মিয়ানমার থেকে দেশে ফিরেছেন ১০৩ বাংলাদেশি

মিয়ানমার থেকে আজ বেলা সোয়া একটার দিকে দেশে ফিরেছেন অভিবাসন-প্রত্যাশী ১০৩ জন বাংলাদেশি । বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) অভিবাসন-প্রত্যাশীদের সেখানকার বিজিপি ঢেকিবুনিয়া ফাঁড়ি থেকে হাঁটাপথে বাংলাদেশের ধুমধুম বিজিবি ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন।

বিকেল নাগাদ ধুমধুম থেকে পুলিশ অভিবাসন-প্রত্যাশীদের বাসে করে প্রায় ৩৫ কিলোমিটার দূরে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে নিয়ে যাবে।

বিজিবি সূত্র জানায়, অভিবাসন-প্রত্যাশীদের আনতে আজ সকাল সাড়ে ১০টায় কক্সবাজারের ১৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (ভারপ্রাপ্ত) মেজর ইমরান উল্লাহ সরকারের নেতৃত্বাধীন ১৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলটি বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের ঘুমধুম পয়েন্ট দিয়ে মিয়ানমারের ঢেকিবুনিয়া বিজিপি (মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশ) ফাঁড়িতে পৌঁছান। এরপর ঢেকিবুনিয়া বিজিপি ফাঁড়িতে মিয়ানমার ইমিগ্রেশন অ্যান্ড ন্যাশনাল রেজিস্ট্রেশন ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে বিজিপি পতাকা বৈঠক করেন। ওই বৈঠকে ১০৩ জন বাংলাদেশিকে হস্তান্তর করা হয়। বেলা সোয়া একটার দিকে বিজিবি সদস্যরা বাংলাদেশিদের ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার মৈত্রী সেতুর’ ওপর দিয়ে হাঁটাপথে বাংলাদেশের ধুমধুম বিজিপি ফাঁড়িতে নিয়ে আসেন।

বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের প্রধান মেজর ইমরান উল্লাহ সরকার জানান, ঘুমধুমে মিয়ানমার থেকে ফিরিয়ে আনা ১০৩ জন বাংলাদেশিকে কক্সবাজার জেলা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ বেলা দুইটার দিকে ১০৩ জনকে নিয়ে কক্সবাজারের দিকে রওনা দিয়েছে। এর আগে বিজিবি পঞ্চম দফায় মিয়ানমার থেকে ৬২৬ জন বাংলাদেশি অভিবাসন-প্রত্যাশীকে দেশে ফিরিয়ে এনেছে।

পুলিশ ও বিজিবি সূত্র জানায়, গত ২১ মে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাত্রার সময় মিয়ানমার জলসীমানা থেকে সে দেশের নৌবাহিনী ২০৮ জন এবং ২৯ মে ৭২৭ জন অভিবাসন প্রত্যাশীকে উদ্ধার করে। মিয়ানমারের দাবি, উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিরা বাংলাদেশের নাগরিক।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী জানান, বিকেলে ধুমধুম থেকে অভিবাসন-প্রত্যাশীদের একাধিক বাসে তুলে কক্সবাজার সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে আনা হবে। সেখানে পুলিশসহ একাধিক আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করবেন। এরপর তাঁদের বাড়ির দেশে ছেড়ে দেয়া হবে।

You Might Also Like