জুজুবুড়ি বনাম সিডও সনদ

মিলন আহমেদ

৩ সেপ্টেম্বর আন্তর্জাতিক ‘সিডও’ দিবস উপলক্ষে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রি মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, ‘সিডও সনদ বাস্তবায়নে সমাজ এখনো প্রস্তুত নয়’। কথাটি শুনে যেমন চমকে গিয়েছি, তেমনি থমকেও গিয়েছি। মাননীয় প্রতিমন্ত্রি নিজে একজন নারী হয়েও এবং নারীর ক্ষমতায়ন ব্যতিত কোনোমতেই দেশকে মধ্যম আয়ের দিকে নিয়ে যাওয়া অসম্ভব তা জেনেও কিভাবে তিনি সিডও সনদ বাস্তবায়নে অনিহা প্রকাশ করছেন তা সচেতন দেশবাসীর ভাবনার উদ্রেক করবে বলেই মনেহয়।

‘সিডও’ হচ্ছে জাতিসংঘের মানবাধিকার সম্পর্কিত সনদসমূহের অন্যতম যার অর্থ দাঁড়ায় ‘নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ’। ‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল মানুষ জন্মগতভাবে সমান মর্যাদার অধিকারী’Ñ মহান এই মর্মবাণী কার্যকর করার লক্ষ্যে ১৯৪৫ সালে জাতিসংঘের সৃষ্টি হয়েছিল। বিশ্বের সকল মানুষের মানবাধিকার সংরক্ষণের মাধ্যমে শান্তি ও প্রগতি নিশ্চিত করাই জাতিসংঘের উদ্দেশ্যে। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করতে গিয়ে দেখা গেল যে, বিশ্বের দেশে দেশে নারী চরমভাবে অবহেলিত এবং দানবের মতো টিকে থাকা পুরুষতান্ত্রিকতা জাতিসংঘের মূল লক্ষ্যকেই চরমভাবে ব্যাহত করছে। তাই অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের তাগিদে Convention on Elimination of all forms of Discrimination Against Women ms‡¶‡c CEDAW (সিডও) নামে একটি সনদ ১৯৭৯ সালের ১৮ ডিসেম্বর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে গৃহিত হয়। মোটকথা হাজার হাজার বছর ধরে চলমান নারীর প্রতি বৈষম্য দূরীকরণের আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টার ফসল হল ‘সিডও’ সনদ। অর্থাৎ ‘সিডও’ সনদের মূলনীতি হল উন্নয়ন কর্মকা-ে নারী যুগ যুগ ধরে যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে তার যথাযথ স্বীকৃতি দান। বলা যেতে পারে, মানুষের মৌলিক অধিকার ও মর্যাদার ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমতা বিধানের গুরুত্ব উপস্থাপন করা এবং নারীর অধিকারকে মানবাধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দানই হচ্ছে এই সনদের উদ্দেশ্য। রাজনৈতিক, সামাজিক, অর্থনৈতিক সকল ক্ষেত্রে নারী-পুরুষের সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার নিমিত্তে উক্ত সনদ ১৯৮১ সালের ৩ সেপ্টেম্বর থেকে বিশ্বব্যাপী কার্যকর হতে শুরু হয়। সেই থেকে ৩ সেপ্টেম্বর সিডও দিবস।

বাংলাদেশ ১৯৮৪ সালের ৬ ডিসেম্বর সিডও সনদে স্বাক্ষর করেছে। প্রকৃতপক্ষে বাংলাদেশের মতো দেশসমূহেই সিডওর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি কারণ এখানকার নারীরা সবচেয়ে বেশি অধিকারহীন। সনদে স্বাক্ষর করা মানেই নিজ দেশে ‘সিডও’ বাস্তবায়নে অঙ্গিকারাবদ্ধ হওয়া। কিন্তু দুঃখের বিষয় এই যে, স্বাক্ষরের ৩১ বছরেও সনদের গুরুত্বপূর্ণ ধারাসমূহ বাংলাদেশে বাস্তবায়ন হয়নি। ১৯৯৭ সালে প্রথম এশিয়ান হিসাবে বাংলাদেশের সালমা খান ‘সিডও’ এর চেয়ারপারসন নির্বাচিত হয়েছিলেন, যা ছিল বাংলাদেশের জন্য গর্বের একটা বিষয়। ইসমত জাহান নামে আর একজন বাংলাদেশী কূটনীতিক ২০১০ সালে ব্যাপক সমর্থনের মধ্য দিয়ে ‘সিডও’ এর সদস্য নির্বাচিত হয়ে যথারীতি দায়িত্ব পালন করেছেন। তাছাড়া ২০০৬ সালে ফেরদৌস আরা বেগমও ১৮৫টি সদস্য রাষ্ট্রের ১৪০টির সমর্থন পেয়ে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট ‘সিডও’ কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। কাজেই বলা যেতে পারে ‘সিডও’-তে বাংলাদেশ ভালমতোই প্রতিনিধিত্ব করে আসছে। আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে সালমা খান, ফেরদৌস আরা বেগম এবং ইসমত জাহান বাংলাদেশের মহিলাদের দুরবস্থার কথা কতটুকু উপস্থাপন করেছেন তা আমরা অনেকেই জানি না। তবে ‘সিডও’ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে সবারই অবগত থাকা উচিত। আশ্রিতা হয়ে, পরমুখাপেক্ষী হয়ে, বোঝা হয়ে, দুর্বিসহ যন্ত্রণা নিয়ে নারীকে এদেশে বেঁচে থাকতে হয় এহেন অবস্থার পরও এবং তিন দশকের অধিক পূর্বে থেকে জাতিসংঘের কাছে ওয়াদাবদ্ধ থাকার পরও সরকার ‘সিডও’ সনদের প্রধান দু‘টি ধারা ২নং ও ১৬(১) (গ)নং কেন বাস্তবায়ন করছে না তা বোধগম্য নয়। আমরা আশা করেছিলাম এবছর সিডও দিবসে হয়তো আশাব্যঞ্জক কোনো কথা সরকারের কাছ থেকে শুনবো, কিন্তু উক্ত প্রতিমন্ত্রির বক্তব্য আমাদের হতাশ করেছে এবং এদেশের ভাগ্যাহতা নারীর একটু আলোর মুখ দেখার আশা আবারো দূরাশায় পর্যবসিত হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সনদের ২নং ধারার বক্তব্য হচ্ছে “সংবিধান অথবা অন্য কোনো উপযুক্ত আইনে পুরুষ ও নারীর সমতার নীতি অন্তর্ভূক্ত না হয়ে থাকলে তা অন্তর্ভূক্ত করা এবং আইনের মাধ্যমে ও অন্যান্য উপযুক্ত উপায়ে এই নীতির বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা।” ১৬(১) নং ধারার (গ) উপধারার মূল বক্তব্য হলো ‘বিবাহের ক্ষেত্রে এবং বিচ্ছেদের ক্ষেত্রে নারী এবং পুরুষের একই দায়িত্ব এবং অধিকার থাকবে’। অর্থাৎ দুটি ধারাই সম্পূর্ণরূপে সমতার নীতি বহন করে এবং সেগুলি মানবিক,  যা আরো অনেক আগেই বাস্তবায়ন করা উচিত ছিল। লিঙ্গবৈষম্য মানেই অগণতন্ত্র। নারী-পুরুষের সমতা ব্যতিত বিশ্বের কোনো রাষ্ট্রই সমৃদ্ধি অর্জন করতে পারেনি, তা পরীক্ষিত। নারী শিক্ষার হার কিছুটা বেড়েছে বলেই যে বাংলাদেশ নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশের তালিকাভূক্ত হতে চলেছে, তাও পরীক্ষিত। তবে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক সবদিক দিয়ে নারী-পুরুষের পূর্ণসমতার কোনো বিকল্প নেই। এসব ধ্রুবসত্যকে পাশ কাটিয়ে সরকার ভোঁতা যুক্তি উপস্থাপন করার চেষ্টা করছে যা দেশকে পেছনের দিকে নিয়ে যাবে। সেই ১৯৯৬-৯৭ সালে সরকার যে অজুহাত দেখাতো আজও একই একই অজুহাত দেখাচ্ছে। সমাজ নাকি উপযুক্ত হয়নি। সমাজ কেন উপযুক্ত হয়নি, এর কি কোনো যৌক্তিক ব্যাখ্যা আছে? নেই। অথচ নারীর অধিকারহীনতার কারণে সৃষ্ট সমস্যার কথা সরকারের জানা উচিত। রাষ্ট্র যখন নারীকে ক্ষমতাহীন করে রাখবে তখন নারী অসহায় হয়ে থাকবে, তাই স্বাভাবিক। নারী তাই নির্যাতিত। নারীর প্রতি সহিংসতার খুব অল্পকিছুই পত্রিকা পর্যন্ত পৌঁছায় এবং মামলা পর্যন্ত গড়ায়। গত ২ সেপ্টেম্বর তারিখে প্রকাশিত একটি রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৫ সালের জানুয়ারী থেকে জুলাই পর্যন্ত সাতমাসে নথীভূক্ত নারী নির্যাতনের সংখ্যা ২ হাজার ৪৪৭টি। এরমধ্যে ধর্ষণের ঘটনা ৫৭৫টি এবং গণধর্ষণের শিকার হয়েছে ১১৪ জন নারী। ধর্ষণের পর হত্যা করা করা হয়েছে ৫১ জন নারীকে। যৌতুকের কারণে খুন হয়েছে ১১৬ জন নারী। অন্যান্য বিভিন্নকারণে হত্যা করা হয়েছে ৩৯৮ জন নারীকে। এসব অপরাধের জন্য ধর্ষক-খুনি-নির্যাতকরাই শুধু দায়ী নয়, লিঙ্গবৈষম্যমূলক পারিবারিক আইন চালু রেখে নারীকে ক্ষমতাহীন করে রাখার অপরাধ থেকে রাষ্ট্র দায় এড়াতে পারে না। ঘরে বা বাইরে প্রতিনিয়ত সহিংসতার ঝুঁকির মধ্যে থাকে বাংলাদেশের নারীরা। আর এই সহিংসতার অন্যতম কারণই হচ্ছে নারী ও পুরুষের মধ্যাকার ব্যাপক অসমতা এবং ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা। একই কারণে গোটা সমাজই নারীর বিপক্ষে তাই গ্রাম্য সালিশের নামেও নারীকে নির্যাতন করা হয়, ফতোয়া দেওয়া হয়। বাল্যবিবাহের হার এখানে বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ। বাংলাদেশ পুলিশের দেয়া রিপোর্ট অনুযায়ী এদেশে বছরে দশ হাজার অর্থাৎ প্রতিদিন আটাশ জন মানুষ আত্মহত্যা করে শুধুমাত্র গলায় রশি দিয়ে আর বিষপান করে। এসব আত্মহত্যার প্রায় সবই যে নারী তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বাংলাদেশের নারীরা আজও এভাবে নির্মম পারিবারিক সহিংসতার শিকার। ঢাকা মেডিক্যালের বার্ণ ইউনিটে সর্বদাই স্বামী কর্তৃক আগুনে পুড়ে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করে গৃহবধূ। গ্রামে পাটের ক্ষেতে, ভূট্টার ক্ষেতে বা ডোবা-নালায় ধর্ষিতা নারীর লাশ পাওয়া যাচ্ছে। বিষপান করে অথবা সিলিংফ্যানে ঝুলে নারীর আত্মহত্যার ঘটনা এদেশের এখন অত্যন্ত স্বাভাবিক। ৭০ ভাগ নারী এদেশে অপুষ্টি এবং রক্তস্বল্পতার শিকার। প্রসূতি মৃত্যুহার বছরে ২০ হাজার। যৌতুক নামক ভাইরাসে গোটা জাতি আক্রান্ত। নারী হয়ে জন্ম নেয়ার অপরাধে সারাজীবন তাদের নির্যাতিত হতে হয়, নিজের অধিকার এবং প্রাপ্য স্বাধীনতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। এমতাবস্থায়ও যদি সিডও বাস্তবায়নের জন্য সমাজ প্রস্তুত না হয় তবে আর কত হাজার নারীর জীবন যাওয়ার পর সমাজ প্রস্তুত হবে তা উক্ত মন্ত্রির কাছে জানতে চাই।

বাংলাদেশ জাতিসংঘের সক্রিয় সদস্য এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে কৃতিত্বপূর্ণ অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশের যথেষ্ট সুনাম রয়েছে, তথাপি সিডও চুক্তির বাস্তবায়ন করছে না বাংলাদেশ। সনদে স্বাক্ষরিত দেশ সমূহকে প্রতি চার বছর পর জাতিসংঘ সিডও কমিটির কাছে সনদ বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে রিপোর্ট পেশ করতে হয়। প্রতিবারই সিডও কমিটিতে উপস্থাপনের জন্য অনেক টাকা খরচ করে বাংলাদেশ উচ্চ পর্যায়ের প্রতিনিধি প্রেরণ করে। গত ৩১ বছরে বাংলাদেশ মোট ৮ বার জাতীয় সিডও রির্পোট দাখিল করেছে। প্রত্যেক রিপোর্টেই  সনদ বাস্তবায়নের আশ্বাস দেয়া হয়। সর্বশেষ রিপোর্ট দাখিল করেছে মাস চারেক আগে এবছরের মে মাসে। জানা গেছে উক্ত রিপোর্টে পূর্ণ সনদ বাস্তবায়নের আশ্বাস রয়েছে বটে তবে উল্লেখ করা হয়েছে, ধর্মীয় নেতারা একমত না হলে এটা করা কঠিন। এটি একটি হাস্যকর যুক্তি, যেন জুজুবুড়ির ভয়। বাল্যবিবাহের বিষয়েও উক্ত রিপোর্টে বাবা-মায়ের মানসিকতাকে দায়ী করা হয়েছে, এও আরেক ধরনের জুজুবুড়ির ভয়। এসব হচ্ছে অর্ধেক জনগোষ্ঠীর ভাগ্য নিয়ে তামাশা করা। এভাবে বার বার আশ্বাস দিয়েও সিডও এর গুরুত্বপূর্ণ দু‘টি ধারা বাস্তবায়ন না করার কারণে সিডও কমিটির সদস্যগণ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা সনদ বাস্তবায়নে বাংলাদেশের জন্য যে দুইটি ক্ষেত্রে বিশেষ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তা হল প্রথমতঃ সংবিধানে প্রদত্ত নারী-পুরুষের সমতাকে উপেক্ষা করে সরকারের পক্ষে এখনো বৈষম্যমূলক আইনসমূহকে বজায় রাখা ও সিডও সনদের ২নং ও ১৬(১) (গ)নং ধারার সংরক্ষণ বহাল রেখে বৈষম্যকে আরো জোরদারকরা এবং দ্বিতীয়তঃ আশঙ্কাজনক হারে নারীর প্রতি সহিংসতা বৃদ্ধি ও এর নিষ্ঠুরতম বহিঃপ্রকাশ যথা এসিড নিক্ষেপ, ফতোয়া, যৌতুক বলি এবং নারীপাচার রোধে সরকারের ব্যর্থতা। বাংলাদেশের সংবিধান সম্পূর্ণরূপে ‘সিডও’ সনদের সাথে সঙ্গতিপূর্ণ ও সহায়ক। সংবিধানের ২৭ নং অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে রাষ্ট্রের সব নাগরিক আইনের চোখে সমান। ‘নাগরিক’ বলতে এখানে নিশ্চয়ই পুরুষ বা মহিলাকে আলাদা করে বোঝানো হয়নি। তাছাড়া ২৮নং ও ২৯নং এর সব উপধারায়ও পরিস্কারভাবে নারী পুরুষের সমান অধিকারের বর্ণনা রয়েছে। সংবিধানের ২৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করিবেন’। কাজেই ‘সিডও’ বাস্তবায়নের কাজ আমাদের সাংবিধানিক দায়িত্বও বটে। সরকারের এখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত কুসংস্কার টিকিয়ে রেখে নারী নির্যাতন বাড়াবে, না-কি ‘সিডও’ এর পূর্ণ বাস্তবায়ন করে এবং সংবিধান অনুযায়ী নারী-পুরুষের সমতাভিত্তিক পারিবারিক আইন চালু করবে। এই মূহূর্তেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত একটি সভ্য জাতি হিসাবে আমরা গড়ে উঠব না কি কুসংস্কারের অন্ধকারে যুগ যুগ ধরে ডুবে থাকব। আইনের ক্ষেত্রে বিদ্যমান অসমতা ও নারীর প্রতি ক্রমবর্ধমান সহিংসতা শুধু নারী সমাজের প্রতি হুমকিস্বরূপ নয়, বাংলাদেশের জাতীয় অগ্রগতিতে বিরাট প্রতিবন্ধক। নারী ও পুরুষ একে অপরের পরিপূরক এবং অধিকারের ক্ষেত্রে কোনো তফাৎ নেই, এইরূপ দৃষ্টিভঙ্গির প্রতিষ্ঠা সমাজের সকল ক্ষেত্রে জরুরী। কাজেই একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে অবশ্যই ‘সিডও’ সনদের পূর্ণ বাস্তবায়নের মাধ্যমে উত্তরাধিকারে পুত্র ও কন্যার সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা করা এই মুহূর্তের জন্য অত্যন্ত জরুরী।

You Might Also Like