খালেদার দুর্নীতির মামলায় পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণ ১৫ অক্টোবর

বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দুর্নীতির দুই মামলার পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১৫ অক্টোবর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার রাজধানীর বকশীবাজারে কারা অধিদফতরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত (অস্থায়ী আদালত) ঢাকার বিশেষ জজ-৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ দিন নির্ধারণ করেন।

আজ খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে দুই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। আদালতে সোনালী ব্যাংক হেড অফিসের অফিসার অ্যাসিসট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার আমির উদ্দিন ও সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ম্যানেজার পরিতোষ চন্দ্র দে সাক্ষ্য দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে ১৫ অক্টোবর নতুন দিন ধার্য করা হয়।

সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটে আদালতের কার্যক্রম শুরু হলে অসুস্থ ও চিকিৎসার জন্য বিদেশে থাকায় আদালতে অনুপস্থিতির জন্য খালেদা জিয়ার পক্ষে সময়ের আবেদন জানান তার আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া।

এরআগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় আদালতে হাজির না হওয়ায় ২০১৫ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। ৫ এপ্রিল আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করলে আদালত তাকে জামিন দেন।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের অর্থ আত্মসাতের দুই মামলায় গত ১৯ মার্চ খালেদা জিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক বাসুবেদ রায়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্টের নামে অবৈধভাবে তিন কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা লেনদেনের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০ সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও থানায় একটি মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মামলার অপর আসামিরা হলেন— খালেদা জিয়ার প্রাক্তন রাজনৈতিক সচিব হারিছ চৌধুরী, হারিছের সহকারী একান্ত সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক জিয়াউল ইসলাম মুন্না এবং ঢাকার প্রাক্তন মেয়র সাদেক হোসেন খোকার একান্ত সচিব মনিরুল ইসলাম খান।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্টের দুই কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৪৩ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ এনে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় আরও একটি মামলা করে দুদক।

মামলায় খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন— মাগুরার প্রাক্তন সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমান।

You Might Also Like