ফারুক আহমেদ

question-paper-leaks যে কোন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস এখন এক সাধারণ ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। এমন পরীক্ষা বর্তমানে অনুষ্ঠিত হতে কমই দেখা যায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ ওঠে না। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সরকারী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রশ্নপত্র ফাঁসের এসব ঘটনাকে অস্বীকার করলেও একে আড়াল করা সম্ভব হয় না। বরং অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি কর্তৃপক্ষের এর বিপরীতে যুক্তি দ্বারা ঘটনার সত্যতাই গণমানুষের কাছে পরিষ্কার হয়। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা এখন এমনই এক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে যে,প্রাথমিক স্তর থেকে শুরু করে উচ্চ শিক্ষা পর্যন্ত সর্বস্তরে এই ব্যাধির বিস্তার। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা এবং জুনিয়ার সমাপনী পরীক্ষার মত পরীক্ষায়ও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠেছে এবং কর্মকর্তাদের ব্যাখ্যায় তা জনমনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠলে দায়ীত্বশীল মন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল যে,প্রশ্নপত্র ফাঁস নাকি হয় নাই বরং যেটা ঘটেছে তা হলো অভিজ্ঞ শিক্ষকদের সাজেশন কমন পড়েছে! ‘অভিজ্ঞ শিক্ষক’, ‘ভাল শিক্ষক’র সাথে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র কমনকে যে মন্ত্রী এক করেন তিনি আবার শিক্ষামন্ত্রী!!এরাই আবার প্রশ্নপত্র যাতে কমন না পড়ে সে জন্য এবং “মূখস্তবিদ্যা”র বিরূদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ‘সৃজনশীল’ নামক ‌এক উদ্ভট ধরণের প্রশ্ন প্রণয়নের ব্যবস্থা করেছেন!!!সেসব ভুলে গিয়ে প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে ‘মহান’শিক্ষকদের ‘অভিজ্ঞতা’র দায় দিচ্ছেন!!!!

কোন ঘটনা যখন সাধারণ হয়ে দাঁড়ায় তখন তাকে আর হঠাৎ ঘটা ঘটনা বা দুর্ঘটনা বলা যায় না। তার এক সাধারণ কারণ থাকে এবং ভিত্তিভূমি থাকে। একসময় পরীক্ষায় নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁস সামাজিকভাবে নিন্দনীয় এক ব্যাপার ছিল। শিক্ষার্থীর পিতা-মাতা বা অভিভাবকের কাছেও তা নিন্দনীয় ছিল। তাঁরা আন্তরিকভাবেই এর বিপক্ষে ছিলেন। শিক্ষকদের কাছে তা ছিল “পাপ” তুল্য ব্যাপার। নকল বা প্রশ্নপত্র ফাঁসের সাথে শিক্ষক বা অভিভাবকের যুক্ত থাকা ছিল প্রায় অসম্ভব। এখন যেমন পিএসসি এবং জেএসসির মত প্রাথমিক স্তরের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার সাথে শিক্ষার্থীর জড়িত থাকবার সম্ভাবনা প্রায় অসম্ভব। এর সাথে যে শিক্ষক এবং অভিভাবক পর্যায়ের লোকেরা জড়িত থাকছেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাহলে প্রশ্ন হলো সরকার শিক্ষার কি সংষ্কৃতি তৈরী করেছে যে, তার মধ্যে শিক্ষা বলে কিছুই নেই?শিক্ষা বলে যদি কিছু থাকতো তা হলে অভিভাবকেরা নিজের শিশু সন্তানের জন্য এমন হলাহলের সন্ধান করতেন না। কিন্তু তাঁরা সেই হলাহলের সন্ধানই শুধু করছেন না, সে হলাহল নিজ শিশুর মুখে তুলেও দিচ্ছেন। দিচ্ছেন এই কারণে যে তাকে তাঁরা হলাহল মনে করছেন না। কারণ বিষ বা হলাহল এক আপেক্ষিক ব্যাপার। সার্টিফিকেট সর্বস্ব শিক্ষায় যেনতেন উপায়ে তা হাসিল করাকে কেউ হলাহল পান করা মনে করেন না।

শিক্ষা যে কতখানি সার্টিফিকেট সর্বস্ব হয়ে পড়েছে তার প্রমাণ অন্যকোনখানে খুঁজবার প্রয়োজন নেই। প্রাথমিক স্তরে দুটি পাবলিক পরীক্ষার অন্তর্ভুক্তিই এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ দিচ্ছে। পৃথিবীর কোন্ দেশে এই স্তরে পাবলিক পরীক্ষার মত পরীক্ষা আছে? একদিকে শিক্ষাকে প্রাথমিক স্তর থেকেই কর্পোরেট বাণিজ্যের অধিনস্ত করা অপরদিকে শিক্ষা নামক যে সামান্য অবশেষটুকু ছিল তাকে তুলে নিয়ে সম্পূর্ণরূপে বাগাড়ম্বরে ঢেকে দিতেই এই স্তরে এমন পাবলিক পরীক্ষার আয়োজন। শিক্ষা বলে যেহেতু কিছু নেই এবং একমাত্র লাভের বিষয় হলো সার্টিফিকেট, তাই যে কোন উপায়ে তা হাসিলের জন্য তৎপর হওয়া খুবই স্বাভাবিক। এখন সর্বস্তরে সেই তৎপরতাই দেখা যাচ্ছে।

স্বৈরশাসক এরশাদ গ্রামাঞ্চলে তার প্রভাব তৈরী করার জন্য সেখানকার কিছু প্রভাবশালী লোকদের অন্যায় সুযোগ-সুবিধা সৃষ্টি করে দেওয়ার নানা উদ্যোগ-আয়োজন করেছিল। এই উদ্যোগের এক বড় অংশ ছিল শিক্ষা নিয়ে নীতিহীন কর্মকান্ডের আয়োজন। গ্রামের স্কুল এবং কলেজগুলোতে অবাধ নকলের এক বিরাট সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হয়েছিল। শহরাঞ্চলের বিরাট সংখ্যক শিক্ষার্থী গ্রামের এসব স্কুল –কলেজ থেকে রেজিস্ট্রেশন করে সেখানকার ছাত্র বনে যেত। পড়ালেখার সাথে সম্পর্কহীন থেকে শুধুমাত্র নকলের জোরে তারা সার্টিফিকেট হাসিলের সুযোগ পেত। এর মাধ্যমে এরশাদের স্বৈর সরকার এসব স্কূল –কলেজের সাথে সম্পর্কিত লোকদের বিশাল অংকের টাকা এমন অবৈধ পথে কামাবার বিরাট এক সুযোগ সৃষ্টি করে দিয়েছিল। এর ফলে গ্রামাঞ্চলের শিক্ষা বঞ্চিত মানুষদের মাঝে শিক্ষা সম্পর্কে এক বিরূপ ধারণা এবং সংষ্কৃতি যেমন তৈরী হয়েছিল তেমনি সার্টিফিকেটধারী শিক্ষাহীন উপাদানের সংখ্যা সমাজে বৃদ্ধি পাচ্ছিল। যে কোন অগণতান্ত্রিক, স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিস্ট শাসন ধরে রাখার জন্য এ ধরণের ফাটকাবাজি সার্টিফিকেটধারী শিক্ষাহীন উপাদান খুবই উপযোগী এবং সহায়ক ভুমিকা পালন করে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়সহ উচ্চশিক্ষার জায়গাগুলো সেসময় পর্যন্ত ব্যাপকভাবে কলুষিত না হওয়ার কারণে প্রলোভিত হওয়া এসব সার্টিফিকেটধারীদের অধিকাংশের শিক্ষা বড়জোর কলেজ পর্যায়েই এইসএসসি পাশের পরই শেষ হয়ে যেত। তখনও পর্যন্ত একটা ধারণা বজায় ছিল উচ্চ শিক্ষা গ্রহন করতে হলে শিখতে হবে। তাই গ্রামাঞ্চলে এমন নকলের সুযোগ সৃষ্টি করে দেওয়া হলেও শহরাঞ্চলে পরীক্ষায় নকলের সংষ্কৃতি তখন্ও ছিল না। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাও তখন শোনা যেত না। এখনকার পরিপ্রেক্ষিতে যেটা বলা যায় তা হলো এসব সময় গ্রামাঞ্চলসহ শহরাঞ্চলেরও কিছু কিছু স্কুল-কলেজে যে নকল চলত সেখানে সুযোগ করে দেওয়া ছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক কোন পরিকল্পনা থাকত না। সে কারণে এসব নকলে খুবই বিশৃঙ্খলা হতো এবং বাইরে থেকে বুঝা যেত।

এখন কোন কিছুই বাইরে থেকে বুঝবার কোন উপায় নেই। যা ঘটবার তা প্রাতিষ্ঠানিক পরিকল্পনার মাধ্যমেই ঘটে থাকে। বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর কেন্দ্র যে সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ে সেখানে এসব প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বিপুল পরিমাণ টাকা ঢালার বিষয় এখন শিক্ষার্থীদের মুখে মুখে ফিরছে। এর কারণ হলো আগে বোর্ডে শিক্ষার্থীরা স্ট্যান্ড করত এখন শিক্ষার্থী নয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্ট্যান্ড করে। পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্টের পর্ পরই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ১ম, ২য়, ৩য় ইত্যাদি তালিকা প্রকাশ করা হয়। বাণিজ্যিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য এ এক মস্ত বড় বিজ্ঞাপন। কোটি টাকা খরচ করেও যে বিজ্ঞাপন সম্ভব নয় এই তালিকায় নাম তুলতে পারলেই তা দ্বারা সেই কাজ হয়। শিক্ষার্থীদের শিক্ষাদানের মাধ্যমে রেজাল্ট করিয়ে এই তালিকায় নাম উঠানো কঠিন। সে কারণে তাদেরকে অন্য নানা উপায় খুঁজতে হয়। দেশে বহু পুরাতন এবং ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থাকা সত্বেও বিগত কয়েক বছর দেখা যাচ্ছে সদ্য প্রতিষ্ঠিত বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলো এই তালিকার শীর্ষে থাকছে। এখানে বলা দরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন নামের তালিকা প্রকাশ সাম্প্রতিক সংযোজন, আগে এমন নামের তালিকা প্রকাশ করা হতো না। বিভিন্ন শিক্ষকদের নিকট থেকে তথ্য পাওয়া যায় এমন সব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের সাজেশন সমাধান করার জন্য পরীক্ষার আগের দিন তাদের কাছে যায় এবং পরে সেগুলো হুবহু পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে দেখা যায়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এমন স্ট্যান্ড করানোর পদ্ধতি চালু করার মাধ্যমে শিক্ষাক্ষেত্রে নকল এবং প্রশ্নপত্র ফাঁসের মত ঘটনা শিক্ষার্থীর পর্যায় থেকে এখন প্রাতিষ্ঠানিক পর্যায়ে উন্নীত করা হয়েছে! যে কারণে এ ধরণের ঘটনাও পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হিসেবে চিহ্নিত হয় না। এ এক সাধারণ ব্যাপার। সরকারি কর্তৃপক্ষ প্রশ্নপত্র ফাঁস বলতে শুধু তাদের ছাপানো প্রশ্নপত্রফাঁসকেই গ্রহন করতে হয়তোবা রাজি হবে।

২০১৪ সালের এইস.এস.সি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শুরু থেকেই পরীক্ষার আগের দিনগুলোতে লাইব্রেরী, ফটোকপির দোকানগুলোতে শিক্ষার্থীদের ভীড় দেখা গেছে। সাজেশনের নামে বিভিন্ন জায়গা থেকে প্রাপ্ত প্রশ্নপত্র সেসব জায়গায় পাওয়া যাওয়ার কথা শিক্ষার্থীরা জানিয়েছে। এছাড়াও মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে প্রশ্ন সরবরাহ করা চলছে। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে জানা যায় পরীক্ষায় এসব প্রশ্ন হুবহু কমন পাওয়া গেছে। প্রতিটি পরীক্ষায়ই এসব চললেও ঢাকা বোর্ডের ইংরেজী দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষা স্থগিত করে অন্য তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। সবগুলো পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা নানাভাবে ঘটার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও এই একটি পরীক্ষা স্থগিত করার কারণ বুঝতে কারো অসুবিধা হওয়ার কথা নয়। এর মধ্যদিয়ে শিক্ষামন্ত্রণালয়ের দিক থেকে বলা সম্ভব হবে যে, তারা সামান্য অভিযোগ যেটার ক্ষেত্রে পেয়েছিল সেটা স্থগিত করেছে! অর্থাৎ এর মধ্যদিয়ে অন্যগুলোর ফাঁসের ঘটনা আড়াল করার এক উপায় হিসেবে তারা দেখবেন।

বিগত আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে শিক্ষানীতি প্রণয়ন এবং তা কার্যকরের নামে যে উদ্যোগ-আয়োজন করা হয়েছে তাতে আগে থেকেই দুর্বল এবং মৃতপ্রায় শিক্ষাব্যবস্থার মধ্যে চরম এক বিশৃঙ্খলা এবং নৈরাজ্যিক অবস্থা তৈরী হয়েছে। আবর্জনাতূল্য এবং বিশৃঙ্খল পাঠ্যক্রমই বলে দেয় পরীক্ষার সনদ ছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্য থেকে সাধারণভাবে শিক্ষার্থীদের পাওয়ার তেমন কিছু নেই। এই আবর্জনাতুল্য এবং বিশৃঙ্খল পাঠ্যক্রম দেখলেই মনে হয় শুধুমাত্র কাউকে কাউকে অনৈতিক বাণিজ্যিক সুবিধা করে দেওয়ার জন্যই এমনটি করা সম্ভব। এর মধ্যে শিক্ষার কোন পরিকল্পনার ছাপ নেই। হেরফের থাকলেও সারা পৃথিবীতেই অনেক ক্ষেত্রেই পাঠ্যক্রমের এক অভিন্নতা থাকে। এবার পাঠ্যক্রম পরিবর্তনের আগে পর্যন্ত এখানেও অনেক ক্ষেত্রেই তা অভিন্ন ছিল। এখন সম্পূর্ণরূপেই তা বদলে এমনকি অধ্যায়গুলোর এমন সব নাম দেওয়া হয়েছে যা পৃথিবীর আর কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না। এ এক নৈরাজ্যিক পরিস্থিতি। পাঠ্যক্রমের মধ্যেই শুধু নৈরাজ্যিক পরিস্থিতি তা নয়। নির্বিচারে ব্যাপকহারে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় খোলার অনুমোতি দেওয়া হয়েছে। এসবকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান না বলে উচ্চশিক্ষার বৈধ সার্টিফিকেট প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বলা যায়। কাজেই এখন শিক্ষাহীন থেকও যেন তেন প্রকারে উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট হাসিল করলেই উচ্চশিক্ষাক্ষেত্রেও বৈধ সার্টিফিকেট পেতে বাধা নেই। শুধুমাত্র টাকা হলেই সেটা সম্ভব। কাজেই শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বলতে গেলেও এখন হোঁচট খেতে হয়। কারণ বাণিজ্যিকীকরণের মধ্যদিয়ে যা ফেরি করা হচ্ছে তা আসলে শিক্ষাও নয়! শিক্ষা হলে অন্ততঃ একটি লাভতো হতো। এখন যেটা হচ্ছে তা হলো সার্টিফিকেট বাণিজ্যিকীকরণ। শিক্ষা বাণিজ্যিকীকরণ হলে তার মধ্যে প্রশ্নপত্র ফাঁসের মত ঘটনা ঘটত না। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও শিক্ষার পরিবেশ দারুণভাবে হুমকির সন্মুখিন হয়েছে। শুধু যে সন্ত্রাস তাই নয়। শিক্ষকদের নীতিহীনতা, আদর্শিক বিচ্যুতি,দলবাজী এবং অর্থসংশ্লিষ্ঠ নানা কাজের সাথে নীতিহীনভাবে জড়িত থাকায় উচ্চশিক্ষার মান পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েও দারূনভাবে নেমে গেছে। অভিযোগ পাওয়া যায় পিএইচডি করছে এমন শিক্ষার্থীকেও শিক্ষক মহোদয় সাজেশন (!) নেওয়ার জন্য ডাকেন। শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে এমনসব পরিস্থিতি যতদিন থাকবে ততদিন প্রশ্নপত্র ফাঁস অনিবার্য কারণেই ঘটতে থাকবে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের ধরণ বদলাতে পারে এর মধ্যে শৃঙ্খলা আসতে পারে যাতে নজর এড়াবে, কিন্তু ফাঁস বন্ধ হবে না। প্রশ্নপত্র ফাঁস এ শিক্ষা ব্যবস্থার অনিবার্য পরিণতি।।

১২/৪/১৪

You Might Also Like