ফেনীতে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধ : আহত ১০

ফেনী শহরের মৌলভীবাজারের সিএনজি স্ট্যান্ড দখল ও এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শুক্রবার রাত থেকে আওয়ামী লীগের কহিনুর গ্রুপ ও মুন্না-স্বপন গ্রুপের বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় ৪ পথচারীসহ ১০ জন আহত হয়েছে। পুলিশ শনিবার দুপুরে এক জনকে আটক করেছে।

পুলিশ, স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে ফুলগাজী উপজেলা চেয়ারম্যান একরাম হত্যার ঘটনায় জেলার সরকার দলীয় কিলাররা জেল হাজতে থাকায় তাদের প্রধান সহযোগী ফেনী পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও ডজন মামলার আসামি কহিনুর আলম শহরের দক্ষিণ অঞ্চলের সিএনজি স্ট্যান্ড শহরের মৌলভী বাজার দখল নিতে মরিয়া হয়ে উঠে। গত একবছর এর দখল নিয়ে দফায় দফায় তার গ্রুপের সাথে স্বপন-মুন্না গ্রুপের বন্ধুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। এ নিয়ে গত ২২ ফেব্রুয়ারি একজন খুনও হয়।

তারই ধারাবহিকতায় গতকাল শুক্রবার রাত ৮টায় এই বন্দুকযুদ্ধ শুরু হয়। দীর্ঘ ১০ ঘণ্টার বন্দুকযুদ্ধে পথচারী বাবু, জীবন, শাহ আলম, সুজন নাথ ও মনছুর আহম্মদ, রিক্সা চালক আমজাদ, ফল ব্যবসায়ী আবদুলসহ ১০ জন আহত হয়েছেন।

শনিবার সকাল থেকে কহিনুর গ্রুপের সদস্যরা সশস্ত্র অবস্থায় সিএনজি স্ট্যান্ড ও কচুয়া মার্কেটে অস্থান নিয়ে স্বপন-মুন্না গ্রুপের উপর আবারো হামলা ও মুহূর্মুহূ বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। মুহূর্তের মধ্যে সকল দোকান-পাট বন্ধ হয়ে যায়। পুলিশ সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে হাজির হলেও কহিনুর গ্রুপের সশস্ত্র অবস্থান দেখে সাধারণ মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দেয়। পুলিশ মুন্না গ্রুপকে ধাওয়া করলেও কোহিনুর গ্রুপের সশস্ত্র অবস্থান ছিল সুদৃঢ়।

এবিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ শাহীনুরের কাছে জানতে চাইলে তিনি বন্ধুকযুদ্ধের কথা স্বীকার করে এঘটনায় এজনকে আটক করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন। তবে অভিযুক্তদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে বলেও জানান তিনি।

You Might Also Like