এই সরকারের পতন হবেই : এমাজউদ্দীন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি ড. এমাজউদ্দীন আহমেদ বলেছেন, সামনের দিনগুলো আমাদের অনিশ্চিত তবুও আমি নিজে থেকে বিশ্বাস করি, আজ হোক কাল হোক এই সরকারের পতন হবেই। কারণ পৃথীবিতে কোন স্বৈরাচারী সরকার বেশি দিন টিকতে পারেনি, এই সরকারও পারবে না।

রোববার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সেমিনার হলরুমে জিয়া পরিষদ আয়োজিত ‘বহুদলীয় গনতন্ত্র : জিয়াউর রহমান ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি একথা বলেন।

এমাজউদ্দীন বলেন, ১৯৯৬ সালের ১২ জুন শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায় সরকারের মাধ্যেমেই ক্ষমতায় গিয়েছিলো সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী তিনি এবং তার মন্ত্রী পরিষদ শপথ নিয়েছিলেন, ৫ জানুয়ারি নির্বাচন দেবার  আগের দিন তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সাংবিধানিক বাধ্য বাধকতার জন্য নির্বাচন করছি, কিন্তু তিনি এখন একথা স্বীকারই করতে চাচ্ছেননা।

সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন সর্ম্পকে  ঢাকা  বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এই ভিসি বলেন,  সিটি নির্বাচন করছেন ভাল কথা, তবে  যারা প্রার্থী হবেন, তাদের শর্তসাপেক্ষ মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করাসহ বন্দীদের মুক্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে তাদের সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

তিনি বলেন, একাধিক রাজনৈতিক দল না থাকলে, কখনো বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয় আর এটির প্রচলন জিয়াউর রহমান  করেছিলেন। তার  জন্য তাকে বলা হয় বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। নিরপক্ষেভাবে ক্ষমতা হস্তান্তর করা কথা মনে হলেই জিয়াউর রহমানের কথা মনে হয়।

আলোচনা সভায় অংশ নিয়ে পেশাজীবী পরিষদের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক রুহুল আমিন গাজী বলেন, আজ গণতন্ত্রের আন্দোলনের জন্য একজন জিয়াউর রহমানের প্রয়োজন ছিলো। কারণ জিয়াউর রহমানের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ও সততা নিয়ে কারও কোন সন্দেহ ছিল না। তিনি বেঁচে থাকলে আজ হয়তবা দেশের  গণতান্ত্রিক আন্দোলনের অগযাত্রা এতো ব্যহত হত না।

সরকারের সমলোচনা করে তিনি বলেন, সিটি করপোরেশন নির্বাচন দিয়েছেন ভাল কথা, তাহলে একমাসের জন্য হলেও ২০ দলীয় জোটের নেতা  কর্মীদের বিরুদ্ধে সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার করেন।

আয়োজক পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান ড. আবদুল কুদ্দুস এর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রফেসর ড. ইমতাজ হোসেন, প্রফেসর লুতফর রহমান প্রমুখ।

You Might Also Like