রাঙামাটিতে সেনা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত ৫

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে সেনা বাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সংঘর্ষে পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়েছেন। নিহতরা ইউপিডিএফ ও জনসংহতি সমিতির সশস্ত্র সদস্য বলে দাবি করেছে সেনা বাহিনী। তবে সংগঠন দুটি সেনা বাহিনীর এই দাবি অস্বীকার করেছে।

বাঘাইছড়ি রূপকারী ইউনিয়নের দোখাইয়া নামক এলাকায় শনিবার ভোরে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের একজনের নাম রুপায়ন চাকমা বলে জানা গেলেও তাৎক্ষণিকভাবে অন্যদের নাম জানা যায়নি।

সংঘর্ষে সেনা বাহিনীর এক সদস্য আহত হয়েছেন। তিনি হলেন- কর্পোরাল লিয়াকত আলী। তাকে হেলিকপ্টারে করে চট্টগ্রাম সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
সেনা বাহিনী জানায়, ঘটনাস্থল থেকে সাতটি অস্ত্র ও ৫১৩টি গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।

বাঘাইছড়ি থানার ওসি জাকির হোসেন ফকির জানান, সন্ত্রাসীদের গোপন একটি আস্তানার খবর পেয়ে ভোর ৫টার দিকে নিরাপত্তা বাহিনীর একটি দল বড়াদম এলাকায় অভিযানে যায়। এসময় আস্তানায় অবস্থানরত শান্তি চুক্তিবিরোধী ইউনাইটেড পিপলস ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের (ইউপিডিএফ) ও সংস্কারপন্থী হিসেবে পরিচিত জনসংহতি সমিতির (এমএন লারমা) সশস্ত্র সদস্যরা সেনা বাহিনীর সদস্যদের চারপাশ ঘিরে গুলি চালায়। তখন নিরাপত্তা বাহিনীও পাল্টা গুলি ছুড়ে। এতে ঘটনাস্থলে পাঁচ সন্ত্রাসী নিহত হয়। নিহতদের সকলের পরনে সেনাবাহিনীর ইউনিফর্ম ছিল।

ওসি জানান, সংঘর্ষস্থল থেকে তিনটি এসএলআর, দুটি চায়নিজ রাইফেল, ১টি এমএসজি, ১টি নাইন এমএম পিস্তল, ১৪টি ম্যাগজিন, ৫১৩টি গুলি ও কার্তুজ এবং সেনা বাহিনীর মতো পোশাক উদ্ধার করা হয়।

বাঘাইহাট সেনা জোনের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল আলী হায়দার সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এদিকে ইউপিডিএফের তথ্য বিভাগের প্রধান নিরন চাকমা বলেন, নিহত ব্যক্তিরা তাদের সদস্য নয় বলে দাবি করেন।

এদিকে জনসংহতি সমিতির তথ্য ও প্রচার সম্পাদক প্রশান্ত চাকমা জানিয়েছেন, তাদের কোনো সশস্ত্র সদস্য নেই। সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে নিহতরা তাদের সদস্য নয়।

You Might Also Like