আণবিক বোমা তৈরি করেছিল হিটলার

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের খলনায়ক এডলফ হিটলারের আয়ত্তে আণবিক বোমা ছিল। শত্রু নিধনে তিনি আণবিক বোমা তৈরি করিয়েছিলেন! বোমা উড়িয়ে নিয়ে বিস্ফোরণের জন্য তৈরি করা হয়েছিল ‘ফ্লাইং সোসার’ (উড়ন্ত চাকতি)। চাকতিতে বহনকারী বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়েছিল রাশিয়ার যুদ্ধবন্দিদের ওপর।

এমন দাবি করা হয়েছে জার্মানির একটি প্রামাণ্যচিত্রে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের শেষ দিকে হিটলারের নাৎসি বাহিনী আণবিক বোমা তৈরির একেবারে চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল। তবে তা ব্যবহারের জন্য পুরোপুরি প্রস্তুত ছিল না। সব প্রস্তুতি শেষ করার আগেই জাপানের হিরোশিমায় আণবিক বোমা ফেলে যুক্তরাষ্ট্র। এর ফলে হিটলারের আণবিক বোমা নিক্ষেপের পরিকল্পনা ভেস্তে যায়।

ডেইলি মেইল অনলাইনের এক খবরে বৃহস্পতিবার এ তথ্য জানানো হয়েছে।

‘হিটলারের অ্যাটোম বোমার সন্ধানে’ শীর্ষক প্রামাণ্যচিত্রটি জার্মানির জেডিএফ টিভি চ্যানেলে দেখানো হয়। রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের কাছে থাকা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের নথিপত্র ঘেঁটে প্রামাণ্যচিত্রে এমন সিদ্ধান্তে আসা হয়েছে।

নাৎসিপন্থি বিজ্ঞানী, প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি তুলে ধরা হয়েছে এই প্রামাণ্যচিত্রে।

ইতিহাসবিদ মাতিয়াহ উহল দাবি করেছেন, যুদ্ধের শেষ বছরে (১৯৪৪-১৯৪৫) জার্মানির নাৎসি বাহিনী আণবিক বোমা তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল।

নাৎসি বাহিনীর জেনারেল হানস কামলারের ওপর প্রামাণ্যচিত্রে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বলা হয়ে থাকে, পূর্ব জার্মানির থুরিংজিয়ার অন্তর্গত জোনাস ভ্যালিতে নাৎসি বাহিনীর মহাকাশ ও আনবিক গবেষণাগারের দায়িত্বে ছিলেন জেনারেল কামলার। তার অধীনে ১ লাখ ৭৫ হাজার বন্দি ছিল, যাদের দিয়ে তিনি অস্ত্র তৈরির কাজ করাতেন।

জেডিএফ চ্যানেলে রাশিয়ার গোয়েন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, হিটালারের অধীনে দুটি আণবিক বোমার পরীক্ষা চলানো হয়েছিল থুরিংজিয়ায়। এগুলো তৈরি হয়েছিল জোনাস ভ্যালিতে।

You Might Also Like