দায়টা আওয়ামী লীগ নিক বঙ্গবন্ধু জাতির থাকুক

ক.

মায়ের গর্ভে গুলিবিদ্ধ শিশুটি এখন বাঁচার সংগ্রাম করছে। আমাদের সবার মনোযোগ শিশুটির বাঁচা-মরার লড়াইয়ের দিকে। মাঝে মধ্যে শিশুটির মায়ের আর্তি-আকুতিও আমাদের মনোযোগ আকর্ষণ করছে। কিন্তু আমরা বেমালুম ভুলে থাকছি এই নৃশংস ঘটনার জন্য যারা দায়ী তাদের ব্যাপারে। এতটা দায়হীন ভাব-সাব সৃষ্টিকর্তা ক্ষমা করবেন তো? মাঝে ঘূর্ণিঝড় ‘কোমেন’ আমাদের দৃষ্টি ফিরিয়ে দেয়। তারপর ছিটমহলবাসীর আনন্দে শরিক হতে গিয়ে সাফল্য-ব্যর্থতার খতিয়ান মেলানোর চেষ্টা করছি। ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে ‘শোকের মাস’। ১৫ আগস্টকে ঘিরে সরকার প্রশাসনযন্ত্র ও সরকারি দল নানা মাত্রায় মেতে উঠেছে। এটা চলবে মাসজুড়ে। সরকারি দল এ নিয়ে রাজনীতি করবে এককভাবে। এই শোকের আবহে অতীত নিয়ে কথা বলা বেসুরো মনে হয়। তারপরও একটি বড় ঘটনা নানাভাবে দেখাই নিয়ম।

৪০ বছরের মাথায় দাঁড়িয়ে আজ যতটা সরলভাবে আমরা শোক পালন করছি, ৩৯ বছর আগের পরিস্থিতি এতটা সহজ ছিল না। পরিস্থিতি ছিল গুমোট, অনিশ্চিত ও ঘোলাটে। দ্বিতীয় বিপ্লবের নামে বাকশাল ব্যবস্থা জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হয়নি। মিডিয়ার ওপর কালো হাত পড়েছিল। আজন্ম বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাসী বঙ্গবন্ধু নীতি পাল্টালেন। একদলীয় ব্যবস্থার নেতিবাচক উপসর্গগুলো নানাভাবে প্রকাশ পাচ্ছিল। সেই সময়কার পরিস্থিতি আজকের প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে মূল্যায়ন করা সম্ভব কিন্তু সব সত্য আড়ালে রেখে তা করলে জাতি দেখবে। আমলে নেবে না। একপক্ষীয় মূল্যায়নে সব কিছু ধোয়া তুলসী বানিয়ে দেয়া হলে ইতিহাসকে অবজ্ঞা, নয়তো অস্বীকার করা হবে; যা কোনোভাবেই ইতিহাস ক্ষমা করবে না। নিষ্ঠুর সত্যকেও ইতিহাস আড়ালে রাখে না।

১৯৭৫ সালের প্রেক্ষাপট মাথায় নিলে স্বাধীনতার পর তারুণ্যের স্বপ্নভঙ্গের দ্রোহটা বিবেচনায় নিতে হয়। ’৭৪-এর দুর্ভিক্ষ, চাটার দলের দৌরাত্ম্য, রক্ষীবাহিনীর বাড়াবাড়ি, রাজনৈতিক দমনপীড়ন, লাল ঘোড়া দাবড়ানো, চোরের খনি, বিচারবহির্ভূত হত্যা, বিশেষ ক্ষমতা আইন, সংবাদপত্র নিয়ন্ত্রণ, একদলীয় ব্যবস্থা, রুশ-ভারতকেন্দ্রিক একমুখো ও অদূরদর্শী পররাষ্ট্রনীতি সবই বিবেচনায় নিতে হয়। তাতে আজকের সাথে সামগ্রিক পরিস্থিতিকে তুলনামূলক বিবেচনার দাবিটিও বড় হয়ে আসে।

আজো আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় রয়েছে। তাদের দলীয় মূল্যায়নের বাইরেও একটি জাতীয় মূল্যায়ন থাকা স্বাভাবিক। ক্ষমতায় বসে ক্ষমতার নির্দেশে যা বলা হয় সেটা সবটুকু ইতিহাস হয় না, সেটা হয় ক্ষমতাবানদের বক্তব্য। যা বস্তুনিষ্ঠও হয় না, নির্মোহও হয় না। বঙ্গবন্ধু একটি অনাকাক্সিত ট্র্যাজেডির শিকার। এটা কতটা অনিবার্য ছিল, কতটা ছিল নাÑ সেটা আলাদা মূল্যায়নের বিষয়। দলীয় প্রচারণা, ক্ষমতাশ্রয়ী ইতিহাস চর্চা ও পক্ষপাতদুষ্ট মূল্যায়নের বাইরে বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে ভাবার জন্য প্রশস্ত জায়গা থাকা জরুরি। যেখানে দোষেগুণে একজন মানুষ ও রাজনীতিবিদ হিসেবে বঙ্গবন্ধুকে বাস্তবতার কাছাকাছি পাওয়া যাবে। আমরা বারবার স্মরণ করিয়ে দিয়েছি, বঙ্গবন্ধুকে দলীয় ভাঁজে রেখে মূল্যায়ন করলে তিনি শুধু আওয়ামী লীগ নেতা হয়ে উঠবেন। তার ছাত্রজীবনের রাজনীতি, পাকিস্তান আন্দোলনের লড়াকু যুবনেতার অবস্থান, পাকিস্তান কাঠামোর ভেতর স্বাধিকার ও স্বায়ত্তশাসন আন্দোলনের অধ্যায়গুলো গৌণ হয়ে যাবে।

আমরা বঙ্গবন্ধু, আওয়ামী লীগ ও বর্তমান সরকারকে এক বাটখারায় তুলে মাপতে যাবো না। আওয়ামী লীগ বঙ্গবন্ধুকে যত দিন দলীয় ব্যানারে মূল্যায়ন করবে তত দিন বঙ্গবন্ধু পুরো জাতির হয়ে উঠবেন না। যেকোনো নেতা তখনই জাতীয় হয়ে ওঠেন, যখন তিনি দলগত ও সময়ের গণ্ডি অতিক্রম করে পুরো জাতির অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। প্রায় ৭০ ভাগ জনগণ বর্তমান সরকারের আচরণ ও কর্মকাণ্ডে বিরক্ত। এই বিরক্তির দায় বঙ্গবন্ধুর ওপর বর্তানো হবে কেন! ’৭৫-এর ১৫ আগস্টের পর বঙ্গবন্ধু আর বাস্তবে নেই। আছেন মন-মননে। ইতিহাসের পাতায়। সেখানে আলোচনা-সমালোচনা সবই আছে। তার পরও তিনি জাতীয় হয়ে উঠবেন তার নিজস্বতা এবং জাতির একটি বিশেষ মুহূর্তের নায়কসুলভ গুণাবলির কারণে। আমরা তার সীমাবদ্ধতাগুলো আড়ালে রাখব, ভুলে যাবো না। রাজনীতি ও ক্ষমতা চর্চায় তার ভুলত্রুটিগুলো বিবেচনায় রাখব, উপস্থাপন করব না। একাডেমিক আলোচনায় তিনি নন্দিত-নিন্দিত উভয়ভাবে উপস্থাপিত হতে পারেন, কিন্তু জাতীয় নেতা হয়ে যখন প্রজন্মান্তরে উপস্থাপিত হবেন তখন তিনি এই জাতির স্থপতি ও বন্ধু হয়েই হাজির হবেন। যেকোনো জাতীয় নেতাকে ছোট বিবেচনা কিংবা অবমূল্যায়ন করলে জাতির ওপর থেকে বৃক্ষতুল্য মানুষগুলোর ছায়া সরে যায়। তা ছাড়া যেকোনো জাতীয় নেতাকে ছোট করা হলে জাতি হিসেবে আমরাও ছোট হয়ে যাই। তাই দেবত্ব আরোপ না করেও আমরা রক্তমাংসের একজন মানুষ বঙ্গবন্ধু ও একজন সাহসী নেতা হিসেবে মূল্যায়ন করতে কার্পণ্য করব কেন?

ঐতিহ্যগতভাবে আমরা মৃত বা পরলোকগত কোনো জাতীয় নেতার দোষত্রুটি বলে বেড়াই না। তাদের গুণগুলো এবং ইতিবাচক দিকটি সামনে এনে অনুপ্রাণিত হই। তাদের এমন এক স্থানে বসাই, যেখানে তিনি শুধু অনুপ্রেরণা হয়ে ওঠেন। আবার গবেষণা ও মূল্যায়নের জায়গায় সাফল্য-ব্যর্থতাসহ তিনি সামগ্রিক হয়ে উঠে আসেন। এটাই আলোচিত মানুষ, মহামানব ও অনুসরণীয় ব্যক্তিদের জন্য প্রযোজ্য। এ কারণেই তারা ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠেন।

অল্প ক’দিন আগে ভারতীয় পত্রিকায় পড়লাম গান্ধীজীর নানা দুর্বলতার কাহিনী। ভারতীয়রা সেই কাহিনী পড়েছে, কিন্তু তাদের মনমন্দিরের বাপুজি আলাদা। আমরা সব জাতীয় নেতার জন্য এমন একটা স্থান নির্ধারণ করার পক্ষে, যেখানে তার একটা অবিতর্কিত ভাবমর্যাদা সামনে থাকবে। আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতির রূপকার ও স্বাধীনতার অন্যতম প্রেরণা মরহুম আবুল মনসুর আহমদ মি. জিন্না বলতেন না, কায়েদে আযম বলতেন। একইভাবে বঙ্গবন্ধুকে তিনি বঙ্গবন্ধুই বলতেন। তার বক্তব্য ছিলÑ যার যা প্রাপ্য তাই দেয়া উচিত। রাজনীতির কারণে সম্মান ও সম্ভ্রমবোধ হারানো তিনি পছন্দ করতেন না।

বঙ্গবন্ধুর অসমাপ্ত আত্মজীবনী পড়ার সময় বারবার মনে হয়েছে, আওয়ামী লীগ নিজেদের অজান্তেই ইতিহাসের সাথে একটা মেলবন্ধন তৈরি করে দিলো, যা বাস্তবে ও রাজনীতির স্বার্থে তারা করতে নারাজ। বঙ্গবন্ধু ব্রিটিশবিরোধী ও পাকিস্তান আন্দোলনেরও যুবনেতা ছিলেন, এটা আওয়ামী লীগ বলতে চায় না কেন! তারুণ্য থেকে যৌবন সবক্ষেত্রে বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক অবস্থান দৃঢ় এবং ইতিহাসের ধারাবাহিকতার অংশ। সেটাকে বৃন্তচ্যুত করলে বঙ্গবন্ধুকে কার্যত ইতিহাস থেকে আড়াল করা হয়। মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠা চাপা পড়ে যায়।

কোনো জাতীয় নেতা কেউ কারো প্রতিদ্বন্দ্বী নন। প্রতিপক্ষ নন। সবার মূল্যায়নও একই সমতলে হয় না। তাই বলে কাউকে বড় করার জন্য অন্যকে ছোট করা সমীচীন নয়। প্রত্যেকের প্রাপ্য মর্যাদা ও স্থান ইতিহাস নির্ণয় করে দেয়। তা ছাড়া জাতীয় নেতাদের সমালোচনা ও নিন্দার বিষবাণে জর্জরিত করে দিলে জাতিরই ক্ষতি। এই ক্ষতি জাতীয় ঐক্যকে দৃঢ় এবং মজবুত হতে দেয় না।

শেরেবাংলা যখন কৃষক প্রজা পার্টির নেতা নন, তখনই জাতীয় নেতা। সোহরাওয়ার্দী যখন আওয়ামী মুসলিম লীগের নেতা থাকেন তখন আমাদের কোনো আগ্রহ থাকে না। মওলানা ভাসানী ন্যাপ নেতা হিসেবে চিহ্নিত হলে আমাদের আগ্রহের মাত্রা শুধু কমিয়ে দেয় না, আসল মওলানা ভাসানী আমাদের সামনে এসে দাঁড়ান না। লুঙ্গি ও সফেদ পাঞ্জাবি পরা শ্মশ্রুমণ্ডিত তর্জনি তোলা, খামোশ বলা মানুষটি আড়ালে চলে যান। আওয়ামী লীগ স্বত্ব ত্যাগ করলেই বঙ্গবন্ধুর প্রকৃত ভাবমর্যাদা বাস্তবে ছোঁয়া সম্ভব। নয়তো দুঃশাসন, অপশাসন আর নৈরাজ্যজনক পরিস্থিতির জন্য আওয়ামী লীগের পূর্বাপর সরকারের সাথে বঙ্গবন্ধুকেও গুলিয়ে ফেলা সম্ভব। সেটা না চাইলে দলীয় বিচ্যুতি ও বর্তমানের নেতিবাচক রাজনীতির দায়টা আওয়ামী লীগ নিক, বঙ্গবন্ধু জাতির হয়ে থাকুক।

খ.

১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের মাধ্যমে আজকের বাংলাদেশের সাধারণ অবয়ব দাঁড়ায়। ঢাকা পূর্ব বাংলার রাজধানী হিসেবে নতুন মর্যাদায় গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৪৭ সালে বিভাগোত্তর মানচিত্রের নতুন অবয়ব গড়ে ওঠে। পূর্ব বাংলা পূর্ব পাকিস্তান হিসেবে পাকিস্তান কাঠামোর অংশ হিসেবে নতুন পরিচিতি পায়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে পূর্ব পাকিস্তানÑ তথা পূর্ব বাংলা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের অস্তিত্ব লাভ করে। অল্প কিছু নৃগোষ্ঠী ছাড়া নৃতাত্ত্বিকভাবে বাংলাদেশের প্রায় ৯৮ শতাংশ মানুষ বাঙালি। এক রাষ্ট্র এক ভাষা ও প্রায় একক নৃগোষ্ঠীর জাতিসত্তা হিসেবে বাংলাদেশের একটি আলাদা বৈশিষ্ট্য ও পরিচিতি রয়েছে। এই পরিচিতিকে আরো বাঙ্ময় ও স্পষ্ট করেছে এ জনপদটি সংখ্যাগরিষ্ঠ বাঙালি মুসলমানের বসবাসের স্থান হিসেবে। তবে আমরা এখন জাতি রাষ্ট্রের ধারণায় সবাই বাংলাদেশী। যার ভেতর আমাদের জাতীয় পরিচয় বিধৃত হয়েছে। ১৯০৫ সালে নবাব স্যার সলিমুল্লাহর দাবি অনুযায়ী, পূর্ব বাংলা আলাদা প্রদেশের মর্যাদা পায়। সেটা ছিল কলকাতাকেন্দ্রিক বাবু আঁতেল ও রাজনীতিবিদদের অতিরিক্ত প্রভাবলয় থেকে কৃষি ও কৃষকসমৃদ্ধ পূর্ব বাংলার হতদরিদ্র বাঙালি মুসলমানদের ভাগ্যোন্নয়নের একটি প্রয়াস। ১৯১১ সালে বাবু সংস্কৃতির ধারক ও ইংরেজদের একচোখা নীতির কারণে বঙ্গবিভাগ রদ করা হয়। যদিও এটা ছিল প্রশাসনিক ভাগবিন্যাস, কিন্তু এর ভেতর ঢাকাকেন্দ্রিক বাঙালি মুসলমানের ভাগ্যোন্নয়নের প্রশ্নটি কম গৌণ ছিল না। তখন থেকে বাঙালি মুসলিম নেতারা ঢাকাকেন্দ্রিক একটি অসাম্প্রদায়িক কিন্তু মুসলিমপ্রধান এলাকার মর্যাদা উন্নয়নে আন্তরিক থেকেছেন। ঢাকার নবাব পরিবারের উদ্যোগ ছিল অগ্রগণ্য। সাথে ছিলেন পূর্ব বাংলার সব বনেদি নেতারা। শেরেবাংলা, সোহরাওয়ার্দী, মওলানা ভাসানী, বঙ্গবন্ধুসহ অসংখ্য নেতা ছিলেন এই বাংলার জন্য উৎসর্গীকৃত প্রাণ। এরা কেউ ছিলেন লাহোর প্রস্তাবের প্রাণপুরুষ, যার মাধ্যমে পাকিস্তান অস্তিত্ব পায়। এরাই ছিলেন পাকিস্তান আন্দোলনের সংগঠক। এরাই পূর্ব বাংলাকে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্তির রূপকার হয়ে ভূমিকা নিয়েছেন।

স্বপ্নভঙ্গের প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানি শাসকদের শোষণ-বঞ্চনার প্রতিবাদে ভাষা আন্দোলন, স্বাধিকার আন্দোলন হয়ে আমরা ১৯৭১-এ পৌঁছে যাই। বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠেন পূর্ব বাংলা তথা বাঙালি মুসলমানদের অবিসংবাদিত নেতা; যিনি এক সময় ছিলেন গণতন্ত্রের জন্য উৎসর্গীত প্রাণ আইয়ুবী স্বৈর ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে সাহসী কণ্ঠ। ইয়াহিয়ার জুলুমের মোকাবেলায় লড়াকু মানুষ। অধিকার আদায়ের আপসহীন নেত। যার চরিত্রে ছিল বাঙালি মুসলমানের সব বৈশিষ্ট্য; যিনি ছিলেন ধর্মপ্রাণ ও অসাম্প্রদায়িক। ইতিহাসে আজকের শাসকেরা উপেক্ষিত হবেন, কেউ কেউ খলনায়কের কাতারে চলে যাবেন; কিন্তু শাসক বঙ্গবন্ধু সাফল্য-ব্যর্থতার মানদণ্ডে মূল্যায়িত হয়ে নেতা বঙ্গবন্ধু বাঙালি মুসলমানের একটি ক্রান্তিকালের অনুঘটক ও স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতির জায়গায় টিকে থাকবেন। নানাভাবে মূল্যায়িত হবেন যুগ যুগ ধরে।

masud2151@gmail.com

You Might Also Like