তৃণমূলের জনগণই ভাঙবে ‘অচলায়তন’

মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম

সমাজব্যবস্থার বিবর্তনের ধারার ক্ষেত্রে বাংলাদেশে এখন বলতে গেলে এক অন্তহীন ‘অচলায়তনের’ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অনেকে অবশ্য ‘অচলায়তনের’ অস্তিত্বকে অস্বীকার করেন। কিন্তু যারা মনে করেন যে, সাধারণ মানুষের জীবনে ‘উন্নয়নের’ ছিটেফোঁটা এসে পৌঁছানো সত্ত্বেও, সামগ্রিক ও ঐতিহাসিক বিবেচনায় দেশ বর্তমানে একধরনের ‘ইতিহাসের ফাঁদে’ আটকা পড়ে আছে, তাদের কাছে এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনার বিষয় হলো—কিভাবে ও কার হাত দিয়ে এই ‘অচলায়তন’ ছিন্ন করা যাবে।

গত চার দশক ধরে যেভাবে দেশ পরিচালিত হচ্ছে তাতে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশবাসী হতাশ। তারা ক্ষুব্ধ, আশাহত, দিকহারা। তারা দেখছে, দেশে কতো সরকার এলো গেল, কিন্তু তাদের জীবন-জীবিকার দুর্যোগ-দুর্ভোগের শেষ হলো না। এমনকি সে অবস্থার তেমন লাঘবও ঘটলো না। অবস্থার যত্সামান্য এদিক-ওদিক যে হচ্ছে না তেমনটি অবশ্য পুরোপুরি সত্য নয়। কোনো সময় একদিকের দুর্ভোগ কিছুটা কমলেও দুর্যোগ বেড়ে উঠছে অন্যদিকে। এক নিরূপায় শ্বাসরুদ্ধকর আবর্তের বেড়াজালে সবাই আটকা পড়ে আছে। পরিস্থিতির হাতে বন্দী হয়ে থাকার অনুভূতি সাধারণ মানুষকে বছর-বছর ধরে গ্রাস করে আছে। এই অবস্থাকে অনেকেই ‘পোড়া কপাল’ বলে মেনে নিয়ে কঠোর জীবন সংগ্রামে পরিপূর্ণ নিমগ্ন হয়ে আছে। সবকিছু মিলে, দেশ এখন অনেকটাই একধরনের ‘অচলায়তনে’ বন্দী।

‘উন্নয়নের’ যে মডেল ধরে গত চার দশককাল এদেশ পরিচালিত হচ্ছে তাতে অল্প কিছু মানুষ কল্পনাতীত পরিমাণে সম্পদশালী হয়ে উঠেছে। বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের কাছে শুধুমাত্র তার ছিটেফোঁটা এসে পৌঁছাতে পেরেছে। ফলে বৈষম্য বেড়েছে। শাসক শ্রেণি ও তার পক্ষের পণ্ডিতরা তত্ত্ব দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছেন যে ‘উন্নয়নের’ স্বার্থেই কিছু লোকের হাতে সম্পদের পাহাড় জমতে দেয়া উচিত। চুরি-বাটপারি-দুর্নীতি-লুটপাট যে পন্থায়ই তা করা হোক না কেন, তাতে বৈষম্য যতোই বৃদ্ধি পাক না কেন, ‘উন্নয়নের’ স্বার্থে তা করতে দিতে হবে। তাদের মতে এসব নাকি হলো ‘উন্নয়নের’ প্রসব বেদনা। এই বেদনা সহ্য করতে হবে। কিছু ব্যক্তির হাতে কেন্দ্রীভূত এই সম্পদ নাকি একসময় ‘চুইয়ে পড়ে’ স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিচের তলার ব্যাপক গরিব জনগণের হাতে পৌঁছাবে। এটিই হলো পুঁজিবাদের নয়া-উদারবাদী বাজার-মৌলবাদভিত্তিক তথাকথিত উন্নয়ন-মডেল। চার দশক ধরে বাংলাদেশ এই একই অর্থনৈতিক দর্শন ও ‘উন্নয়ন’ মডেলের ‘অচলায়তনে’ বন্দী হয়ে আছে।

‘উন্নয়নের’ প্রসব বেদনায় কাতর জনগণ যেন বিদ্রোহ না করে বসতে পারে সেজন্য রাজনীতির ক্ষেত্রেও একটি তত্ত্ব হাজির ও কার্যকর করা হচ্ছে। তা হলো ‘উন্নয়ন আগে গণতন্ত্র পরে’—এই তত্ত্ব। বলার চেষ্টা হচ্ছে যে জনগণকে তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর করে ‘উন্নয়নের’ তিতো ওষুধ খাওয়াতে হলে তাদের সুখ-দুঃখ, আশা-আকাঙ্ক্ষার সবকিছুর প্রতি সবসময় গুরুত্ব দিলে চলবে না। তাই জনগণকে তাদের মন খুলে সবসময় সব কথা বলতে দেয়া যাবে না, চিত্কার করতে দেয়া যাবে না, কাঁদতে দেয়া যাবে না। নীরবে সব কষ্ট হজম করতে হবে। সব অন্যায় সহ্য করে যেতে হবে। সেজন্য গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক অধিকারকে খর্ব করে রাখতে হবে। অন্যথায় অবাধে লুটপাটের কারবার চলবে কিভাবে?

শোষক শ্রেণি, তথা সাম্রাজ্যবাদ ও দেশীয় লুটেরা ধনীক শ্রেণি, দেশের রাষ্ট্র ক্ষমতা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এদেশকে এমন একটি অর্থনৈতিক-সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থায় পরিচালনা করছে যাতে তাদের শোষণ প্রক্রিয়া স্থায়ীভাবে চালু থাকে। প্রচার-প্রচারণা, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় গণমাধ্যম, শিক্ষা ব্যবস্থা, সাংস্কৃতিক জগত্, ‘সিভিল সোসাইটির’ একাংশ, ধর্মীয় উপাসনালয় ইত্যাদি সমাজের সব উপাদানকে ও কাঠামোকে তারা সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে, এজন্য তারা বিপুল অর্থ ব্যয় করছে। দেশের বড় দু’টি বুর্জোয়া দল, তথা আওয়ামী লীগ ও বিএনপি শোষণ-বৈষম্যের নীতির ধারায় দেশ চালাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দেশের রাজনৈতিক পরিমণ্ডলে তারাই যেন একচ্ছত্র প্রাধান্য বিস্তার করে থাকতে পারে সেজন্য এই শোষক শ্রেণি দেশে একটি দ্বি-মেরুকরণ ভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছে। এমতাবস্থায় দেশে বাম-গণতান্ত্রিক বিকল্প শক্তি গড়ে তোলা এখন একটি প্রধান কর্তব্য হয়ে উঠেছে। কিন্তু তা সেভাবে হচ্ছে কই? বিকল্প হয়ে ওঠার সম্ভাবনাপূর্ণ অন্য সব দল যেন প্রান্তঃস্থিত হয়ে থাকে, তার ব্যবস্থা শোষক শ্রেণি করে রেখেছে। এক্ষেত্রেও একধরনের ‘অচলায়তন’ বিরাজ করছে।

দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তিগুলো যেন সাম্রাজ্যবাদ ও লুটেরা ধনিক শ্রেণির প্রভাবের বাইরে যেতে না পারে সেজন্য তারা দেশে একধরনের ‘নিয়ন্ত্রিত নৈরাজ্যের’ অবস্থা সৃষ্টি করে রেখেছে। দু’টি বুর্জোয়া দলের মধ্যে স্থায়ী সংঘাত জিইয়ে রাখার ব্যবস্থা করেছে। এর পাশাপাশি সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মান্ধ জঙ্গি শক্তিকে তারা লালন পালন করছে। জামায়াত-শিবিরসহ বিভিন্ন উগ্র সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গি শক্তিকে সাম্রাজ্যবাদ-লুটপাটতন্ত্র তাদের আরেকটি স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে ব্যবহার করছে। নিজেদের সংকীর্ণ স্বার্থে তারা এই বিপজ্জনক অন্ধকারের কালো শক্তিকে ক্ষমতার দাবা খেলায় ঘুঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। বুর্জোয়া দল দু’টির গণবিরোধী কাজ ও রাজনৈতিক দেউলিয়াপনার সুযোগ নিয়ে এসব অপশক্তি জনগণকে বিভ্রান্ত করতে সক্ষম হচ্ছে। তারা একদিকে সাম্প্রদায়িকতার সামাজিকীকরণ ঘটিয়ে চলেছে ও সাথে সাথে অন্তর্ঘাত চালিয়ে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের জাল বুনছে। এ অবস্থার নিরসনেরও লক্ষণ নেই। এটিও ‘অচলায়তনের’ একটি নিদর্শন।

এভাবে দেখা যাচ্ছে যে দেশের প্রকৃত অগ্রগতির ক্ষেত্রে সাম্প্রদায়িকতা-জঙ্গিবাদ, গণতন্ত্রহীনতা, সাম্রাজ্যবাদ ও লুটপাটতন্ত্র— এই চার শত্রু আজ দেশ ও দেশবাসীর সামনে প্রধান বিপদ হিসেবে বিরাজ করছে। অন্যদিকে রাজনীতিতে দ্বিদলীয় মেরুকরণ ভিত্তিক কাঠামো চাপিয়ে দেয়া ও গণতন্ত্র-গণতান্ত্রিক অধিকার খর্বিত হওয়ায় এই বিপদ মোকাবেলার কাজটিকেও কঠিন করে তোলা হয়েছে। মাথার ওপর সবসময় দাঁড় করিয়ে রাখা হয়েছে সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গিবাদের বিপদ। প্রশ্ন হলো, ‘অচলায়তনের’ এই অবস্থাই কি চলবে চিরকাল? যদি ‘অচলায়তনের’ এই বন্দি দশা থেকে নিষ্কৃতি পেতে হয় তাহলে প্রশ্ন আসে, সেই শিকল ভাঙার কাজ শুরু করতে হবে কোথা থেকে, কিভাবে?

শিকল ভাঙার কাজটি কেবলমাত্র উপর থেকে নেয়া উদ্যোগের ওপর নির্ভর করে সফল করা যাবে না। শোষকদের কাঠামোগত সিস্টেমটাই এমনভাবে গড়া যে, তার বৈরী উপাদানকে গোটা সিস্টেমের মধ্যে স্থান করে দিয়েও তার শোষণ ব্যবস্থাকে সে টিকিয়ে রাখতে সক্ষম। একমাত্র একটি দিক থেকেই এই সিস্টেমকে ঘায়েল করা সম্ভব। তা হলো সাধারণ জনগণের পরিমণ্ডল। কারণ সবকিছুকেই একভাবে বা অন্যভাবে সিস্টেমের মধ্যে ধারণ করতে সক্ষম হলেও ব্যাপক জনগণের স্বার্থকে পরিপূর্ণভাবে ধারণ করার ক্ষমতা তার নেই। সেটিই যদি থাকতো, তাহলে শোষণ-বঞ্চনাকেই পূর্ণভাবে বাদ দিতে হতো। শোষক শ্রেণি তা করবে কেন? ‘চুইয়ে পড়া’ উন্নয়ন মডেলে নিচেরতলার এসব সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি সবচেয়ে কম ও একেবারেই ছিটেফোঁটা। ফলে তাদের ক্ষেত্রে বঞ্চনার মাত্রা সবসময় সবচেয়ে বেশি। এই বঞ্চিত জনগণই হয়ে উঠতে পারে ‘অচলায়তনের’ শিকল ভাঙার প্রধান কারিগর। জনগণের প্রাণশক্তি ও শিকড় রয়েছে তৃণমূলে। ‘অচলায়তনের’ শিকল ভাঙার কাজটি সূচনা করার ভিত্তি তাই রচিত হতে পারে প্রধানত তৃণমূল থেকে ও জনগণের দ্বারা। একারণে, তৃণমূলের কাজ ও জনগণের মাঝে কাজকে গুণগত নতুন মাত্রায় প্রসারিত করার মাঝেই নিহিত রয়েছে বিদ্যমান ‘অচলায়তন’ ভাঙার চাবিকাঠি।

ইতিহাস একথাই বলে যে শেষ বিচারে ‘জনগণ, এবং একমাত্র জনগণই ইতিহাসের নির্মাতা’। তবে জনগণ সবসময় সচেতনভাবে ইতিহাস নির্মাণ করে না। তবে, সময়ের অগ্রগতির সাথে সাথে ইতিহাস নির্মাণে জনগণের ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রে তাদের সচেতনতার গুরুত্বও ততো বেড়েছে। বাংলাদেশে বিদ্যমান ‘অচলায়তন’ ভাঙতে হলে জনগণের মাঝে সেই সচেতনতা গড়ে তোলা বিশেষভাবে প্রয়োজন।

বর্তমানে দেশের ওপর সাম্প্রদায়িকতা ও জঙ্গি ষড়যন্ত্রের বিপদ বেড়েছে। এই রাষ্ট্রদ্রোহী শক্তিকে মোকাবিলার জন্য প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ জরুরি। কিন্তু এক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও সর্বোপরি মতাদর্শগত সংগ্রামের। উগ্র ও জঙ্গি সাম্প্রদায়িক অপশক্তি ধর্মানুভূতির অপব্যবহার করে ও মিথ্যা প্রচারণা চালিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। জনগণকে এসব অপপ্রচার থেকে মুক্ত রাখতে পারার সাথে জাতির অস্তিত্বের প্রশ্নটি সরাসরি সম্পর্কিত। এ কাজটি করতে হলে তৃণমূলে জনগণের কাছে সরাসরি যেয়ে অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী, প্রগতিবাদী চেতনা সৃষ্টির পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যাবশ্যক। এ কাজে অবহেলার অর্থ হবে শত্রুর হাতে দেশকে তুলে দেয়া।

তাই, জনগণকে সচেতন করে তোলার জন্য ব্যাপক প্রচারণা কাজের বিকল্প নেই। প্রচারণার ক্ষেত্রে অল্প কথা ব্যাপক মানুষের মাঝে নিয়ে যাওয়া (এ্যাজিটেশন) যেমন জরুরি, একইভাবে জরুরি অনেক কথা অল্প মানুষের মাঝে নিয়ে যাওয়ার (প্রোপাগান্ডা) কাজ। মানুষের ঘরে ঘরে যেয়ে একাজ করতে হবে। মিডিয়া কাভারেজের কথা মাথায় রেখে চটকদার বক্তৃতাবাজি দিয়ে এক্ষেত্রে কাজ হবে না। এসব করতে হলে ধৈর্যের সাথে তৃণমূলের ঘরে ঘরে জনগণের মাঝে গিয়ে তাদের মন-মনন জয় করার কাজে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে। চারণের বেশে ছড়িয়ে পড়তে হবে গ্রামে-গ্রামে, পাড়ায়-মহল্লায়, হাটে-বাজারে-প্রতিষ্ঠানে, বস্তিতে, কলে-কারখানায়। হাজার-হাজার কিলোমিটার পদযাত্রা, সহস্র-সহস্র হাটসভা-পথসভা-গেইটসভা ইত্যাদি আয়োজন করতে হবে। সারাদেশে গড়ে তুলতে হবে ‘পাঠাগার আন্দোলন’। পরিচালনা করতে হবে অগণিত পাঠচক্র ইত্যাদি।

জনগণকে সচেতন সংগঠিত করার জন্য প্রচার আন্দোলন যেমন গুরুত্বপূর্ণ, এক অর্থে তার চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো স্থানীয় নানা ইস্যুতে পরিচালিত আন্দোলন-সংগ্রামের কাজ। সেই সাথে গুরুত্বপূর্ণ হলো এসব সংগ্রামকে মৌলিক ধরনের দাবিতে জাতীয় আন্দোলন-সংগ্রামের রূপ দেয়া। লোক দেখানো সংগ্রামের মঞ্চায়ন নয়, প্রয়োজন প্রকৃত গণসংগ্রাম গড়ে তোলা। তৃণমূলে জনগণের মাঝে ধৈর্যের সাথে ও ধারাবাহিকভাবে কাজ করা ব্যতীত এ ধরনের সংগ্রামের ধারা গড়ে তোলা সম্ভব হবে না। একথা অবশ্য ঠিক যে বিশেষ বিশেষ সময়ে উপর থেকে সূচিত কোনো উদ্যোগ মুহূর্তে বিশাল গণজাগরণ গড়ে তুলেতে সক্ষম হয়। কিন্তু সেজন্য হাঁ করে চুপচাপ বসে থাকাটা হবে অর্থহীন। শুধু তাই নয়, নিশ্চুপ বসে বসে শুধু অপেক্ষায় সময় কাটালে শত্রুপক্ষ কিন্তু বসে থাকবে না। খালি মাঠ পেয়ে তারা তাদের শক্তি বিস্তৃত করার সুযোগ পাবে। তাই, অন্তত শত্রুর অগ্রগতি ঠেকানোর জন্য হলেও, তৃণমূলে জনগণের মাঝে কাজে ঝাঁপিয়ে পড়াটা এখন এতো গুরুত্বপূর্ণ।

তৃণমূলে জনগণের মাঝে এ ধরনের লাগাতার কাজ কাউকে না কাউকে করতেই হবে। এ কাজ না করলে দেশ শত্রুর দখলে চলে যাবে। এসব কাজের জন্য বুর্জোয়াদের ওপর নির্ভর করা যায় না। কোন দুঃখে তারা ‘নিজের খেয়ে’ এ ধরনের ‘পণ্ডশ্রম’ করবে? এক্ষেত্রে দেশের প্রকৃত বামপন্থি দলগুলোকেই পথ প্রদর্শন করতে হবে।

লেখক: সভাপতি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি

সূত্র : দৈনিক ইত্তেফাক

You Might Also Like