আলোচিত অপহরণ ঘিরে জল্পনা ও দুর্ভাবনা

হাসান মামুন

আবু বকর সিদ্দিক তার স্ত্রী সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের কার্যক্রমের কারণেই অপহরণের শিকার হয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এটাও সত্য, স্ত্রীর পরিচিতির কারণেই অপহরণকারীদের ওপর প্রবল চাপ সৃষ্টি হয় এবং দ্রুত মুক্তি পান তিনি। আবু বকর ছাড়া না পেলে কিংবা অপহরণকারীদের হাতে খুন হলে তা দেশের বাইরে ছড়াত। সেটিও হত আন্তর্জাতিক পর্যায়ে তার স্ত্রীর পরিচিতির কারণে। সরকারের জন্য সেটি নিশ্চয়ই বিব্রতকর হত।

সৈয়দা রিজওয়ানা তার স্বামীকে ফিরে পাওয়ার পর যাদের ভূমিকার জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন, তাদের মধ্যে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এখন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে রয়েছেন। না থাকলেও প্রধানমন্ত্রী তো সরকারের প্রধান নির্বাহী। এমন একটি ঘটনা ঘটে যাওয়ার পর তিনি অপহৃতকে উদ্ধারে উদ্যোগী হলে সেটাকে কেউ অস্বাভাবিক বলবে না।

‘নাগরিক ঐক্য’ আয়োজিত একটি সেমিনারে দেখলাম প্রশ্ন তোলা হয়েছে, কেন প্রধানমন্ত্রী অন্যান্য ক্ষেত্রে এমন উদ্যোগী হলেন না? সব ক্ষেত্রেই তিনি ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হবেন, এটি কিন্তু আশা করা যায় না। সব অপহরণ বা গুমের ঘটনায় আমরা নাগরিকরাও সমানভাবে প্রতিক্রিয়া জানাইনি। আবু বকরের বদলে তার স্ত্রী অপহরণের শিকার হলে প্রতিক্রিয়া আরও বেশি হত না কি? পরিবেশকর্মী হিসেবে তিনি ম্যাগসেসে পুরস্কারপ্রাপ্ত বলে সেটি মুহূর্তেই হয়ে পড়ত আন্তর্জাতিক সংবাদ।

সব ক্ষেত্রেই প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে উদ্যোগী হবেন, এটি কিন্তু আশা করা যায় না

এমন তো হতেই পারে, রিজওয়ানা ও তার নেতৃত্বাধীন সংস্থার কাজে ক্ষতিগ্রস্ত-অসন্তুষ্ট কোনো মহল ঠাণ্ডা মাথায় অপহরণ করেছিল তার স্বামীকে। অপহরণের পরমুহূর্ত থেকে রিজওয়ানা এ বিষয়টিতেই জোর দিয়েছেন; তবে আমাদের গড়পড়তা রাজনীতিকদের মতো দুম করে কিছু বলেননি। আবেগ সামলে বিবেচনাবোধ জাগ্রত রাখেন তিনি। তাৎক্ষণিকভাবে জোর দেন স্বামীকে সুস্থ-স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে পাওয়ার ওপর। সেটি কিন্তু সম্ভবপর হয়েছে।

আবু বকর সিদ্দিককে উদ্ধার বা ফিরে পাওয়ার ক্ষেত্রে মিডিয়ার জোরালো ভূমিকার কথা সবাই বলছেন। তা ছিল বৈকি। পুলিশ-র‌্যাবের ভূমিকার কথাও বলতে হবে। অনেক অপহরণ বা গুমের ঘটনা নিয়ে মিডিয়ায় হৈচৈ হলেও পুলিশ তৎপর না হওয়ায় সেগুলোর কোনো নিষ্পত্তি কিন্তু হয়নি। আলোচ্য ঘটনায় পুলিশ ব্যাপক চাপ সৃষ্টি করেছিল অপহরণকারীদের ওপর। খোদ প্রধানমন্ত্রী চাইলে তো আর নিস্পৃহ থাকা চলে না। চাইলে আমাদের পুলিশও অনেক কিছু করতে পারে। এটা যাদের কাছে স্পষ্ট নয়, তারা যেন আবু বকর অপহরণের ঘটনা বিশ্লেষণ করে দেখেন।

এলিট ফোর্স বলে পরিচিত র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব) এ ধরনের অপরাধ মোকাবেলায় বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বলে শুনে আসছি। রাষ্ট্রীয় বিনিয়োগে তাদের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। ধর্মীয় জঙ্গি দমনে কার্যকর ভূমিকা রেখেছিলেন তারা। পরবর্তীকালে এদের দমিয়ে রাখতেও র‌্যাব বিশেষ ভূমিকা রাখছে বলে জানা যায়।

পুুলিশের পাশাপাশি র‌্যাবের বিরুদ্ধেও রয়েছে বিচারবহির্ভূত হত্যাসহ অপরাধে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগ। বলা দরকার, অভিযোগটা তাদের একাংশের বিরুদ্ধে। অপহরণ, গুম-খুনের অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। বর্তমান সরকারের আমলে এ ধরনের ঘটনা বেড়ে গেছে বলে মানবাধিকার সংস্থা ও মিডিয়া বলছে। জাতীয় মানবাধিকার কমিশনও তুলছে এমন অভিযোগ। বিরোধী দল তো তুলছেই।

আবু বকর সিদ্দিক অপহরণের ঘটনায় খোদ বিএনপি নেত্রী যেভাবে বললেন, তাতেও সরাসরি আঙুল তোলা হয়েছে সরকারের দিকে। ব্যাপক প্রতিক্রিয়ার মুখে ঘটনা সামাল দিতে না পেরে ‘সরকার’ নাকি অপহৃতকে ছেড়ে দিয়েছে। এটা মারাত্মক অভিযোগ। বেগম জিয়ার এখন উচিত হবে এটা প্রমাণের মতো তথ্য জোগানো। নইলে উচিত হবে দ্রুত এ অভিযোগ প্রত্যাহার করা।

রিজওয়ানাই হয়তো ভালো জানেন, কেন তার স্বামীকে অপহরণ করা হয়েছিল। কোনো ক্ষতিসাধন না করে ভদ্রলোককে ওভাবে ছেড়ে দেওয়া হল কেন, সেটি ভালো বলতে পারবে পুলিশ ও র‌্যাব। সৈয়দা রিজওয়ানাও তাদের কিছু তথ্যসূত্র দিয়েছিলেন, যেগুলো তিনি স্বভাবতই সাংবাদিকদের বলেননি।

এমনও হতে পারে, সাধারণ কোনো অপরাধী চক্র নিছক মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টায় পথ থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছিল আবু বকরকে। পরে দেখল, একটা বড় ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছে তারা। সামাল দিতে পারবে না ভেবে অপহৃতকে তাই দ্রুত ছেড়ে দিয়ে বাঁচল।

এমনটি ঘটে থাকলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তার সাধারণ দক্ষতা খাটিয়েই অপরাধীদের ধরে ফেলতে সক্ষম হবে। আমরা তখন এটা ভেবে আশ্বস্ত হতে পারব যে, পরিবেশ রক্ষায় রিজওয়ানার কার্যক্রমে বাধা সৃষ্টি তাহলে উদ্দেশ্য ছিল না। ঘটনাচক্রেই কেবল সেটি সামনে এসেছে!

ঘটনাচক্রে রিজওয়ানার বিষয়টি সামনে এসে না থাকলে অর্থাৎ সত্যি সত্যি এটি ঘটনার কেন্দ্রে অবস্থান করলে শঙ্কা হয়, এ অপহরণ রহস্য হয়তো কখনও-ই উন্মোচিত হবে না। সাগর-রুনি হত্যার মতো এটাও হয়ে থাকবে একটা ‘রহস্য’। একটা হুমকি হিসেবেও বিরাজ করবে ঘটনাটি। বিভিন্ন ক্ষেত্রে রিজওয়ানার মতো যারা অ্যাকটিভিস্ট, তাদের সবার জন্যই এটা হয়ে থাকবে ‘শিক্ষণীয়’।

রিজওয়ানা হাসান বলেছেন– তাকে ও তাদের থামানোই যদি হয় উদ্দেশ্য, সে ক্ষেত্রে তারা থামবেন না। থামলে তো ওই ঘটনা যারা ঘটিয়েছে, তারাই জিতে গেল! এসব শুনতে ভালো লাগে। বলতেও অনেকে হয়তো উৎসাহ বোধ করেন। কিন্তু বাস্তবটা ভিন্ন। বাস্তবতা হল, এমনতরো ঘটনায় শুধু রিজওয়ানার পরিবার নয়, দেশের অনেক পরিবারই আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

স্ত্রীর ভূমিকার কারণে স্বামী বা সন্তান আক্রান্ত হলে প্রথম ব্যক্তির মাথা ঠিক থাকার কথা নয়। মাথা ঠিক না থাকলে ঠিকমতো ভূমিকা রাখাও কঠিন হয়ে পড়ে। এ জায়গায় সমাজ ও রাষ্ট্র এসে পাশে দাঁড়ালে অবশ্য লড়াইটা জুৎমতো করা যায়। জেতাও কঠিন হয় না।

রিজওয়ানার ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কোনো গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক যদি হয় ক্ষমতাসীনদেরই কোনো অংশ, তাহলে কি রহস্য উদঘাটনে এগিয়ে যাবে পুলিশ।

রিজওয়ানার ভূমিকায় অসন্তুষ্ট কোনো গোষ্ঠীর পৃষ্ঠপোষক যদি হয় ক্ষমতাসীনদেরই কোনো অংশ, তাহলে কি রহস্য উদঘাটনে এগিয়ে যাবে পুলিশ

অপহৃত আবু বকরের মুক্তিতে রাষ্ট্র এসে পাশে দাঁড়ালেও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তে কি নিয়োজিত হবে? রিজওয়ানার ভূমিকায় বেজায় অসন্তুষ্ট কোনো গোষ্ঠী যদি সেটি ঘটিয়ে থাকে আর তাদের পৃষ্ঠপোষক হয় ক্ষমতাসীনদেরই কোনো অংশ, তাহলেও কি রহস্য উদঘাটনে এগিয়ে যাবে পুলিশ? আন্দাজেই বলা হল কথাটা; তবে পুরো আন্দাজে নয়। এমনটি তো ঘটেই থাকে– এ দেশে এবং আমাদের মতো দেশগুলোয়। এসব কাহিনী অবলম্বনে সিনেমাও তৈরি হয়।

আলোচ্য ঘটনায় নাগরিক সমাজের একটা জোরালো প্রতিক্রিয়া আমরা দেখলাম। তাতে আশাবাদী হওয়ার কারণ রয়েছে বৈকি। তবে ঘটনাটি যদি এমন হয়ে থাকে যে, ধরে আবার ছেড়ে দেওয়া হবে বলেই অপহরণ করা হয়েছিল বকর সাহেবকে? নাগরিক সমাজের প্রতিক্রিয়াকে যদি থোড়াই কেয়ার করে তারা? যদি আসল উদ্দেশ্য হয় ভীতি সঞ্চার? ভেতরে ভেতরে সে উদ্দেশ্য যদি পূরণ হয়ে গিয়ে থাকে এর মধ্যে? আবু বকরের মুক্তিতে স্বস্তি শুধু নয়– তাকে অপহরণের ঘটনায় নাগরিক সমাজ কতটা ভীত হয়েছে, এরও মূল্যায়ন হওয়া দরকার।

মুক্তিপণ দাবিতে তাকে অপহরণ করা হয়ে থাকলে সেটি কিন্তু বোঝা যেত। তেমন কিছু হলে আমরা না হয় ভেবে আশ্বস্ত থাকতাম– যাক, টাকাপয়সার ব্যাপার! এভাবে মুক্তিপণ আদায়কে তো আমরা এক রকম মেনেই নিয়েছি। রাষ্ট্র গা করছে না। নাগরিক সমাজও বলা যায় প্রতিক্রিয়াহীন। তবে আবু বকর অপহৃত হওয়ার পর তারা নড়েচড়ে বসেছেন। এতে শ্রেণি-চরিত্রগত ব্যাপার থাকতে পারে; আরও যেটা আছে তা হল, দেশ ও সমাজে তার ভূমিকা রেখে যাওয়ার আকাঙ্ক্ষা।

তাদের সবাই যে ঘরের খেয়ে বনের মোষ তাড়াচ্ছেন, তা মোটেও নয়। সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান তো একটি বেসরকারি সংস্থার প্রধান নির্বাহী। ওটা চাকরিও বটে। তার কাজই হল পরিবেশ রক্ষায় আইনের আওতায় যা করা যায়, সেটি নিশ্চিত করা। এটি করতে গিয়ে তিনি যদি কারও রোষানলে পড়েন, তাহলে রাষ্ট্রের দায়িত্ব তার পাশে গিয়ে দাঁড়ানো। এটা অবশ্য বইয়ের কথা। বাস্তবে এমনটি নাও ঘটতে পারে।

সাংবাদিকতাকে যারা পেশা হিসেবে নিয়েছেন, তারাও তো ক্ষমতাধরদের রোষানলে পড়ছেন। এদের সামলাতে সামলাতে চাইলেও অনেকে দায়িত্ব পালন করতে পারছেন না। শুধু সাহসে ভর দিয়ে তো আর সত্য প্রকাশ করা যায় না। সমাজ ও রাষ্ট্রের সহায়তা লাগে। সেটি না থাকলে পরিবারের লোকজন বলে, কায়দা করে চলতে।

সৈয়দা রিজওয়ানার স্বামী অপহরণের ঘটনায় বুদ্ধিজীবী তো বটেই, পেশাজীবীদের মধ্যেও কায়দা করে চলার প্রবণতা বাড়তে পারে। তাতে হবে কী– সমাজ ও রাষ্ট্রের গণতন্ত্রায়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে। গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইনের প্রয়োগ, আইন সংস্কার, প্রশাসনের জবাবদিহিতা ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার কাজটি হবে ক্ষতিগ্রস্ত। কায়েমি স্বার্থ হবে শক্তিশালী। ক্ষমতাহীন জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়ন প্রক্রিয়া ব্যাহত হবে।

আমাদের সমাজে ধর্মীয় মৌলবাদীদের দাপট বাড়ছে। কখনও কখনও এদের তৎপরতা মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে। নানা রকম আগ্রাসী ফতোয়া দেন তারা। তাদের উৎসাহে কিছু মাথাগরম তরুণ খুন-খারাবিও ঘটিয়ে ফেলে। এতে নাগরিক সমাজে এক ধরনের আতঙ্ক তৈরি হয়। তাদের প্রত্যাশিত ভূমিকা পালনে দেখা দেয় অনুৎসাহ।

অপহরণ ও গুম-খুন ঘটতে ঘটতে তা যখন নাগরিক সমাজকেও ধরে ফেলে, তখন সেটাও তাদের নিরুৎসাহিত করে ফেলতে পারে। এর অর্থ এই নয় যে, রাষ্ট্রের কাজ হল ঘটনাটা নাগরিক সমাজের বাইরে চলতে দেওয়া। যে কোনো পক্ষ থেকে গুম-খুন কোনো কাজের কথা নয়। সভ্য সমাজে এটা চলতে পারে না। অপরাধীদের বেলায়ও নয়। বিচার করে শাস্তি বিধানই এ ক্ষেত্রে রীতি।

আবু বকর সিদ্দিকের ক্ষেত্রে কী ঘটেছিল, সেটি তিনিও ভালোমতো বুঝতে পারছেন না। নাকি বলতে চাইছেন না? পুলিশ চাইলে কিন্তু তাকে এটা বলতে হবে। এখন কথা হল, সরকার চাইলেই পুলিশ এ অপহরণ রহস্য উদঘাটনে সিরিয়াস হবে। বেগম জিয়া যেভাবে বললেন, তাতে সরকারের উচিত প্রকৃত ঘটনা বের করে দেখানো।

ইলিয়াস আলীসহ বিএনপির সাধারণ পর্যায়ের বেশ ক’জন নেতা-কর্মী গুম হয়ে আছেন। এজন্য দলটি সরকারকে দায়ী করছে সরাসরি। আর সরকার ভালো জবাব দিতে পারছে না। এ ক্ষেত্রে নিজে সরাসরি দায়ী না হলেও পরিস্থিতির অবনতির দায় নিতে হবে সরকারকে। এত অপহরণ, গুম-খুন তো আর হয়নি।

এর মধ্যে সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের স্বামী অপহৃত হয়ে রহস্যজনকভাবে মুক্তিলাভের ঘটনায় অবনতির চিত্রটা আরও স্পষ্ট হল। এর রহস্য উদঘাটন না হলে বেগম জিয়া যে কথা বললেন, সেটি বলবেন বারবার। বলে বলে প্রতিষ্ঠিতও করে ফেলবেন হয়তো।

এমন যদি হয়, বেসরকারি কোনো প্রভাবশালী মহল বা তাদের সিন্ডিকেটই করল কাজটি; কিন্তু কোনো কারণে তারা চিহ্নিত হল না বলে সরকারই দোষী হয়ে থাকল? সে ক্ষেত্রে এর রাজনৈতিক মূল্য পরিশোধ করতে হতে পারে তাকে। এটি ঘিরে নাগরিক সমাজের সঙ্গে সরকারের চিড় ধরা সম্পর্কটাও ফাটলে পরিণত হতে পারে। এর পরিণতি খারাপ হতে বাধ্য।

হাসান মামুন: সাংবাদিক, কলামিস্ট।

You Might Also Like