‘অসভ্য’ হাত এড়াতে বাড়তি নিরাপত্তা নাগমার

ভোটের প্রচারে বাড়ছে মাত্রাতিরিক্ত ভিড়। আর তারই সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হচ্ছে চোর-কেপমারের দল। তাই প্রচার অভিযানে এবার অতিরিক্ত পুলিশি নিরাপত্তা দাবি করলেন মিরাটের কংগ্রেস প্রার্থী তথা দক্ষিণের সুপারস্টার নাগমা।

সম্প্রতি এক সাক্ষাত্কারে তিনি জানিয়েছেন, “আমার অতিরিক্ত নিরাপত্তা প্রয়োজন। এখানে ভিড়ের চাপে নানা অসুবিধা হচ্ছে। আমার ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষীরা আমার খেয়াল রাখছেন। কিন্তু সেটাই সব নয়।ইতিমধ্যেই পকেটমারি ও মোবাইল চুরির মতো বেশ কিছু অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে।তাই বিশেষ নিরাপত্তা দিতে পুলিশের সাহায্য দরকার।”

সম্প্রতি মিরাটে এক জনসভায় এক যুবক তার খুব কাছাকাছি আসার চেষ্টা করায় বিরক্ত অভিনেত্রী তাকে চড় মারতে বাধ্য। হন। সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে নাগমা বলেন, “এ সবই আমার প্রচার ভণ্ডুল করতে বিরোধীদের কৌশল। কথা প্রসঙ্গে তিনি জানান, “যে এলাকায় সভা চলছিল, সেখানে দিনে-দুপুরেই আইন ব্যবস্থা লাটে ওঠে।তার উপর ওই অঞ্চল আমার বিরোধী প্রার্থীর নিজস্ব ঘাঁটি বলে পরিচিত। কে বলতে পারে, সভা বানচাল করার ফন্দি নিয়েই হাঙ্গামা বাধানো হয়নি?”

স্থানীয় কংগ্রেস নেতা-কর্মীরা তাকে এ ব্যাপারে সাহায্য করছেন না? নাগমা সাফ জানান, “আপাতত আমি মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করছি। কে সাহায্য করলেন আর কে করলেন না, তা ভাবার সময় নেই।” এই কেন্দ্রের তিনি বহিরাগত প্রার্থী, এমন প্রচার ইতিমধ্যেই শুরু করেছে বিরোধী শিবির। নায়িকার জবাব, “আমি যদি মিরাট বহিরাগত হই, তা হলে বারাণসীতে নরেন্দ্র মোদীও তাই।গান্ধীনগরে লালকৃষ্ণ আডবানি আর বিদিশায় সুষমা স্বরাজও তা হলে বহিরাগত।” তার যুক্তি, “মানুষ বোঝে কাজ। এনডিএ কোনও কাজ করেনি।”

মিরাটে নাগমার প্রতিদ্বন্দ্বী মূলত বিজেপির রাজেন্দ্র আগরওয়াল ও সমাজবাদী পার্টির শাহিদ মঞ্জুর। ভোটে জিতলে মিরাটর দীর্ঘমেয়াদী বিচারব্যবস্থা সচল করা ও ক্রীড়া ব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন আনাই তার লক্ষ্য, জানিয়েছেন নাগমা। – ওয়েবসাইট।

You Might Also Like