাহেরও কিছু বেশি সময় আগে ভারতের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক সংক্রান্ত মন্ত্রী নিতিন গাডকারী ভারতীয় পার্লামেন্টে বলেছিলেন, সেতুটির নির্মাণ কাজ সহসাই এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের সহায়তায় হতে যাচ্ছে। তিনি জানান, এই সেতু নির্মাণে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক পুরো ব্যয়ের ৫.১৯ বিলিয়ন ডলারই সহায়তা হিসেবে দেবে। ঠিক এর দু’দিন পর শ্রীলংকার মহাসড়ক বিষয়কমন্ত্রী লক্সমন কিরিয়েলা অস্বীকার করে বসলেন, শ্রীলংকান সরকার এ ব্যাপারে জড়িত নয়। এর ফলে গাডকারী বিস্মিত হন এবং ভারত সরকার অস্বস্তিতে পড়ে। অথচ শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রম সিংহে ২০০২ সালে ভারতের কাছে সড়কের পরিকল্পনা পেশ করেছিলেন। এই প্রকল্পের ফলে ২৩ কিলোমিটার দীর্ঘ সেতু তামিলনাড়ুর ধানুসকড়ির সঙ্গে শ্রীলংকার তালাইমানারকে সংযুক্ত করত। বলা হয়েছিল- এই সেতু দু’দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ এবং দু’দেশের মধ্যে ব্যবসা-বাণিজ্য বৃদ্ধি করবে।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসকরা এমন একটি সংযোগ সড়কের কথা ভেবেছিল, কিন্তু কখনোই বাস্তবায়ন করেনি। শ্রীলংকার প্রধানমন্ত্রী রণিল বিক্রম সিংহে দিল্লি সফরের সময় ২০০৯ সালে আবারও একই প্রস্তাব তুলে ধরেন। ভারত তখন এ ব্যাপারে খুব আগ্রহ দেখায়নি। ভারতের প্রস্তাব ছিল পক্ প্রণালীর অগভীর অংশগুলো জাহাজ চলাচলের জন্য উপযোগী করতে ড্রেজিং করা। এর ফলে ভারতীয় অভ্যন্তরীণ জাহাজগুলো শ্রীলংকা যেতে ৪০০ নটিক্যাল মাইল জলপথ সংকুচিত করতে পারত। কিন্তু ভারত নিজে থেকেই এ প্রস্তাবটি প্রত্যাহার করে। কারণ এর ফলে রামের সেতুর চিহ্ন বিলীন হয়ে যাবে। কারণ হিন্দুরা বিশ্বাস করে ভগবান রাম সীতাকে রাবনের কাছ থেকে উদ্ধার করতে যে সেতু নির্মাণ করেছিলেন এবং যার অবশেষগুলো অগভীর পানির নিচে ছোট ছোট কোরাল দ্বীপ হিসেবে বিরাজ করছে, সেগুলো ড্রেজিংয়ের ফলে বিলীন হয়ে যাবে। সুতরাং ধর্মীয় অনুভূতির বিবেচনায় ড্রেজিং প্রকল্পটি গ্রহণযোগ্য নয়। ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেতু প্রকল্পের ব্যাপারে আগ্রহ দেখাতে শুরু করেন। গত বছরের সেপ্টেম্বরে শ্রীলংকান প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সময় বিষয়টি নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনাও হয়। কিন্তু শ্রীলংকার জাতীয়তাবাদীরা এই প্রকল্পের বিরুদ্ধে তীব্র সোচ্চার হলে শ্রীলংকার বর্তমান সরকার প্রকল্পটির সঙ্গে কোনো যোগাযোগের বিষয় অস্বীকার করে।
শ্রীলংকা ও ভারতের মধ্যে সেতু যোগাযোগটি হলে দু’দেশের কার কত ভালো কি মন্দ হতো সেই হিসাব-নিকাশ নিয়ে আমরা চুল ছিঁড়তে পারি। অন্যরা কে কী ভাবল সেটা বড় কথা নয়। একটি দেশের বেশিরভাগ মানুষ কী ভাবে, কী দৃষ্টিতে একটি বিষয়কে বিবেচনা করে সেটাই বড় কথা। শ্রীলংকার জনগণ ভারত থেকে আসা লোকের জোয়ারে ডুবে মরার আশংকা করেছে বলেই তারা এর তীব্র বিরোধিতা করেছে। জনমতের চাপের কাছে ভারতবান্ধব সরকারও নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়েছে। নেপালে মাধেসীদের নিয়ে সম্প্রতি নেপালের যে অভিজ্ঞতা হয়েছে সেই অভিজ্ঞতাও শ্রীলংকার জাতীয়তাবাদী দেশপ্রেমিক জনগণের অবস্থান নির্ণয়ে সাহায্য করেছে।
ভারতের সঙ্গে সেতু যোগাযোগের প্রকল্পটির যখন এই অবস্থা তখন শ্রীলংকার অর্থমন্ত্রী রবি করুন নায়েক সম্প্রতি বলেছেন, ‘আমরা বন্দরনগরী প্রকল্পে প্রয়োজনীয় সব ছাড়পত্র দিয়েছি। এখন বিনিয়োগকারীরা খুঁটিনাটি দিকগুলো পরিষ্কার করবে।’ এই সংক্রান্ত সংবাদ হংকং থেকে প্রকাশিত প্রভাবশালী দৈনিক ‘সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট’-এ প্রকাশিত হয়েছে। বিনিয়োগকারী চীনা কোম্পানির কর্মকর্তারা বলেছেন, আগামী ফেব্র“য়ারিতেই খুঁটিনাটি দিকগুলো পরীক্ষার পর বন্দরনগরী নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এর আগে রাজাপাকসের আমলে চীনা সাবমেরিন পানি ও খাবার-দাবারের জন্য শ্রীলংকার বন্দরে এসেছিল। এতে ভারত খুবই অসন্তুষ্ট হয়। তারাই পরিণতিতে নির্বাচনকে ঘিরে ‘র’-এর কলকাঠি নাড়া। কিন্তু ঘড়ির কাঁটাটি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে এসেছে। সব দিক বিবেচনা করেই হয়তো সিরিসেনার সরকার চীনের সঙ্গে পুরনো সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার পথে এগোচ্ছে। একটি দেশের সরকার তার জনগণকে ক্ষেপিয়ে তুলে পররাষ্ট্রনীতি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত যে নিতে পারে না সেটি শ্রীলংকা কাহিনীতে স্পষ্ট হল। দক্ষিণ এশিয়ার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দেশের বৃহৎ প্রতিবেশী ভারত এসব দেশের জনগণের মনে আস্থা সৃষ্টি করতে পারেনি সেটা আবারও প্রমাণিত হল।
নেপালে ভারতের অবরোধ শিথিলের কোনো সম্ভাবনা না দেখে নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী কমল থাপা গত ২৩-২৮ ডিসেম্বর চীন সফর করেছেন। চীন বলেছে, নেপালের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং ভূখণ্ডগত সংহতি রক্ষায় চীন নেপালের পাশে দাঁড়াবে। এই আশ্বাস দিয়েছেন চীনের ভাইস প্রেসিডেন্ট লি ইউওয়ান চাও। চীন নেপালের সঙ্গে পারস্পরিক যোগাযোগ, জ্বালানি উৎপাদন ক্ষমতা, দুর্যোগ-উত্তর পুনর্গঠন, পর্যটন এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে পারস্পরিক সুবিধা ও উভয়পক্ষের জন্য বিজয় সূচক ফলাফলের ভিত্তিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই এবং নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী থাপা ৭টি বিষয়ে একমত হয়ে একটি সমঝোতায় পৌঁছেছেন। এগুলো হল :
১. চীনের সঙ্গে সীমান্তে ট্রানজিট বাণিজ্যের জন্য আরও পয়েন্ট খোলা; ২. চীন থেকে পেট্রোলিয়াম রফতানির জন্য একটি স্থায়ী ব্যবস্থা। ৩. চীনের বন্দর ব্যবহারের একটি ট্রানজিট চুক্তি। ৪. বাণিজ্য বৃদ্ধি। ৫. দুর্যোগ-উত্তর পুনর্গঠন শুরু করা এবং এর জন্য নেপালের গৃহীত প্রকল্পে চীনের ৫০০ মিলিয়ন ডলার সাহায্য। ৬. মহাসড়ক মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য ১৪০ মিলিয়ন ডলার চীনা অনুদান এবং ৭. নেপালে চীনা পর্যটকদের জন্য ভিসা তুলে দেয়া।
বোঝাই যাচ্ছে নেপালের গণতন্ত্র নির্মাণের পথে ভারতের খবরদারি বুমেরাং হয়ে গেছে। নেপাল প্রমাণ করেছে দুঃসময়ে সে বন্ধু খুঁজে নিতে পারে। নেপালের রাজনৈতিক দল এবং জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে, ভারতের রক্তচক্ষুকে অগ্রাহ্য করতে পেরেছে। শেষ বিচারে জনগণের ঐক্যই একটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্বের রক্ষাকবচ।
ড. মাহবুব উল্লাহ : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক

You Might Also Like