‘থানায় ওয়ারেন্ট গেলেই খালেদা গ্রেফতার’

খালেদা জিয়ার গ্রেফতারের ওয়ারেন্ট গুলশান থানায় পৌঁছার পরই তাকে গ্রেফতারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলে।

বুধবার দশম জাতীয় সংসদের পঞ্চম অধিবেশনে সংসদ সদস্য এ এম আউয়ালের এক সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদকে এ তথ্য জানান।

শেখ হাসিনা বলেন, খালেদা জিয়া কেন তার গুলশানের বাড়ি ছেড়ে তার কার্যালয়ে অবস্থান করছেন সেটাই রহস্য। তিনি গুলশান কার্যালয়ে বসে বাংলাদেশকে জঙ্গী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চাচ্ছেন। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী যথাযথ পদক্ষেপ না নিলে বহু আগেই জনগণ তাকে (খালেদা) গুলশান কার্যালয় থেকে বের করে দিত।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত নেত্রী দেশের আইন মানেন না। কোর্ট থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে দেশের যে কোন নাগরিকের দায়িত্ব হচ্ছে কোর্টে আত্মসমর্পণ করা। আর দায়িত্বশীল নাগরিক অতি দ্রুততার সাথে কোর্টের আদেশ মান্য করবেন এটাই সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু খালেদা জিয়া কোর্টের আদেশ অমান্য করে একটি খারাপ উদাহরণ সৃষ্টি করছেন।

বিএনপির নেতাকর্মীরা খালেদা জিয়ার সঙ্গে নেই এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত নেত্রী খালেদা জিয়া আন্দোলনের নামে অফিসে বসে নাশকতামূলক কাজ করছেন। সারা বিশ্বের কাছে বাংলাদেশকে হেয় প্রতিপন্ন করছেন। দেশকে অকার্যকর রাষ্ট্রে পরিণত করার ষড়যন্ত্র করছেন। কোর্ট থেকে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হলে দেশের যেকোনও নাগরিকের দায়িত্ব হচ্ছে কোর্টে আত্মসমর্পন করা। আর দায়িত্বশীল নাগরিক খুব দ্রুততার সঙ্গে কোর্টের আদেশ মান্য করবেন এটাই সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু খালেদা জিয়া কোর্টের আদেশ অমান্য করে অত্যন্ত খারাপ একটি উদাহরণ সৃষ্টি করছেন। আমি দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই, আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, আর আইনকে সমুন্নত রাখা সরকারের দায়িত্ব।

শেখ হাসিনা বলেন, এ পর্যন্ত ৬৭ বার খালেদা জিয়ার মামলার শুনানির তারিখ থাকলেও তিনি মাত্র ৭ বার আদালতে গিয়েছেন। শেষ যে বার গেছেন, সে বার তার নেতা-কর্মীরা লাঠি-সোটা নিয়ে আদালতে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তাদের তাণ্ডবে সংসদ সদস্য ছবি বিশ্বাসও আহত হয়েছেন। আসলে লাঠিসোটা নিয়ে আদালতকেও ভয়-ভীতি প্রদর্শন করতে চেয়েছেন খালেদা জিয়া।

You Might Also Like