এবার শ্রীনিকে দুটি শর্ত দিলেন কামাল

১১তম বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ ও ভারত। ওই ম্যাচে বাজে আম্পায়ারিং নিয়ে সমালোচনায় মুখর হয়ে উঠেছিল ক্রিকেট বিশ্ব। দায়িত্ব পালনকারী দুই আম্পায়ার আলিম দার ও ইয়ান গোল্ডকে ধুয়ে ছাড়েন ক্রিকেটবোদ্ধারা। সেই বিতর্কিত আম্পারিংয়ের সমালোচনা করেছিলেন তৎকালীন আইসিসির সভাপতি আ হ ম মুস্তফা কামালও।

এ নিয়ে ক্রিকেট মহলে বেশ তোলপাড় সৃষ্টি হয়। যার দরুণ মুস্তফা কামালের সঙ্গে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েন আইসিসির চেয়ারম্যান নারায়ণস্বামী শ্রীনিবাসন। ভারতের বিতর্কিত এই ক্রীড়া সংগঠক শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন এভাবে, আম্পায়ারিং নিয়ে কামাল যে মন্তব্য করেছিলেন তার জন্য আইসিসির কাছে ক্ষমা চাইতে হবে। তুলে নিতে হবে সেই বক্তব্য। এই ঘটনার জের ধরে বিশ্বকাপের ফাইনালে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে ডাকা হয়নি মুস্তফা কামালকে।

এদিকে ক্ষমা চাওয়া তো দূরের কথা, আইসিসির অনিয়ম বিশ্বের কাছে উন্মোচন করে সংস্থাটির সভাপতির পদ থেকে সরে দাঁড়ান আ হ ম মুস্তফা কামাল। আইসিসির সভাপতির পদ থেকে কামালকে সরিয়ে নিস্তার পাননি শ্রীনি। উল্টো নিজ দেশ ভারতের ক্রিকেট বোর্ড বিসিসিআইয়ের রোষাণলে পড়েছেন তিনি। আইসিসির চেয়ারম্যানের পদ থেকে তাকে বাদ দেওয়ার জন্য উঠেপড়ে লেগেছেন বিসিসিআইয়ের কর্মকর্তারা।

সম্প্রতি আইপিএলের ফাইনালে মুস্তফা কামালকে আমন্ত্রণ জানান বিসিসিআইয়ের সভাপতি জগমোহন ডালমিয়া। সেখানে উঠেছিল পুরোনো দিনের কথা। ভারতীয় গণমাধ্যমের আগ্রহের কেন্দ্রে ছিলেন কামাল। দেশে ফিরে নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করছেন তিনি।

এক সাক্ষাৎকারে মুস্তফা কামালের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল, শ্রীনিবাসনকে ক্ষমা করবেন কি না? এবার শ্রীনিকে দুটি শর্ত দিলেন মুস্তফা কামাল। জানালেন, ফোন করে দুঃখ প্রকাশ করতে হবে। আর বলতে হবে ‘স্যরি’। হয়তো প্রতিশোধ নিতেই শ্রীনিকে এভাবে শর্ত জুড়ে দিলেন কামাল।

এ বিষয়ে আইসিসির প্রাক্তন সভাপতি মুস্তফা কামাল বলেন, ‘শ্রীনি ফোন করলে আমি তাকে ক্ষমা করব। সঙ্গে তাকে ‘স্যরি’ বলতে হবে। কেননা উনি বাংলাদেশকে বিভিন্ন সময় বিপদে ফেলেছেন। উনি নতুন-নতুন আইন করেছেন, যার বেশ কিছু আমাদের বিপক্ষে গেছে।’

You Might Also Like