ভিন্নগ্রহ থেকে পৃথিবীতে পড়ছে রহস্যময় বস্তু!

ভিন্নগ্রহ থেকে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এক রহস্যময় বস্তু পৃথিবীতে এসে পড়েছে। শুক্রবার শ্রীলঙ্কার জলসীমায় ভিন্নগ্রহের প্রাণীদের কোনো রকমের হামলা এবং পৃথিবীর কোনো ক্ষতি ছাড়াই পৃথিবীতে আসে বস্তুটি। বিজ্ঞানীরা এই বস্তুটির নাম দিয়েছেন #ডব্লিউটি১১৯০এফ। এই বস্তুটি পৃথিবীতে আসবে বলে আগে থেকেই ঘোষণা দিয়েছিলেন বিজ্ঞানীরা।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের স্পেস এজেন্সির সঙ্গে মিলে আবুধাবির ইন্টারন্যাশনাল অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টার এই বস্তুর আগমনবাণী শুনিয়েছিল। পৃথিবীতে বস্তুটির প্রবেশের ছবি নিয়ে তারা বিস্তারিত একটি ভিডিও তৈরি করেছে। সেখানে দেখা গেছে, গত শুক্রবার বিকেলে শ্রীলঙ্কার সমুদ্রে বস্তুটি আছড়ে পড়ে।

ভিডিওটিতে দেখা যায়, বায়ুম-লের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বস্তু অসংখ্য টুকরোয় বিভাজিত হচ্ছে। #ডব্লিউটি১১৯০এফের পৃথিবীতে আসা সম্পর্কে এক টুইটবার্তায় নিজেদের সাফল্যের কথা জানিয়েছে আবুধাবি অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সেন্টার।

একই সঙ্গে নিজেদের ফেসবুক পাতায়ও এই সংক্রান্ত একটি ভিডিও পোস্ট করেছে তারা। সেখানেও নীল আকাশের বুকে একটি আগুনের গোলার ছবি দেখা যায়।

ভিডিওতে থাকা বস্তুটি আসলে কি সে সম্পর্কে এখনো পুরোপুরি নিশ্চিত হয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না।

তবে কিছু বিজ্ঞানী বলছেন, এটি পৃথিবী থেকে মহাকাশে পাঠানো কোনো রকেট বুস্টারের ধ্বংসাবশেষ হতে পারে। কোনো কোনো তাত্ত্বিক মনে করছেন, এটি ভিন্নগ্রহের প্রাণী বা এলিয়েনদের বাহন বা অন্যগ্রহ থেকে ছোড়া পাথর।

#ডব্লিউটি১১৯০এফ নামের এই বস্তু গত ৩ অক্টোবর ধরা পড়ে বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান স্পেস এজেন্সি। সংস্থাটি বলছে, সেই সময় জানা যায় যে ২০১৩ সালেও আরিজোনা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দলও এই বস্তু চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়।

বস্তুটি পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে এটি পাথরের মতো শক্ত নয়। এতে পানির ঘনত্ব প্রায় ১০ শতাংশ। ইউরোপীয়ান স্পেস এজেন্সি বলছে, এটা ঠিক পাথরের মতো নয়। বরং এটিকে রকেটের ওপরের অংশের মতো মনে হচ্ছে।

অনেকদিন ধরেই বিজ্ঞানীরা এই বলে সতর্ক করছিলেন যে, যেকোনো মুহূর্তে অজানা কোনো গ্রহাণু পৃথিবীকে ধাক্কা দিতে পারে। এই বিরাট বিরাট সব গ্রহাণু থেকে নাসা কীভাবে রক্ষা করে সেটাই দেখার বিষয়।

You Might Also Like