চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনে ব্যাপক জয় নিয়েছে আ.লীগ

আওয়ামী লীগ : ৫৩; বিএনপি : ২৬; জামায়াত : ৫; অন্যান্য : ৪

গত রোববার অনুষ্ঠিত চতুর্থ দফা উপজেলা নির্বাচনে সর্বশেষ প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী আওয়ামী লীগ ৫৩, বিএনপি ২৬, জামায়াত ৫, জেপি ১ ও অন্যান্যরা ৩টি উপজেলায় বিজয়ী হয়েছেন।

বাংলাদেশে চলমান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের চতুর্থ ধাপে গত রোববার ৯১টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের সংবাদদাতাদের পাঠানো খবরের ভিত্তিতে বেসরকারিভাবে বিজয়ীদের তালিকা এখানে তুলে ধরা হলো।

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শাহজাহান কবির (দোয়াত কলম) বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ২১,৭৪৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ বি এম গোলাম কবির (আনারস) পেয়েছেন ১৩,১৬২ ভোট।

বগুড়ার গাবতলীতে বিএনপি সমর্থিত চেয়ারম্যান প্রার্থী মোরশেদ মিল্টন (আনারস) ৮২,৫৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের আজম খান (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ৪৪,১২২ ভোট।

ফেনীর সোনাগাজীতে আওয়ামী লীগ সমর্থিত তিন প্রার্থী বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান পদে জেড এম কামরুল আনাম (টেলিফোন) এক লাখ ৭৬৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের এ কে নাজেম ওসমানী পেয়েছেন আট হাজার ২৯ ভোট। পুরুষ ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আজিজুল হিরন (টিউব ওয়েল) পেয়েছেন ৯৬,৬৭৬ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত গিয়াস উদ্দিন (বাল্ব) পেয়েছেন ৬,৮৯৪ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী জোবেদা নাহার মিলি (কলস) পেয়েছেন ৯৯,৫৯৩ ভোট, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস মিতা (পদ্ম ফুল) পেয়েছেন ৮,৯৯৩ ভোট।

কিশোরঞ্জের ইটনা উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী চৌধুরী কামরুল হাসান ৩৩,৪৫৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এফ এম কামাল হোসেন (বিএনপি) পেয়েছেন ২৭,৮৭৪ ভোট।

মিঠামইনে আ’লীগ প্রার্থী বিজয়ী

মিঠামইন সংবাদদাতা জানান, জেলার মিঠামইন উপজেলায় আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট আব্দুশ শহীদ ভুইয়া ২৬,৪৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির এ এইচ এম জাহিদুল আলম জাহাঙ্গীর পেয়েছেন ১৮,৬৯৬ ভোট।

মধুপুরে আ’লীগ প্রার্থী বিজয়ী

টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত সারোয়ার আলম খান ৮০,৪০২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত জাকির হোসেন সরকার পেয়েছেন ৪৭,৮২৮ ভোট। এ ছাড়া ভাইস চেয়ারম্যান পদে হেলাল উদ্দিন (আ’লীগ) ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী নাজমা বেগম বিজয়ী হয়েছেন।

জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলায় জামায়াতের উপজেলা সেক্রেটারি প্রভাষক মুস্তাফিজুর রহমান ৭৪,২৮৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবু সাইদ আল মাহবুব চন্দন পেয়েছেন ৩৮,৫৮৭ ভোট।

কাঁঠালিয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী ফারুক শিকদার ৩৭,৫৫৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী রফিকুল ইসলাম মিরন পেয়েছেন ৭,৯৯১ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এমাদুল হক ৩৫,১২১ ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের ফাতেমা বেগম ৩৫,৮৬১ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী অ্যাডভোকেট ইউনুছ লস্কর ৮০,১১৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী অ্যাডভোকেট আনিসুর রহমান পেয়েছেন ৫,৫৫৬ ভোট।

পিরোজপুরের রাজাপুর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মনিরুজ্জামান ৪২,০৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী নাসিম উদ্দিন আকন পেয়েছেন ১৯,০৮৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির  প্রার্থী জাকারিয়া সুমন ১৯,৭৭৮ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আফরোজা আক্তার লাইজু ৪৩,৩৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

হবিগঞ্জ সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ আহমদুল হক ৪২,০০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোতাছিরুল ইসলাম পেয়েছেন ২৯,০৮৫ ভোট।

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মশিউল আলম আজাদ ১৯,৩৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের প্রার্থী আবুল হাশেম মোল্লা পেয়েছেন ১৮,১০৫ ভোট।

সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপির গণেন্দ্র চন্দ্র সরকার ২১,১২৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ পেয়েছেন ১৭,৮১২ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মাহবুবুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান রেজিয়া বেগম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

খুলনার দাকোপ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আবুল হোসেন (আনারস) ৪৭,২৮৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ড. অচিন্ত কুমার মণ্ডল (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ২১,৫৯৯ ভোট।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোসলেহ উদ্দিন ২৪,০২২ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত আবুল কাসেম পেয়েছেন ২১,১৮৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত মুরাদ হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত পিওনা বেগম বিজয়ী হয়েছেন।

রাঙ্গামাটির জুরাছড়ি উপজেলা নির্বাচনে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি সমর্থিত প্রার্থী উদয়জয় চাকমা (আনারস) বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ৬,২৫১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী সুরেশ চাকমা (কাপ পিরিচ) পেয়েছেন ২,৮৩৭ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে ৬,৩৩৯ ভোট পেয়ে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির সমর্থিত প্রার্থী লিটন চাকমা বিজয়ী হয়েছেন।

দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফরাদ হাসান ইগলু ৩০,১৯৫ ভোট পেয়ে  বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় পার্টি সমর্থিত অ্যাডভোকেট জুলফিকার পেয়েছেন ২৪,০৪৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত আমিুনল হক ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত নাজমুন্নাহার মুক্তি নির্বাচিত হয়েছেন।

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ খুরশীদ আলম মতি ৪৬,৪৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মুশফিকুর রহমান বাবুল পেয়েছেন ৩৪,৪১২ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মঞ্জুরুল কাদির ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী হাসিনা নির্বাচিত হয়েছেন।

খুলনার তেরখাদা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু ৪৭,৩৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মেজবাউল আলম পেয়েছেন ৯,৮৮২ ভোট।

খুলনার বটিয়াঘাটা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আশরাফুল আলম ৪০,৮৮৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আমীর এজাজ খান পেয়েছেন ৩৭,৯৪৭ ভোট।

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আব্দুল লতিফ অমল ৬১,৭২৫ ভোট পেয়ে  বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক খলিলুর রহমান পেয়েছেন ১৫,৬৩৩ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দল সমর্থিত প্রার্থী হাফিজুর রহমান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আয়েশা সুলতানা লাকী বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। ব্যাপক ভোট ডাকাতি ও কারচুপির অভিযোগে বিএনপি-জামায়াত নির্বাচন বর্জন করে আজ সোমবার হরতালের ডাক দিয়েছে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিব উদ্দিনের বাড়ি জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া গ্রামে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী গিয়াস উদ্দিন ৪৬,৩২৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় প্রার্থী আরিফুল হক পেয়েছেন  ৩৯,৩৫৩ ভোট।

নেত্রকোনার মদন উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপি দলের প্রার্থী এম এ হারেজ ২৬,৬৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি দলীয় বিদ্রোহী প্রার্থী রফিকুল ইসলাম আকন্দ পেয়েছেন ২০,৬২৮ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াতের মাওলানা রুহুল আমীন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি দলের প্রার্থী নাসরীন আক্তার বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ড উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মজিদ চেয়ারম্যান পদে ৪৯,০৫১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী রবিউল ইসলাম আনারস প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬,৭২৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী রেজাউল ইসলাম টিউবওয়েল প্রতীকে ৪৮,০৭১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো: শহিদুল ইসলাম শিলু চশমা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৬,৪৫৫ ভোট।  মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী পদে বিএনপি সমর্থিত সেলিনা খাতুন কলস প্রতীকে ৪৬,০৪৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্ব আওয়ামী লীগ সমর্থিত মাহমুদা আক্তার কেয়া ফুটবল প্রতীকে ৩৫,৪৯৮ ভোট পেয়েছেন।

ভোলার তিন উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন। দৌলতখানে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মন্জুর আলম খান ৫৭,৬০৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী মামুনুর রশিদ বাবুল চৌধুরী পেয়েছেন ৪,১৩৭ ভোট। তজুমদ্দিনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অহিদুল্লাহ জসিম ৪৪,৬৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মোস্তফা মিন্টু পেয়েছেন ২,৪৪৪ ভোট। মনপুরায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সেলিনা আক্তার চৌধুরী ৩১,১৫৪ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম বিএনপির সামসুদ্দিন বাচ্চু চৌধুরী পেয়েছেন ১,০২২ ভোট। তবে তিনটি উপজেলাতেই কেন্দ্র দখলের প্রতিবাদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থীরা ভোট বর্জন করেন।

ভাণ্ডারিয়া (পিরোজপুর) উপজেলায় জাতীয় পার্টি (জেপি) সমর্থিত প্রার্থী মো: আতিকুল ইসলাম উজ্জল (কাপ-পিরিচ) ৩৬,৫৬০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বর্তমান চেয়ারম্যান মাহিবুল হোসেন মাহিম (দোয়াত কলম) পেয়েছেন ১৬,০৪৩ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান (পুরুষ) পদে মো: মিরাজুল ইসলাম (আ’লীগ) আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আসমা আক্তার (ফুটবল) ২৪,৭৯৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। রোকেয়া বেগম (কলস) ১৭,২০১ ভোট পেয়ে দ্বিতীয় হয়েছেন।

মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আবু বকর ছিদ্দিক ১৬,২৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শাহাবুদ্দিন নান্নু পেয়েছেন ১৪,২১৭ ভোট।

সিলেট সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আশফাক আহমদ ৪৫,১৪৯ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কাহের শামীম পেয়েছেন ৩০,০৯১ ভোট।

কানাইঘাট উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী আশিক চৌধুরী ২৭,০৪০ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী নিজাম উদ্দিন আল মিজান পেয়েছেন ২১,০৭৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জমিয়তে ইসলামের প্রার্থী মাওলানা আলিম উদ্দিন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মরিয়ম বেগম বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এ টি এম মনিরুজ্জামান সরকার (আনারস) ৫৯,২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত এম এ হান্নান (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৩৮,৫১৬ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে অঞ্জন কুমার দেব (তালা) ৫৬,৭৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো: আলমগীর হোসেন (চশমা) পেয়েছেন ৩৩,৫৯৩ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে সৈয়দা হামিদা লতিফ পান্না (প্রজাপতি) ৫২,৮৪৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী লুৎফুর নাহার পাপড়ি (কলস) পেয়েছেন ৫১,৯২৯ ভোট।

ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জিয়া উল ইসলাম জিয়া ৫৮,৩৯৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী একরামুল হক (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন মোট ৫৬,২৭৮ ভোট।

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আলমগীর চৌধুরী প্রায় ৬ হাজার ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন। ১১৫টির মধ্যে ১০৮ কেন্দ্রের প্রাপ্ত ফলাফলের ভিত্তিতে আলমগীর চৌধুরী (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৩০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১৯ দলীয় জোট সমর্থিত প্রার্থী মুজিবুর রহমান শেফু (চিংড়ি) ৩১ হাজার ৭২৮ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত সমর্থিত মাওলানা আশরাফ ৪২ হাজার ৯০৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান আকতার হোসেন ছোবা মিয়া পেয়েছেন ২৯ হাজার ৭০২ ভোট।

সিরাজগঞ্জের চৌহালী উপজেলায় বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মেজর (অব:) আব্দুল্লাহ আল মামুন (দোয়াত কলম) ২২,১০৭ ভোট পেয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাহমুদুল আলম হযরত মাস্টার (ঘোড়া) পেয়েছেন ১৬,২০৭ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত লিয়াকত আলী (তালা) ১৮,৮১৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত সাব্বির হাই রিপন ( টিয়া পাখি) পেয়েছেন ১৫,৬০৭ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি সমর্থিত জহুরা পারভীন (ফুটবল) ২৩,৭৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত জাহানারা ইয়াসমিন (কলস) পেয়েছেন ১০,৪১৪ ভোট।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী ফিরোজ আল মামুন (হেলিকপ্টার) ৭৩,২৮৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত শহিদুল ইসলাম মঙ্গল সরকার (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৫৯,৩৩৯ ভোট। এর আগে দুপুরে নির্বাচনে ব্যাপক কারচুপির অভিযোগ করে বিএনপি, জাসদ ও জাতীয় পার্টি সমর্থিত প্রার্থীরা নির্বাচন বয়কট করেন।

কেশবপুর (যশোর) উপজেলায় আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীরা চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যানের তিনটি পদেই বিজয়ী হয়েছেন। চেয়ারম্যান প্রার্থী এইচ এম আমির হোসেন (মোটরসাইকেল) ৫৬,৪৩৪ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী মাওলানা আব্দুস সামাদ (দোয়াত-কলম) পেয়েছেন ৩৫,১৫২ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির আব্দুল লতিফ রানা (তালা) ৫৭,৯৫২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট ওজিহুর রহমান (উড়োজাহাজ) পেয়েছেন ৪১,১৯৬ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগের নাছিমা সাদেক চম্পা (হাঁস) ৫৯,৫৬৬ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী দিল আফরোজ ইরানী (কলস) পেয়েছেন ৪১,০৯৩ ভোট।

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ আলী শাহ (দোয়াত-কলম) ৫৭,৫৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী অধ্যাপক মো: কুতুব উদ্দিন বাহার (কাপ-পিরিচ) পেয়েছেন ৩০,১৫৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে মোহাম্মদ আকতার হোসেন (তালা) ৫৪,৭৫২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী মো: রাশেদুল ইসলাম তালুকদার (বই) ১৯,৮০৭ ভোট পেয়েছেন।

নড়াইল সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম (আনারস) পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৭৫৮। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের নিজাম উদ্দিন খান নিলু (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৪৯ হাজার ৭৭৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াতের ওবায়দুল্লাহ কায়সার (মাইক) পেয়েছেন ৪৫ হাজার ৬২৭ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মাহফুজুর রহমান (উড়োজাহাজ) পেয়েছেন ৪৩,০৪২ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ওয়ার্কার্স পার্টির স্বপ্না সেন (হাঁস) পেয়েছেন ৩৪,৫৫৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মধুমিতা সুলতানা মিতা (ফুটবল) পেয়েছেন ২৯,৮৭০ ভোট।

কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলায় বিএনপির এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী (ঘোড়া) ১৫,৯৩২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের আ স ম শাহরিয়ার চৌধুরী (আনারস) ১৩,৪৩৪ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের হুমায়ুন কবির হায়দার (তালা) ১৫,৫৭৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির জিয়াউল করিম চৌধুরী (চশমা) ১৪,৩৮৩ ভোট পেয়েছেন। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের ছৈয়দা মেহেরুন নেছা ২০,৬৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের রোকসানা আরা (প্রজাপতি) ১১,১৫৬ ভোট পেয়েছেন।

চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী এম তৌহিদুল আলম বাবু (আনারস) ৮৯,২৪০ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আলহাজ সরোয়ার আলমগীর (মোটরসাইকেল) পেয়েছেন ৩৩ হাজার ২৬৮ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী উত্তম কুমার মহাজন (তালা) ৭৭,৫২৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত মাওলানা আবু তালেব (মাইক) পেয়েছেন ৩৫,৫৪৩ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৮৭,০৩৫ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন আওয়ামী লীগ সমর্থিত জেবুন্নাহার মুক্তা (প্রজাপতি)। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী তামান্না হাসনাত (ফুটবল) পেয়েছেন ২৫,১০৯ ভোট।

ঢাকার ধামরাই উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী আলহাজ তমিজ উদ্দিন ৯৮,৩৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী দলীয় প্রার্থী আলহাজ গোলাম কবির মোল্লা পেয়েছেন ৭৪,২৭৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী প্রার্থী মোহাদ্দেস হোসেন ৪৭,৫৮৪ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট সোহানা জেসমিন ৬১,৬৪১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মোজহারুল ইসলাম তালুকদার

৮৯,০২০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী শুকুর মাহমুদ পেয়েছেন ৬৫,৩৬০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী দলের প্রার্থী আবদুল মজিদ তোতা ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের মনোয়ার বেগম নির্বাচিত হয়েছেন

কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জাতীয় পার্টির বিদ্রোহী প্রার্থী কামাল উদ্দিন ভূইয়া কাঞ্চন ১৭,৫৯২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী সাইদুজ্জামান মোস্তফা পেয়েছেন ১৪,৫১২ ভোট।

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আবদুল ওয়াহাব ৬১,৯৮১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী শহীদুজ্জামান কাকন পেয়েছেন ৫১ হাজার ৫৯৫ ভোট।

কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুস সালাম ২৩,৩৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ৯,৬৩৩ ভোট পেয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী তাজুল ইসলাম ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী দিলারা শিরিন নির্বাচিত হয়েছেন।

কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী আবদুল খালেক ৫২,৫০৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান পেয়েছেন ৩৮,৪৭৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে নতুন করে কয়েকটি কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে বিধায় চূড়ান্ত ফলাফল পাওয়া যায়নি।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী অ্যাডভোকেট আবদুর রহিম ৮১,৯৯০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী দলীয় প্রার্থী মোহাম্মদ উল্লাহ পেয়েছেন ৩৯,৪৯৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত দলের প্রার্থী মাওলানা বোরহান উদ্দিন ৮৭,৫১০ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি দলের প্রার্থী পারভীন আক্তার ৮৫,৫৯৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা জহিরুল ইসলাম ৬৫,৯৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী প্রার্থী খুরশেদুল আলম পেয়েছেন ৫১,৬৯০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী মাওলানা বদরুল হক ৫৫,৫৮৬ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের প্রার্থী সাফিয়া বেগম মোক্তার ৫৫,৫৭৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

রাউজান উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী এহসানুল হায়দার চৌধুরী ১,০৮,৭৫১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী আনোয়ার হোসেন পেয়েছেন ১৯,৫৫৩ ভোট।

সাতকানিয়া উপজেলার চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী জসীম উদ্দিন ৬৪,৬২৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী নুরুল আবসার চৌধুরী পেয়েছেন ৪৫,৮৪০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী মোহাম্মদ ইব্রাহীম ৬৭,৭৮৮ ভোট পেয়ে ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী দুরদানা ইয়াসমিন ৬৯,৩৩০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

কক্সবাজারের রামু উপজেলার চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী আহমেদুল হক চৌধুরী ৩৩,৩০৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ফয়জুল্লাহ মোহাম্মদ হাসান পেয়েছেন ২১,২১৩ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী আলী হোসেন ২৬,৪১২ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী ফরিদা ইয়াসমিন ৬৪,৬৭৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে জামায়াত প্রার্থী তোফায়েল আহমেদ ১৩,১৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগ প্রার্থী শফিউল্লাহ পেয়েছেন ৯,০৬৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন ১১,০১২ ভোট পেয়ে ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপি প্রার্থী হামিদা চৌধুরী ১৩,৪৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

আজমিরীগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আতর আলী ১৬,২১১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী একই দলের মূল প্রার্থী মিজবাহউদ্দিন ভুঁইয়া পেয়েছেন ১৩,৪১৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ডা: আব্দুল হাই ১৬,০৭৮ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী রুকসানা আক্তার শিখা ৩০,৯৮০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

সিলেট সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আশফাক আহমদ ৪৫,১৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী আবুল কাহের শামীম পেয়েছেন ৩০ হাজার ৯১ ভোট।

মৌলভীবাজার সদর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান ৪৩,২৪৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুহিবুর রহমান পেয়েছেন ৩১,১৭৯ ভোট।

শ্রীমঙ্গল উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী রনধীর কুমার দেব ৪৭,৮৮২ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আতাউর রহমান লালা পেয়েছেন ২৪,৫৬৪ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রেম সাগর হাজরা ৩৩,৭২৪ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে বিএনপির প্রার্থী হেলেনা চৌধুরী ৪৩,৭৬৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

কমলগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের অধ্যাপক রফিকুর রহমান ৪৫,১১৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির শামীম আহমেদ পেয়েছেন ৪২,৯০৯ ভোট।

ধর্মপাশা উপজেলা চেয়ারম্যান পদে বিএনপির মোতালেব খান ৩২,৯৩৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের প্রার্থী শামীম আহমেদ মুরাদ পেয়েছেন ৩১,২৩৬ ভোট।

পিরোজপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মুজিবর রহমান ৫০,৯৬০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এলিজা জামান পেয়েছেন ১৬,৯০৫ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের রেজাউল করিম শিকদার ৪০,৩০৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

 

মঠবাড়ীয়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের আশরাফুর রহমান ১,০৪,০০০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির রুহুল আমিন পেয়েছেন ১৪,০০০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের বাদশা মিয়া ৯০,০০০ এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের প্রার্থী কুলসুম নির্বাচিত হয়েছেন।

বাউফল উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগ প্রার্থী মুজিবর রহমান মুন্সি ১,২৫,৭৭০ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মোশাররফ হোসেন ১,২৫,২০০ ভোট ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের প্রার্থী রেহানা বেগম ১,২৯,৬১০ ভোট নির্বাচিত হয়েছেন।

বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের গোলাম মোর্তুজা খান ৬৬,৪৩৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী জ্যোতিন্দ্রনাথ মিস্ত্রী পেয়েছেন ৪,৩০৪ ভোট। মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের মলিনা রানী ৪৯,১৮২ ভোট ও সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন সরকার ১৫,৭৩৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

উজিরপুর উপজেলার চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের হাফিজুর রহমান ৭৯,৮৫৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আব্দুল মাজেদ তালুকদার (মান্নান মাস্টার) পেয়েছেন ২০,২১০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের অপূর্ব কুমার বাইন ৬১,৪৮৮ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী সীমা রানী শীল ৭৪,৭৮৬ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

বানারীপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী গোলাম ফারুক ৭০,৯৫৪ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী শাহজাহান মিয়া পেয়েছেন ৪,৫৫৯ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী শরীফ উদ্দিন আহমেদ কিসলু ৬৭,৩২১ ভোট এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একই দলের তাসলিমা হোসেন ফোরা ৬৩,৭৩৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সুলতান হোসেন খান ৮৮,২২১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী এনামুল হক পেয়েছেন ৮,৪০০ ভোট। ভাইস চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী লিয়াকত হোসেন ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ইশরাত জাহান সোনালী নির্বাচিত হয়েছেন।

You Might Also Like