লক্ষ্মীপুরে দুই গ্রুপের গোলাগুলিতে সন্ত্রাসী নিহত

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ থানার আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও গোলাগুলিতে স্থানীয় ছাত্রলীগ কর্মী ও সন্ত্রাসী মামুন খাঁন নিহত হয়েছে।

নিহত মামুন সদর উপজেলার আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের মুন্সী বাড়ির আবু তৈয়ব খানের ছেলে। মামুন স্থানীয় ছাত্রলীগের কর্মী সহ নিজেই সন্ত্রাসী বাহিনীর প্রধান বলে জানা গেছে।

সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার পর এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পর মামুন খানকে মুমূর্ষু অবস্থায় স্থানীয়রা উদ্ধার করে চন্দ্রগঞ্জ পূর্ববাজারের ন্যাশনাল হসপিটালে নিলে সেখানে সে মারা যায়। পরে রাত প্রায় ১ টার দিকে পুলিশ মামুনের লাশ উদ্ধার করে চন্দ্রগঞ্জ থানায় নেয় এবং সকালে ময়নাতদন্তের জন্য সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।

জানা যায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তার এবং অভ্যন্তরীণ কোন্দলের জের ধরে সিমান্তবর্তী আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের কাচারী বাড়ি মসজিদের সামনে মামুন বাহিনী ও চাটখিলের দেলিয়াইর মধু-কাওসার বাহিনীর গুলিবিনময় ও সংঘর্ষে মামুন নিহত হয়।

চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হুমায়ন কবির জানায়, নিহত মামুন রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সিমান্তবর্তী চাটখিলের দেলিয়াইর থেকে সহযোগী মাহবুব সহ মোটরসাইকেল যোগে বাড়ি ফিরছিলো। পথে আমানী লক্ষ্মীপুর গ্রামের কাচারী বাড়ি মসজিদের সামনের সাহাব উদ্দিনের চা দোকানের পেছন থেকে ওৎ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এক পর্যায়ে মামুনও পাল্টা গুলি চালালে দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি গুলি বিনিময়ের পর ঘটনাস্থলে মামুন গুলিবিদ্ধ হয়ে লুটিয়ে পড়ে।

তবে এতে সহযোগী মাহবুব অক্ষতবস্থায়ই বাড়ি ফিরে। পরে মামুনকে গুলিবিদ্ধবস্থায় হাসপাতালে নিলে সে মারা যায়। মামুনের বিরুদ্ধে হত্যা, অপহরণ, চাঁদাবাজি, চুরি ডাকাতি সহ একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে জানায় ওসি। এঘটনাকে ঘিরে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।

You Might Also Like