জাতীয় পতাকার মর্যাদা যেন কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ না হয়: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতীয় পতাকার মর্যাদা রাখতে সেনা সদস্যদের সচেষ্ট থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, জাতীয় পতাকার মর্যাদা যেন কোনোভাবেই ক্ষুণ্ণ না হয়।

আজ (বৃহস্পতিবার) সকাল সোয়া ১১টার দিকে বগুড়া সেনানিবাসে ১২ ল্যান্সারকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) দেয়ার অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সাজোয়া কোরের প্রতিটি সদস্য দেশের প্রয়োজনে গঠনমূলক কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া বহির্বিশ্বে শান্তিরক্ষায় এ বাহিনীর সদস্যরা সব দিক থেকে নিজেদের প্রস্তুত রেখেছে।

বর্তমান সরকার সাজোয়া কোরে নতুন অত্যাধুনিক ট্যাংক এমবিটি ২০১০ সংযোজন করেছে— উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, অদূর ভবিষ্যতে আরো দুটি রেজিমেন্ট গঠনের পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

এর আগে সকাল সোয়া ১০টার দিকে হেলিকপ্টার যোগে বগুড়া সেনানিবাসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। সেখানে সেনাবাহিনীর আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন। পরে ১২ ল্যান্সারকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড (জাতীয় পতাকা) প্রদান করেন তিনি। চলতি দুই মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হবার পর এবং দীর্ঘ ১১ বছরর পা বগুড়ায় এটিই তার প্রথম সফর। কুন্দরহাট হাইওয়ে পুলিশ আউটপোস্টসহ আনুমানিক ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ৫০টি উন্নয়ন প্রকল্প।

সেনানিবাসে আনুষ্ঠানিকতা শেষে বেলা আড়াইটায় প্রধানমন্ত্রী স্থানীয় আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠে জেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য রাখবেন। প্রধানমন্ত্রী জনসভাস্থলে স্থাপিত ডিজিটাল ইলেক্ট্রনিক বোর্ডের মাধ্যমে যে প্রকল্পগুলোর উদ্বোধন এবং ভিত্তি স্থাপন করবেন সেগুলো হলো- নবনির্মিত ১০ তলা চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ভবন, আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস, গাবতলী ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশন, বগুড়া শিবগঞ্জ উপজেলার মোকামতলায় পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র, নন্দীগ্রাম উপজেলায় কুন্দরহাট হাইওয়ে পুলিশ আউটপোস্টসহ আনুমানিক ১ হাজার কোটি টাকা ব্যয় সাপেক্ষে ৫০টি উন্নয়ন প্রকল্প।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তার চাদরে ঢাকা হয়েছে বগুড়া শহরকে। বিশেষ করে মাঝিড়া সেনানিবাস থেকে আলতাফুন্নেছা খেলার মাঠ পর্যন্ত সড়ক পথে প্রধানমন্ত্রীর যাতায়াতের রাস্তাকে সর্বোচ্চ নিরাপদ রাখতে কঠোর নিরাপত্তা বেষ্টনী গড়ে তোলা হয়েছে।

You Might Also Like