পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জামায়াত নেতা নিহত

মেহেরপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ জামায়াতে ইসলামীর এক নেতা নিহত হয়েছেন।

পুলিশ জানায়, সদর থানা পুলিশের একটি দল রোববার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে জামায়াত নেতা রমজান আলীকে (৪৪) নিয়ে মেহেরপুর শহরের উপকণ্ঠ বন্দর শ্মশানঘাট এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে গেলে বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এতে তিনি গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান।

রমজান আলীর বাড়ি সদর উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের রাজনগর গ্রামে। তিনি মৃত আমির শেখের ছেলে। পুলিশের দাবি, এ ঘটনায় পুলিশের চার সদস্য আহত হয়েছেন এবং ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

নিহত রমজান আলীর বিরুদ্ধে ২০১৩ সালে নাশকতার ঘটনার সাতটি মামলা রয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহসান হাবীব জানান, রাত আড়াইটার দিকে পুলিশের একটি দল অস্ত্র উদ্ধারের লক্ষ্যে রমজান আলীকে নিয়ে বন্দর শ্মশানঘাট এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় তার (রমজান) সহযোগীরা তাকে ছিনিয়ে নিতে পুলিশের ওপর গুলিবর্ষণ করে। পুলিশও পাল্টা গুলি ছুড়লে তারা পিছু হটে। এর মধ্যে রমজান গুলিবিদ্ধ হন। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তাকে মেহেরপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আবু এহসান মো. রাজু তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওসি জানান, ঘটনাস্থল থেকে একটি এলজি শাটারগান, দুটি গুলি ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় সদর থানা পুলিশের এসআই মেজবাহুল, কনস্টেবল শাহীন, মিনহাজ ও আশরাফুল আহত হয়েছেন। আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। রমজানের সহযোগীদের হটাতে শটগানের ১১টি গুলি ছোড়া হয় বলে জানান তিনি।

রমজান আলীর নেতৃত্বে ২০১৩ সালে রাজনগরে র‌্যাব সদস্যদের মারধর করে অস্ত্র কেড়ে নেওয়া ও পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগ রয়েছে। নাশকতা প্রতিরোধের অভিযানের অংশ হিসেবে তাকে আটক করা হয়।

এ ঘটনায় সদর থানায় হত্যা মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলেও জানান ওসি। নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শনিবার সকালে রমজান আলীকে আটক করা হয়েছে।

You Might Also Like