গণজাগরণ মঞ্চ কি অস্তিত্ব হারাবে?

সম্প্রতি গণজাগরণ মঞ্চ নিয়ে একাধিক ঘটনা ঘটেছে। গণজাগরণ মঞ্চের মুখপাত্র হিসেবে পরিচিত ডা. ইমরান এইচ সরকারকে অব্যাহতি দিয়েছে সংগঠনের অপর এক অংশ। পাল্টা আরেকটি অংশ গণজাগরণ মঞ্চের নামে সংগঠিত হয়েছে। ফলে সঙ্গতকারণেই যে প্রশ্নটি উঠেছে তা হচ্ছে, গণজাগরণ মঞ্চ কি তার অস্তিত্ব হারিয়ে ফেলবে? যে আবেগ ও প্রত্যাশা নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ রাজনীতিতে আবির্ভূত হয়েছিল, এর প্রয়োজনীয়তা কি ফুরিয়ে গেছে? বলতে দ্বিধা নেই, গণজাগরণ মঞ্চ বাংলাদেশের চলমান রাজনীতিতে আবির্ভূত হয়েছিল অনেকটা ধূমকেতুর মতো। যুদ্ধাপরাধীদের কঠিন শাস্তি প্রদানের দাবিতে গড়ে উঠেছিল এ আন্দোলন। মূলত আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতে কাদের মোল্লার রায়কে কেন্দ্র করেই এ সংগঠনটির জন্ম। যদিও এর কোনো সাংগঠনিক কাঠামো ছিল না। কিছু অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও বামমনা কিছু ছাত্র সংগঠনের উদ্যোগেই আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল এ সংগঠনটির। ২০১৩ সালের ৫ ফেব্র“য়ারি ব্লগার অ্যান্ড অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নেটওয়ার্ক ছিল এর উদ্যোক্তা। বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলো তখন এগিয়ে এসেছিল। এর পরের ঘটনা ছিল ইতিহাস। শাহবাগ চত্বর হয়ে ওঠে মুক্তিযুদ্ধ চেতনার এক প্রতীক। লাখ লাখ মানুষের উপস্থিতিতে সেদিন যে ইতিহাস রচিত হয়েছিল, বাংলাদেশের সমকালীন রাজনীতির ইতিহাসে তা ছিল এক বিরল ঘটনা। এক পর্যায়ে সরকারি দল আওয়ামী লীগের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগও এর সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়। কিন্তু কখনোই তারা নেতৃত্ব ছিনিয়ে নেয়নি। বরং ইমরান এইচ সরকার তথা বামমনা ছাত্র নেতাদের গণজাগরণ মঞ্চকে পরিচালনা করতে দিয়েছে।
কিন্তু মাত্র এক বছরের মাথায় সেই দৃশ্যপট বদলে গেল। ইমরান এইচ সরকার, যিনি এক সময় ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তিনি অপসারিত হলেন। এটা স্পষ্ট, যে অংশটি ইমরান এইচ সরকারের বিরোধিতা করে আলাদাভাবে সংগঠিত হয়েছে, তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। এতে একটা ধারণার জন্ম হওয়া স্বাভাবিক- গণজাগরণ মঞ্চের এ বিভক্তির পেছনে কি সরকারের কোনো হাত আছে? এটা তো স্বীকার করতেই হবে যে, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে গণজাগরণ মঞ্চ যখন সংগঠিত হয়েছিল, তখন এর পেছনে সরকারের সমর্থন ছিল। সরকারের সমর্থন ছাড়া গণজাগরণ মঞ্চ এতদূর আসতে পারত না। তাহলে এমন কী ঘটল যে কারণে ইমরানকে হিরো থেকে জিরো বানানো হল?

এক বছর আগে যখন গণজাগরণ মঞ্চ সংগঠিত হয়েছিল, তখন আমি একাধিক নিবন্ধ লিখেছিলাম। আমি বলার চেষ্টা করেছিলাম, বিশ্বব্যাপী তরুণদের শক্তি হিসেবে যে উত্থান, তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশে গণজাগরণ মঞ্চের জন্ম হয়েছে। ২০১১ সাল থেকেই তরুণরা প্রচলিত রাজনীতির ধারাকে চ্যালেঞ্জ করে বিশ্বব্যাপী একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হচ্ছিল। নিউইয়র্কের অক্যুপাই ওয়াল স্টি ট আন্দোলন থেকে শুরু করে কায়রোর তাহরির স্কোয়ার কিংবা ইস্তাম্বুলের তাকসিম স্কোয়ারের তরুণদের অভ্যুদয়ের সঙ্গে শাহবাগ চত্বরের গণজাগরণ মঞ্চ- সবগুলোই মূলত একই সূত্রে গাঁথা। সবাই বিকল্প মিডিয়া, অর্থাৎ অনলাইন মিডিয়াকে ব্যবহার করে শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। এর প্রয়োজন ছিল এবং এক সময় এর প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়েও গেছে। গণজাগরণ মঞ্চের প্রয়োজনীয়তা ছিল। আজ এর প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে গেছে। তবে এটা বলা ভালো, বিশ্বব্যাপী তরুণদের যে শক্তি হিসেবে আবির্ভাব ঘটেছিল, এক এক দেশে তার প্রেক্ষাপট ছিল ভিন্ন। অসমতা, দরিদ্রতা, বৈষম্য আর কর্পোরেট হাউসগুলোর শোষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হয়েছিল নিউইয়র্কের তরুণরা। জন্ম দিয়েছিল অক্যুপাই ওয়াল স্ট্রিট আন্দোলনের। সেই আন্দোলন ছড়িয়ে গিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিটি শহরে। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের ছোট্ট জুকোট্টি পার্কে সেদিন হাজার হাজার তরুণ আস্তানা গেড়ে দিনের পর দিন প্রতিবাদ করে গেছে। কিন্তু তাতে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় আদৌ কোনো পরিবর্তন আসেনি। ২০১৩ সালের জুলাই-আগস্টে আমি সেই জুকোট্টি পার্কে গিয়েছিলাম। সেখানে আর সংগঠকদের কাউকে খুঁজে পাইনি। অনলাইনে তাদের সীমিত অস্তিত্ব রয়েছে বটে। কিন্তু দ্বিতীয় আরেকটি অক্যুপাই মুভমেন্টের জন্ম হওয়ার সম্ভাবনা ক্ষীণ। মিসরে ২০১১ সালের ৮ ফেব্র“য়ারি কায়রোর তাহরির স্কোয়ারে জন্ম হয়েছিল এক ইতিহাস। তরুণ প্রজন্ম একটি বিকল্প শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিল। পতন ঘটিয়েছিল মিসরের স্বৈরশাসক হোসনি মোবারকের। সেদিন ওই আন্দোলনকে সংগঠিত করেছিল অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টরা। বিশেষ করে এপ্রিল ৬ মুভমেন্ট, ইয়থ ফর জাস্টিস অ্যান্ড ফ্রিডম, কোয়ালিশন অব দ্য ইয়থ অব দ্য রেভুলেশন, পপুলার ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট অব দ্য চেঞ্জ-এর কথা উল্লেখ করা যায়। ২৬ বছরের আসমা মাহফুজ ছিলেন এ আন্দোলনের নেত্রী। এ আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছিল ইসলামিক ব্রাদারহুড ও মুরসি। কিন্তু সেনাবাহিনী যখন মুরসিকে ক্ষমতাচ্যুত করে, তখন আরেকটি তাহরির স্কোয়ারের জন্ম হয়নি। ২০১২ সালের মে মাসে ইস্তাম্বুলের তাকসিম স্কোয়ারে তুরস্কের তরুণরা প্রতিবাদী হয়েছিল। তাকসিম গেজি পার্ক তারা দখল করে রেখেছিল দিনের পর দিন। আজ দ্বিতীয় আরেকটি তাকসিম স্কোয়ার জন্ম হয়নি। চীনের বেইজিংয়ের তিয়েন আন মিন স্কোয়ারে ১৯৮৯ সালে (৪ জুন) গণতন্ত্রমনা ছাত্ররা যে ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল, দ্বিতীয় আরেকটি তিয়েন আন মিন স্কয়ারের জন্ম হবে কি চীনে? তবে তরুণরা বারবার প্রতিবাদী হয়। নিউইয়র্কে প্রতিবাদী হয়েছিল অসমতা আর দরিদ্রতার বিরুদ্ধে। তাহরির স্কোয়ারের জন্ম হয়েছিল পরিবর্তনের জন্য, একটি অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক মিসরের জন্য। তাকসিম স্কোয়ারে প্রতিবাদের ঢেউ উঠেছিল এরদোগান সরকারের অগণতান্ত্রিক আচরণের জন্য। বিশেষ বিশেষ প্রেক্ষাপটেই এ আন্দোলন গড়ে ওঠে। আবার স্তিমিতও হয়ে যায়। গণজাগরণ মঞ্চের জন্ম হয়েছিল বিশেষ একটি প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে। এর প্রয়োজনীয়তা এখন আর নেই।

একটা আন্দোলন স্থায়িত্ব পায় যদি তার কিছু সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য সামনে থাকে। গণজাগরণ মঞ্চ যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকেই একমাত্র মুখ্য করেছিল। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বললেও এ দেশের দারিদ্র্য দূরীকরণ, বৈষম্য কমানো, দুর্নীতি রোধ, শ্রমজীবী মানুষের ন্যায্য অধিকার, মানবাধিকার, যা সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্কিত, সেসব ব্যাপারে গণজাগরণ মঞ্চ কোনো কর্মসূচি দেয়নি। নয়াদিল্লিতে কেজরিওয়াল দুর্নীতির কথা বলে ব্যাপক সমর্থন পেয়েছিলেন। কিন্তু তার রাজনৈতিক অভিলাষ তার পতনকেই ত্বরান্বিত করেছে। আম আদমি পার্টির নির্বাচনে (লোকসভা) ভরাডুবি এখন সময়ের ব্যাপার মাত্র। তিনি এটাকে একটা সামাজিক আন্দোলনে পরিণত করতে পারতেন, যেমনটি চেয়েছিলেন তার আদর্শিক গুরু আন্না হাজারে। কিন্তু ক্ষমতার মসনদ কেজরিওয়ালকে এখন আঁস্তাকুড়ে নিক্ষেপ করবে।

ইমরান সরকার সেই ভুলগুলোই করেছিলেন। প্রথমত, তিনি গণজাগরণ মঞ্চকে একটি রাজনৈতিক সংগঠনে রূপ দিতে চেয়েছিলেন। বিপুল জনপ্রিয়তা তাকে এ সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছিল। সম্ভবত তিনি দিল্লির কেজরিওয়ালের উত্থানে উৎসাহিত হয়েছিলেন। তিনি প্রকাশ্যে দল গঠন করার কথা না বললেও আকার-ইঙ্গিতে তা বুঝিয়েছিলেন। তার ভুলটা ছিল এখানেই। বাংলাদেশ আর দিল্লি এক নয়। ব্যক্তি ইমরান একটি দল করতেই পারেন। কিন্তু গণজাগরণ মঞ্চকে ব্যবহার করা ছিল ভুল সিদ্ধান্ত। সাধারণ মানুষ গণজাগরণ মঞ্চকে দেখতে চেয়েছে একটি সামাজিক সংগঠন হিসেবে। দ্বিতীয়ত, প্রধানমন্ত্রীকে আলটিমেটাম দিয়ে, সর্বত্র পতাকা উত্তোলনের নির্দেশ দিয়ে কিংবা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়ায় দীর্ঘসূত্রতার প্রশ্ন তুলে তিনি সরকারের নীতি-নির্ধারকদের বিরাগভাজন হয়েছিলেন। তার অবস্থানে থেকে এটা তিনি করতে পারেন না। তৃতীয়ত, লাখো কণ্ঠের জাতীয় সঙ্গীত-এ ইসলামী ব্যাংকের টাকা নেয়াকে কেন্দ্র করে তিনি সরকারের সমালোচনা করেছিলেন। কিন্তু সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর এর ব্যাখ্যায় বলেছেন, লাখো কণ্ঠের সোনার বাংলায় খরচ হয়েছিল ৩০ কোটি টাকা। ৫৩টি প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির কাছ থেকে অনুদান সংগ্রহ করা হয়েছে, কিন্তু এ তালিকায় ইসলামী ব্যাংক নেই। সুতরাং ইমরানের বক্তব্য সরাসরি গ্রহণ করে নেয়া যায় না এবং এটাও তিনি পারেন না। কোনো অনুষ্ঠানের জন্য ওই ব্যাংক থেকে চাঁদা নেয়া কোনো অপরাধ হতে পারে না। চতুর্থত, তার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। এটা তো সত্য, অনেক মানুষ, প্রবাসী বাঙালিরা, বড় বড় ব্যবসায়ী গণজাগরণ মঞ্চের আন্দোলনের জন্য চাঁদা দিয়েছেন। অনেক চাঁদা ইমরান সরাসরি গ্রহণ করেছেন। এ ক্ষেত্রে কোনো স্বচ্ছতা রক্ষিত হয়নি। কোন খাতে কী পরিমাণ টাকা ব্যয় হয়েছে, তারও কোনো হিসাব নেই। স্বচ্ছতার খাতিরেই চাঁদার পূর্ণ তথ্য উপস্থাপন করা উচিত। তার ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা জমা রয়েছে কি-না, তাও স্পষ্ট করা উচিত। পঞ্চমত, কিছুদিন আগে গোপনে তিনি কানাডা পালিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। কিন্তু ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষ তাকে ছাড়পত্র দেয়নি। এ ব্যাপারটিরও খোলাসা হওয়া প্রয়োজন।

ইতিহাসের এক প্রয়োজনেই গণজাগরণ মঞ্চের জন্ম হয়েছিল। এর এ মুহূর্তে প্রয়োজনীয়তা আছে বলে আমার মনে হয় না। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া চলছে। আদালতের কার্যক্রম নিয়ে কথা বলা আদালত অবমাননার শামিল। ডা. ইমরান এইচ সরকার এটি যদি না বুঝে থাকেন, সেটা অত্যন্ত দুঃখজনক। আইনকে তার নিজস্ব গতিতেই চলতে দেয়া উচিত। ইমরান রাজনীতি করুন, কোনো দলে যোগ দিন কিংবা নিজেই একটি দল গঠন করুন (যা সম্ভবত তার কোনো কোনো উপদেষ্টা চাচ্ছেন)- কিন্তু গণজাগরণ মঞ্চকে ব্যবহার করে নয়। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, কামাল পাশা চৌধুরী আলাদাভাবে সংগঠিত হওয়ায় গণজাগরণ মঞ্চের আবেদন এখন অনেক কমে যাবে। যে বিশাল জনপ্রিয়তা নিয়ে গণজাগরণ মঞ্চ আবির্র্ভূত হয়েছিল, তাতে এখন ধস নামবে। আর কামাল পাশা চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন অংশ এখন পরিচিত হবে গণজাগরণ লীগ হিসেবে! গণজাগরণ মঞ্চকে সরকারি দলের সঙ্গে সম্পৃক্ত করার সিদ্ধান্তও ভুল। স্পষ্টতই ডা. ইমরান এখন আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পাবেন না। যেদিন পুলিশ তাকে পিটিয়েছিল এবং যে ছবি প্রতিটি পত্রপ্রত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছিল, সেদিনই ডা. ইমরানের রাজনৈতিক মৃত্যু হয়েছে। বিশাল জনপ্রিয়তাকে তিনি সুনির্দিষ্টভাবে পরিচালিত করতে পারেননি। তার উগ্রতা, প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বক্তব্য ইমরানের অবস্থানকে প্রশ্নের মাঝে ঠেলে দিয়েছে। ক্ষুদ্র যে অংশের সঙ্গে তিনি এখনও সম্পর্কিত, অচিরেই আমরা দেখব তারাও তাকে পরিত্যাগ করেছে।

ইমরান এইচ সরকার আমাদের অনেক আশ্বাস দিয়েছিলেন। কিন্তু সাধারণ মানুষ তাকে রাজনীতিক হিসেবে দেখতে চায়নি। তিনি মূলধারার রাজনীতি করলে ভালো করতেন। আমরা ভুলে যাই, অতীত বড় নির্মম। ড. কামাল হোসেনের বিপুল সম্ভাবনা থাকলেও মূলধারায় না থেকে তিনি ব্যক্তি কামাল হোসেনই থেকে গেছেন। স্বাধীনতার পতাকা যিনি তুলেছিলেন, সেই আসম আবদুর রবকে এখন পত্রিকার সিঙ্গেল কলামেও খুঁজে পাওয়া যায় না। ইতিহাস বড় নির্মম। এখন ইমরান এইচ সরকার যদি নিজেকে গুটিয়ে নেন, তিনি ভালো করবেন। নতুবা বিতর্কের মাত্রা বাড়বে। সর্বশেষ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে মামলাও হয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় তিনি আরও নানা জটিলতায় জড়িয়ে যেতে পারেন। ইতিহাসে তার প্রয়োজন ছিল। সেই প্রয়োজনীয়তা এ মুুহূর্তে আর নেই।
ড. তারেক শামসুর রেহমান : অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক
(যুগান্তর, ২২/০৪/২০১৪)

You Might Also Like