রাজবাড়ীতে খালেদার জনসভা কাল

পহেলা মার্চ শনিবার বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া ৮ বছর পর রাজবাড়ী সফরে আসছেন। জেলার ঐতিহাসিক রেলওয়ে ময়দানে জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য দেবেন তিনি। পাঁচ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচনের পর ঢাকার বাইরে বেগম খালেদা জিয়ার এটিই প্রথম জনসভা। তার আগমন উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে স্থানীয় ১৯ দলীয় জোটের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা।এই জনসভায় রাজবাড়ীসহ পার্শ্ববর্তী বৃহত্তর ফরিদপুর, কুষ্টিয়া ও পাবনার জেলার প্রায় ৬ লাখের বেশি মানুষের সমাগম ঘটবে। জেলায় প্রায় শতাধিক তোরণ, ব্যানার ও বিলবোর্ডে শহর ছেয়ে গেছে।

রাজবাড়ী জেলা বিএনপির সভাপতি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম জানান, ১৯ দলীয় ঐক্যজোট নেত্রী বিএনপি চেয়ারপারসন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রাজবাড়ী সফর উপলক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে।

আগামী ১ মার্চ শনিবার বেলা ১১টায় চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া ঢাকা থেকে সড়ক পথে রাজবাড়ীর উদ্দ্যেশ্যে রওনা দেবেন। দুপরে তিনি রাজবাড়ীর সার্কিট হাউজে কিছু সময় অবস্থান করবেন। বেলা ৩টায় রাজবাড়ীর ঐতিহাসিক শহীদ আব্দুল আজিজ খুশি রেলওয়ে ময়দানে ১৯ দলীয় ঐক্যজোট আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির ভাষণ দেবেন।

গত ৫ জানুয়ারি প্রহসনের নির্বাচন বাতিল, গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা, ১৯ দলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে হামলা, মামলা, হত্যা, গুম এবং অনতিবিলম্বে ক্ষমতা ছেড়ে নির্দলীয় নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধিনে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে এবং আগামী দিনের আন্দোলনের দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

সাবেক এমপি খৈয়ম আরো বলেন, ‘আমরা আশা করি বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া এই জনসভা থেকে বৃহত্তর নতুন কোনো আন্দোলনের ঘোষণা দেবেন।

চেয়ারপারসন বেগম জিয়া আগামীতে ক্ষমতায় গেলে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মানুষের প্রাণের দাবি দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় পদ্মাসেতু এবং রাজবাড়ীতে ১টি বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের ঘোষণা দেবেন।

জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক গাজী হাবীব জানান, দলের তৃণমূল নেতাকর্মীরা চেয়ারপারসনের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য শোনা ও তাকে একনজর দেখার জন্য অস্থির হয়ে আছে।

You Might Also Like