বাংলাদেশে গণতন্ত্র নিয়ে হঠাৎ আমেরিকার এত দরদ কেন?

কোনো রাষ্ট্র বা সরকারকে যদি একবার বলদর্পিতা পেয়ে বসে তার পক্ষে নিজের ভুল নীতি ও ব্যর্থ নীতি সংশোধন করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এ কথাটা সর্বাংশে সঠিক মনে হয়। সাম্প্রতিক ‘সিরিয়া ডিবাক্ল্’ এবং আফগানিস্তানে ‘প্রায় ভিয়েতনাম পরিস্থিতি’র সম্মুখীন হওয়া সত্ত্বেও আমেরিকা তা থেকে কোনো শিক্ষা গ্রহণ করেছে বলে মনে হয় না। বাংলাদেশের বর্তমান শান্ত পরিস্থিতি অশান্ত করার জন্য ওয়াশিংটন আবার তৎপর হয়ে উঠেছে। এই তৎপরতার ফলে তাদেরই আশ্রিত নেটিভ সুশীল সমাজটিও তৎপর। হিজ মাস্টার্স ভয়েসের অনুধ্বনি শোনা যাচ্ছে এই সুশীল সমাজের মুখপাত্রগুলোর কণ্ঠে।

বাংলাদেশে গত ৫ জানুয়ারির সাধারণ নির্বাচনটি হাসিনা সরকার একতরফা করেনি। করেছে বিরোধী বিএনপি জোটই। আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন অনেক সাধ্য-সাধনা করেও বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে পারেনি। বিএনপি একটি দাবির গোঁ ধরে বসে রয়েছে এবং সন্ত্রাসী দল জামায়াতের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সারাদেশে সন্ত্রাস চালিয়ে অগণতান্ত্রিকভাবে সরকারের পতন ঘটানোর চেষ্টা করেছে।
আমেরিকারও দাবি, তারা বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ চালাচ্ছে। তাহলে নিশ্চয়ই তারা বাংলাদেশে হাসিনা সরকারকে এই সন্ত্রাসের কাছে আত্মসমর্পণ করে দেশটিকে সন্ত্রাসীদের ও জঙ্গি মৌলবাদীদের হাতে তুলে দেওয়ার পরামর্শ দিতে পারে না। বাস্তবে তারা তাই দিয়েছে। বারবার বলেছে, সংলাপে বসো। হাসিনা সরকার কার সঙ্গে সংলাপে বসবে? এক বিভীষিকাময় সন্ত্রাসের সঙ্গে?
আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এ ক্ষেত্রে উচিত ছিল, তাদের সর্বপ্রকার নৈতিক শক্তি প্রয়োগে বিএনপিকে সন্ত্রাসীদের খপ্পরমুক্ত করার কাজে সফল হওয়া। নির্বাচন যাতে অবাধ ও সুষ্ঠু হয়, সে জন্য প্রয়োজন হলে জাতিসংঘের পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা। তা না করে তারা হাসিনা সরকারকে অনবরত চাপ দিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসমূলক তৎপরতার মুখে তাদের অন্যায় দাবিগুলোও মেনে সংলাপে বসার জন্য। এক কথায় বিরোধীদের কাছে আত্মসমর্থণের জন্যই ছিল এই চাপ।
প্রতিবেশী ভারত ও ভ্লাদিমির পুতিনের রাশিয়াসহ কয়েকটি দেশের জোর সমর্থনের ফলে এবং দেশের জনমত অনুকূল থাকায় হাসিনা সরকার বৃহৎ শক্তি আমেরিকা ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের এই চাপ উতরে উঠতে পেরেছে। যে কোনোভাবেই হোক সাধারণ নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয়েছে ও নির্বাচনটি হওয়ার ফলে আর যাই হোক দেশে সন্ত্রাস বন্ধ হয়েছে এবং জনজীবনে স্বস্তি ফিরে এসেছে। দেশের মানুষও চায় এই স্বস্তিটা কিছুদিন অব্যাহত থাকুক। মাসের পর মাস বিএনপি-জামায়াত দেশে যে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে, সেই যুদ্ধবিধ্বস্ত অবস্থা থেকে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠিত হোক। তারপর আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেই সরকার সেই ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
সে কথা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও বলেছেন। তিনি ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের সীমাবদ্ধতা জানেন এবং এই সীমাবদ্ধতার মধ্যে কেন নির্বাচন করতে হয়েছে সে কথাও দেশবাসীর কাছে বিশ্লেষণ করেছেন। তিনি স্পষ্টই বলেছেন, বিএনপি সন্ত্রাসী জামায়াতের সঙ্গ ছেড়ে আসুক। ‘৭১-এর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে বাধাদানের নীতি বর্জন করে সংলাপে বসুক। তাহলে একটা গ্রহণযোগ্য মীমাংসায় পেঁৗছতে বাধা কোথায়? আমেরিকা বিএনপির ওপর জামায়াতের সংশ্রব ত্যাগের চাপ না বাড়িয়ে চাপ বাড়াচ্ছে হাসিনা সরকারের ওপর_ বিএনপি সন্ত্রাসীদের সংশ্রবমুক্ত এবং দেশে আরেকটি নির্বাচন অনুষ্ঠানের অনুকূল পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আগেই অবিলম্বে নির্বাচনের দিন-তারিখ ঘোষণার জন্য অর্থাৎ বাংলাদেশে আবারও অশান্ত পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা।
অথচ এই আমেরিকা আফগানিস্তানে তালেবানদের কাছে শর্ত দিয়েছিল তারা যেন লাদেনপন্থি আল কায়দার সংশ্রব বর্জন করে_ তাহলেই তাদের সঙ্গে ওয়াশিংটন সংলাপে যাবে। আমেরিকার বিদেশনীতির ডাবল স্ট্যান্ডার্ড আলোচনা করতে গেলে একটি মহাভারত লিখতে হয়। এই ডাবল স্ট্যান্ডার্ডের জন্য কাবুলে আমেরিকারই পুতুল প্রেসিডেন্ট কারজাই পর্যন্ত এখন বেঁকে বসেছেন এবং আফগানিস্তানে মার্কিন সৈন্যদের অবস্থান সম্পর্কে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরে রাজি হচ্ছেন না। তিনি লন্ডনের সানডে টাইমসের এক সাংবাদিকের কাছে বলেছেন, ‘আমেরিকা সন্ত্রাস দমনের নামে ড্রোন হামলায় প্রত্যহ শয়ে শয়ে নিরীহ আফগান নরনারী হত্যা করছে। আফগানিস্তানে শান্তি ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা তাদের লক্ষ্য নয়।’
কাবুলের কারজাইয়ের এই উপলব্ধি বাংলাদেশের কারজাইদের মধ্যে এখনও ঘটেনি। ফলে দেশে ‘নির্ভেজাল গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার নামে বাংলাদেশ সম্পর্কে মার্কিন পরিকল্পনা (তাদের নতুন এশীয় নীতির অংশ) সফল করার জন্য তারা যা করছে, তাতে দেশটিতে গণতন্ত্র সুরক্ষা পাওয়া দূরের কথা, রাষ্ট্রের সেক্যুলার ভিত্তি ধ্বংস হয়ে আধা-তালেবানি শাসন প্রতিষ্ঠালাভ এবং আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মতো রক্তক্ষয়ী পরিস্থিতির উদ্ভব হওয়ায় সমূহ আশঙ্কা বিরাজমান। ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় ভারত ও চীনের ক্রমবর্ধমান প্রভাব ঠেকিয়ে নিজের আধিপত্য নিরঙ্কুশ করার জন্য বাংলাদেশেও আমেরিকা পানি ঘোলা করতে চায়।
তা না হলে ৫ জানুয়ারির নির্বাচনের পর দেশের মানুষ যেখানে এই সরকারকে আপাতত দেশ শাসনে সম্মতি দিয়েছে এবং দীর্ঘকালীন সংকট ও সন্ত্রাসের পর দেশের পরিস্থিতিও মোটামুটি শান্ত এবং সরকারও সন্ত্রাসবিধ্বস্ত অর্থনীতি পুনর্গঠনে মনোযোগ দিয়েছে, সেখানে আমেরিকার পক্ষে গায়ে পড়ে বাংলাদেশে আরেকটি নির্বাচন অবিলম্বে অনুষ্ঠানের চাপ সৃষ্টি দ্বারা আবার অশান্ত ও সন্ত্রাস ফিরিয়ে আনার এই অপচেষ্টা কেন? যে আমেরিকার ইতিহাস হচ্ছে দেশে দেশে নির্বাচিত সরকারগুলো উচ্ছেদের জন্য সাহায্য করা এবং সামরিক শাসকদের ক্ষমতায় বসানো, সেই আমেরিকা কেন বাংলাদেশে ‘খাঁটি গণতন্ত্র’ প্রতিষ্ঠার জন্য এত ব্যাকুল?
বর্তমান হাসিনা সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর মনে হয়েছিল, আমেরিকা পরিস্থিতি আপাতত মেনে নিয়েছে এবং দেশটি পুনর্গঠনে এই সরকারের সঙ্গে একটা ওয়ার্কিং রিলেশন বজায় রেখে চলবে। কিন্তু হঠাৎ ঘড়ির কাঁটা পিছিয়ে গেছে। আমেরিকা বাংলাদেশের হাসিনা সরকার সম্পর্কে হার্ডলাইনে ফিরে গেছে। ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা আবার ছুটে গেছেন বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য। অন্যদিকে একদল মার্কিন কূটনীতিক ও প্রতিনিধি দিলি্লতে বিজেপি নেতা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাতের জন্য ছুটে গেছেন।
এক শ্রেণীর ভারতীয় পত্রিকার অনুমান, দিলি্লর কংগ্রেস সরকার ভারতের নিজস্ব স্বার্থ ও নিরাপত্তার খাতিরে বাংলাদেশে হাসিনা সরকারের পক্ষে যে শক্ত অবস্থান নিয়েছে, বিজেপির নরেন্দ্র মোদি নিকট ভবিষ্যতে ক্ষমতায় এলে যাতে সেই নীতি থেকে সরে আসেন এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নষ্ট করার কাজে মার্কিন-নীতিতে সহায়তা দেন, সেই উদ্দেশ্য সাধনই ছিল এই প্রচেষ্টার লক্ষ্য।
এই প্রচেষ্টায় আমেরিকা কি সফল হবে? দিলি্লর যে ক’জন প্রবীণ ভারতীয় সাংবাদিকের সঙ্গে আমি আলাপ করেছি, তারা একবাক্যে বলেছেন, ‘না, এটা সফল হওয়া সম্ভব নয়।’ একে তো গুজরাটের সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় নরেন্দ্র মোদির সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তুলে আমেরিকা একবার তাকে তাদের দেশে যাওয়ার ভিসা দেয়নি, তাতে নরেন্দ্র মোদি রুষ্ট। অন্যদিকে ভারতও এখন বিশ্ব রাজনীতিতে এমন একটা শক্তিশালী অবস্থানে এসে পেঁৗছেছে, কেবল দিলি্লতে ক্ষমতার হাতবদল হলে সে নীতি থেকে কোনো সরকারের সম্পূর্ণ সরে আসা অসম্ভব। আমেরিকায় ওবামা যেমন পারেননি বুশের যুদ্ধবাদী বিদেশনীতি থেকে সহসা সরে আসতে, তেমনি ভবিষ্যতে দিলি্লতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এলেও ভারতের রাষ্ট্রীয় স্বার্থ ও নিরাপত্তাভিত্তিক বিদেশনীতি পরিবর্তন তাদের পক্ষে সহজ হবে না। সম্ভবও হবে না।
দিলি্লর এই সাংবাদিক মহলের আরও একটি ধারণা, বাংলাদেশ সম্পর্কে বিজেপির আগের মনোভাব এখন অনেকটাই পরিবর্তিত। ভারতকে সন্ত্রাসমুক্ত রাখা, তার পূর্বাঞ্চলের অখণ্ডতা ও নিরাপত্তা এবং সংখ্যালঘু মুসলমানদের আস্থা অর্জনের জন্যও তারা বাংলাদেশে একটি সেক্যুলার ও গণতান্ত্রিক সরকারকে ক্ষমতায় দেখতে চায়। এ ব্যাপারে চাই কি, বাংলাদেশের সঙ্গে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে তারা বর্তমান কংগ্রেস সরকারের চেয়েও বেশি উদ্যোগ গ্রহণ করতে পারে। আমেরিকার নতুন এশীয় নীতিতে ভারত ও চীন এই দুটি বড় এশিয়ান দেশ কতটা যুক্ত হতে চাইবে, তা সন্দেহের বিষয়।
সম্ভবত এটা জেনেই বাংলাদেশের ওপর আমেরিকা তার অর্থনৈতিক চাপও বাড়াতে চায়। এই চাপটা হলো, তারা কিছুকাল আগে বাংলাদেশকে দেওয়া যে জিএসপি (শুল্কমুক্ত সুবিধা) সুবিধা প্রত্যাহার করে, তা পুনর্বহালের জন্য ১৬টি শর্ত আরোপ করে। বাংলাদেশ সরকার এর ১৩টি শর্ত পূরণ এবং বাকি তিনটি পূরণের উদ্যোগে নেওয়ার পরও আমেরিকা টালবাহানা করছে।
এই টালবাহানা করার রহস্যটিও সম্প্রতি বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের বক্তব্যে পরিষ্কার হয়ে উঠেছে। মন্ত্রী বলেছেন, আমরা ১৩টি শর্ত পূরণ এবং আরও তিনটি পূরণের ব্যবস্থা করার পরও ওয়াশিংটন জিএসপি সুবিধা পুনর্বহালে টালবাহানা করছে। মুখে না বললেও ড. ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের প্রসঙ্গটি ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে ওই শর্তের সঙ্গে যুক্ত করছে।
মাত্র এক ব্যক্তিকে তার অবৈধ সুযোগ-সুবিধা প্রদানের ব্যাপারে একটি বৃহৎ শক্তি কী ধরনের নির্লজ্জ ভূমিকা গ্রহণ করতে পারে, এটা তার প্রমাণ। সম্প্রতি ‘৭১-এর যুদ্ধাপরাধী কাদের মোল্লাকে ফাঁসি দেওয়ার সময় স্বয়ং মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী জন কেরি এই ফাঁসি বন্ধ করার দাবি জানিয়েছিলেন। মার্কিন বিদেশনীতি এখনও যে পুরনো বলদর্পিতা দ্বারা পরিচালিত, তার স্পষ্ট প্রমাণ এ দুটি ঘটনা।
ওয়াশিংটনের কোনো কোনো সূত্র থেকে জানা যায়, মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টে এখন দুটি পক্ষ। সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের অনুসারী ও রিপাবলিকান সমর্থক অংশ প্রচণ্ডভাবে হাসিনা সরকারবিরোধী। এদের ওপর ড. ইউনূসের প্রভাব এখনও বিদ্যমান এবং ড. ইউনূস এখনও পর্দার আড়ালে খেলছেন। বর্তমানে আবার হাসিনা সরকারকে নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠানে চাপ দেওয়ার মার্কিন তৎপরতার পেছনেও নাকি ড. ইউনূস কলকাঠি নাড়ছেন। স্টেট ডিপার্টমেন্টের অন্য অংশটিও বাংলাদেশে আরেকটি নির্বাচন চায়; কিন্তু সে জন্য প্রবল চাপ সৃষ্টির পক্ষপাতী নয়। এখন পর্যন্ত স্টেট ডিপার্টমেন্টে হাসিনা সরকারের বিরোধী অংশটিই বেশি শক্তিশালী এবং ঢাকায় মার্কিন রাষ্ট্রদূত মজীনা তাদের হয়েই তৎপরতা চালাচ্ছেন। এই বিশ্লেষণ কতটা সঠিক, তা হয়তো শিগগিরই বাংলাদেশ সম্পর্কে মার্কিননীতি থেকে স্পষ্ট হয়ে উঠবে।
হাসিনা সরকার সাম্প্রতিক অতীতে বিশ্বের একমাত্র পরাশক্তির চাপের মুখে নতি স্বীকার না করে বাংলাদেশের সম্মান বাড়িয়েছে। আগামীতেও কতটা পারবে, তা নির্ভর করে তার মিত্র দেশগুলোর কাছ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থন আদায় এবং দেশের ভেতর সাম্রাজ্যবাদবিরোধী প্রবল জনমত গড়ে তোলার সাফল্যের ওপর। এ জন্য দেশের সব গণতান্ত্রিক শক্তিকে হাসিনা সরকারের উচিত ঐক্যবদ্ধ করা। বিশ্বে এখন একক পরাশক্তির প্রভাব ও ক্ষমতাও ক্ষীয়মাণ। আমেরিকার শুধু অর্থনীতিতে নয়, সাম্রাজ্যশক্তিতেও ধস নেমেছে। এই অবস্থায় নতুন এশীয় নীতি নিয়ে ওয়াশিংটন আবার আগ্রাসী ভূমিকা গ্রহণ করতে চাইলে তাতে কতটা সফল হবে, তা নিয়ে অনেকের সন্দেহ আছে। অনেকে মনে করেন, আমেরিকার বর্তমান বাংলাদেশ-নীতি একাত্তরের মতোই ব্যর্থতা বরণ করবে।

উৎসঃ   সমকাল

You Might Also Like