ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে ১০ পুলিশ সদস্য বরখাস্ত

পুলিশের কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের ঘটনা ফাঁস হওয়ায় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১০ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

পদোন্নতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কোটি টাকা ঘুষ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে এসব পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে।

এ সংক্রান্ত আদেশ ২৭ জুন ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টার থেকে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ সদর দপ্তরে এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, সাময়িক বরখাস্তের তালিকায় রয়েছেন- রিজার্ভ অফিসের সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) আনিসুজ্জামান, এএসআই মনির হোসেন (বিএমপি নম্বর ৯০), নায়েক মো. কবির হোসেন (বিএমপি নম্বর ৩৩৫), ড্রাইভার শহীদুল ইসলাম (কং নং ৯৭৮), বাবলু জোমাদ্দার (কং নং ৩৬৩), রেশন স্টোর কিপার মো. আব্বাস উদ্দিন (কং নং ৭৯৭), আরিফুর রহমান (কং নং ৭২২), ডিবির কনস্টেবল তাপস কুমার ম-ল(কং নং ৪১৩), ড্রাইভার দোলন বড়াল (কং নং ৫২৫) ও এএসআই হানিফ।

এদিকে, এ ঘটনা তদন্তে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-কমিশনার শোয়েব আহমেদের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছেন মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার শৈবাল কান্তি চৌধুরী। তারা সিকিউরিটি সেলের পাশাপাশি নিজস্ব আদলে তদন্ত করবে বলেও জানা গেছে।

বিএমপি সূত্রে জানা গেছে, বিএমপির সৃষ্ট প্রায় ৮০০ পদে পদোন্নতি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে কনস্টেবলদের কাছ থেকে জনপ্রতি ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা ঘুষ আদায়ের ঘটনা জানাজানি হওয়ায় তদন্তে নামে পুলিশের সিকিউরিটি সেল। প্রাথমিক তদন্তের ওপর ভিত্তি করে ওই ১০ পুলিশ সদস্যকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বরিশাল বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার শোয়েব আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

You Might Also Like