পুরুষ পরী

আরজুর ওপর পরীর অনেক রাগ। আরজুকে শিক্ষা দিতে সে গেছে গুণ্ডা ভাড়া করতে। কিন্তু গুণ্ডাদের কাছে তার মতো সুন্দরীর যাওয়া তো নিরাপদ নয়, তাই সে পুরুষের সাজে গেল গুণ্ডাদের কাছে। এই হলো ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’র আজকের নির্মাণকাহিনী।
এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘ছবিতে আমি একজন চেয়াম্যানের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করছি। সেখানে আমি বাবার টাকা চুরি করে সিনেমা দেখি, আর সেটা সবাইকে বলে দেয় আরজু। এর জের ধরে তার সঙ্গে আমার শত্রুতা শুরু হয়। আজ আমি ছেলে সেজে এসেছি গুণ্ডা ভাড়া করতে, কারণ আরজুকে শায়েস্তা করতে হবে। যেহেতু আমি মেয়ে, গুণ্ডারা আমার কোনো ক্ষতি যাতে না করতে পারে- সে জন্য আমি ছেলে সেজে এসেছি। শেষ পর্যন্ত আমার শত্রু নায়ক আরজুর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়।’
ছবির পরিচালক শামীমুল ইসলাম শামীম বলেন, ‘গ্রামের একজন চেয়ারম্যান ও নাপিতের ছেলের মধ্যে এক ধরনের শত্রুতা নিয়ে তৈরি হয়েছে ছবিটির গল্প। ঠিক শত্রুতা বলা যাবে না, এখানে একটি ঘটনা রয়েছে। চেয়ারম্যান ত্রাণের সামগ্রী চুরি করে আর ওই সামগ্রীই আবার চুরি করে আরজু এবং সে সেটা বিলিয়ে দেয় এলাকার উন্নয়নমূলক কাজে। চেয়ারম্যান জানেন চুরি আরজু করছে, কিন্তু কোনো প্রমাণ নেই। গ্রাম্য সালিশে যখন প্রমাণ করতে চায়, তখন আরজু মোবাইল ফোনসেটে ভিডিও দেখায় যে চেয়ারম্যানের মেয়ে টাকা চুরি করে সিনেমা দেখে। এই থেকে শুরু হয় পরী আর আরজুর যুদ্ধ। পরী অনেকভাবেই আরজুকে শাস্তি দিতে চায়। আজ সে এসেছে গুণ্ডা ভাড়া করতে।’
ওয়ান স্টার ইন্টারন্যাশনাল মুভিজের ব্যানের মোজাম্মেল হক খানের প্রযোজনায় ‘আমার প্রেম আমার প্রিয়া’ ছবিটির দ্বিতীয় পর্যায়ের শুটিং চলবে টানা ১০ মে পর্যন্ত। হোতাপাড়া ছাড়াও ছবিটির শুটিং হবে পুবাইলের বিভিন্ন স্থানে। ১০ মার্চ থেকে শুটিং শুরু হলেও ২৫ মার্চ পরীমনি গাছ থেকে পড়ে পায়ে ব্যথা পাওয়ায় ছবির শুটিং কিছুদিনের জন্য থেমে গিয়েছিল। তারপর আবার শুরু হয়েছে ছবির কাজ।
গাজীপুরে হোতাপাড়ার খতিবখামার বাড়িতে এই শুটিং শুরু হয়। আজ শুটিংয়ে অংশ নেন পরীমনি, আরজু ও খলনায়ক ডন। ছবিটিতে অভিনয় করছেন মিশা সওদাগর, আলীরাজ, রেবেকা প্রমুখ।

You Might Also Like