গাজীপুরে নৌকায় গণধর্ষণ

দেশের বিভিন্ন স্থানে যখন বাস, ট্রাক, ও মাইক্রোবাসে নারী ধর্ষণের ঘটনা ঘটছে ঠিক সে মূহুর্তেই গাজীপুরের কালীগঞ্জে জামালপুর ইউনিয়নের নারগানা খেয়া ঘাট সংলগ্ন শীতলক্ষ্যা নদীতে এবার নৌকার মধ্যেই চার মাঝি কর্তৃক গণধর্ষণের শিকার হলেন প্রাণ কারখানার এক নারী শ্রমিক (১৮)।

বুধবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।

সারাদেশ যখন যৌন নিপীড়নকারীদের গ্রেফতার এবং বিচারের দাবিতে উত্তাল, ঠিক সেই সময় এমন ঘটনায় স্তব্দ উপজেলাবাসী। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় দুই ধর্ষকসহ তিন জনকে আটক করেছে পুলিশ।

থানা সূত্রে জানা যায়, গতকাল বুধবার রাত সাড়ে ৯টায় পার্শ্ববর্তী পলাশ উপজেলার প্রাণ কারখানা ছুটি শেষে নৌকায় করে বাড়ি ফিরছিল মেয়েটি। পথে নারগানা খেয়া ঘাট এলাকায় চার মাঝি তাকে শীতলক্ষ্যা নদীতে নৌকার মধ্যে উপর্যপুরি ধর্ষণ করে।

ধর্ষণকারীরা হলো- উপজেলার মোক্তাপুর গ্রামের রিপন মিয়ার ছেলে ফারুক মিয়া (২৮), রতন শেখের ছেলে শরীফ শেখ (২৫), খোরশেদ আলমের ছেলে ফাহিম মিয়া (২২) ও হেলাল উদ্দিনের ছেলে আলামিন হোসেন।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সকালে ধর্ষিতা নিজে বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। পরে থানা পুলিশ উপজেলা বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে ধর্ষক ফারুক ও শরীফকে আটক করেন। এ ঘটনায় ধর্ষক আলামিনের বড় ভাই রনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেন পুলিশ। ধর্ষিতা উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের নারগানা গ্রামের বাসীন্দা।

কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, ধর্ষিতার অভিযোগের পর তার নের্তৃত্বে উপজেলার বিভিন্নস্থানে অভিযান চালিয়ে দুই ধর্ষককে আটক করা হয়।

এ ছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধর্ষক আলামিনের বড় ভাই রনিকে আটক করা হয়েছে। বাকী ধর্ষকদের আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানান তিনি।

You Might Also Like