‘নিউইয়র্ক বিশ্বের সেরা সম্প্রীতির শহর’

নিউইয়র্ককে বিশ্বের সেরা সম্প্রীতির শহর উল্লেখ করে মেয়র বিল ডি. ব্লাজিও বলেছেন, এখানে ধর্মীয় বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই। নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগ সব ধর্মের লোকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে। গত শুক্রবার রাতে নিউইয়র্কের কুইন্সের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে বাংলাদেশি মুসল্লিদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

নিউইয়র্ক সিটিকে শক্তিশালী হিসাবে গড়ে তুলতে মুসলিম কমিউনিটির অবদানের প্রশংসা করে বিল ডি. ব্লাজিও বলেন, তাদের সঙ্গে নিউইয়র্ক সিটির সুসম্পর্ক JMC_3রয়েছে। প্যারিস ও ক্যালিফোর্নীয়ার সন্ত্রাসী হামলার ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন উল্লেখ করে মেয়র বলেন, বিশ্বে ১ দশমিক ৬ বিলিয়ন মুসলমান রয়েছে, যারা সবাই শান্তিপ্রিয়। তিনি বলেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে ইসলামের কোনো সম্পর্ক নেই।

তিনি নিউইয়র্কে হেট ক্রাইম ও বৈষম্যমূলক আচরণ থেকে নগরবাসীকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দেওয়ার কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, এখানে প্রতিটি নাগরিকের স্বাধীনতা রয়েছে, যা কেউ ক্ষুণ্ন করতে পারবে না।

অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন কাউন্সিলম্যান ররি ল্যান্সম্যান, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. মোহাম্মদ রহমান, সভাপতি ডা. ওয়াহিদুর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক JMC_4শেখ আক্তার হোসেন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলম্যান ড্যানিক মিলার, জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের খতিব মাওলানা মির্জা আবু জাফর বেগ, ইমাম শামসে আলী, বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আবদুর রহিম হাওলাদার, কমিউনিটি বোর্ড মেম্বার ফখরুল ইসলাম দেলোয়ার, মোহাম্মদ তুহিন, কমিউনিটি লিডার নাসির আলী খান পল, ছদরুন নূর, মাজেদা উদ্দিন, সাবুল উদ্দিন, বিলাল চৌধুরী প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে মেয়র ব্লাজিও নিউইয়র্ক সিটিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের ঋণ সহায়তা কর্মসূচি, মানসিক স্বাস্থ্য বিকাশসহ নানান উন্নয়নমূলক কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে তাতে নগরবাসীর অংশগ্রহণের ওপর গুরুত্বরোপ করেন।

অনুষ্ঠানে মেয়র ব্লাজিওকে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের পক্ষ থেকে একটি প্ল্যাক উপহার দেয়া হয়। এছাড়া অনুষ্ঠানে জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারের ঈদের নামাজে মেয়র ব্লাজিওকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি তাতে সম্মতি দেন।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত নিউইয়র্ক পুলিশের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা এবং কমিউনিটির বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

-শহীদুল ইসলাম, ইত্তেফাক

You Might Also Like